Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ঠিকানা মারুফের আশ্রম
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিশ্বকাপ

ফেভারিট ৫

agamir somoy
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪০
ফেভারিট ৫

ফুটবল বিশ্বকাপ। আকর্ষণ-উত্তেজনা-আবেগ ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে বড় মঞ্চ। এবারের লড়াই আরও বড়, আরও আকর্ষণীয়। প্রথমবার হতে যাচ্ছে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ। উত্তর আমেরিকার বুকে ফুটবল-ঝড় ওঠার আগে অনেকেই মেলাচ্ছেন শিরোপার হিসাব। কোন দলের দৌড় কতদূর, চার সেমিফাইনালিস্ট কারা, ফাইনালে যাবে কে— এই সমীকরণ আসলে শুধু বিশ্লেষক নয়, একদম সাধারণ ফুটবল সমর্থকও মেলাতে চাইছেন। যে-ই শিরোপা জিতুক, বিশ্বকাপ এলে ফেভারিটের তালিকায় কয়েকটি দলকে ওপরের দিকে রাখতেই হবে আপনাকে। সেই তালিকায় আগামীর সময়-এর ফেভারিট পাঁচ দল। লাতিন ও ইউরোপ কাঁপানো এই দলগুলোকে কেন এগিয়ে রাখা হচ্ছে জানতে পারবেন এই আয়োজনে। লিখেছেন খালিদ রাজ

 

মেসি আছেন বলেই...

একটা বিশ্বকাপ জিততে লেগে গেছে ৩৬ বছর। আরেকটা জিততে লাগবে কত বছর? বিশ্বকাপ ধরে রাখার ‘রীতি’ যে ফুটবলে নেই গত ছয় দশকে। ফলে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সায় পাচ্ছে না আর্জেন্টিনা। আবার এটি ভুলে গেলেও চলবে না ফুটবল দুনিয়ায় ইতিহাস বদলানোর ঘটনা অহরহ। তাই আশায় বুক বাঁধছেন লাতিন দেশটির সমর্থকরা। কাতারের পর যুক্তরাষ্ট্রেও সোনালি ট্রফি উদযাপনের অধীর আগ্রহে দিন গুনছে আলবিসেলেস্তেরা।

যার হাত ধরে তিন যুগ পর বিশ্বকাপ আনন্দ ফিরেছিল আর্জেন্টিনায়, সেই লিওনেল মেসি আছেন এবারও। স্বপ্নযাত্রায় মূল কাণ্ডারি অবশ্যই তিনি। ফেভারিটের তালিকায় তাদের রাখতে হবে অবশ্যই।

চ্যাম্পিয়নদের মানসিকতা

চলতি শতাব্দীতে আর্জেন্টিনা দলে কী ছিল না! ভূরিভূরি তারকা, তাদের পারফরম্যান্স, বাছাই পর্বে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দেওয়া— সবকিছুই ছিল ইতিবাচক। কিন্তু টুর্নামেন্ট এলেই ভড়কে যেত তারা। তাদের দুর্বলতা ছিল মানসিকতায়। কাতার বিশ্বকাপে শুধু ট্রফিই জেতেনি আলবিসেলেস্তেরা; তারা তৈরি করেছে জয়ের সংস্কৃতি। টাইব্রেকার, পিছিয়ে পড়ে ফিরে আসা কিংবা নকআউটের উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই— সবক্ষেত্রেই নিজেদের মানসিক দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছে আর্জেন্টিনা।

স্কালোনির ম্যাজিক

ফুটবলে কোচই সর্বেসর্বা। দলের পরিকল্পনা, খেলার কৌশল, ম্যান ম্যানেজমেন্ট, ড্রেসিংরুম— সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ তার হাতে। আর্জেন্টিনার সাফল্যযাত্রায় লিওনেল স্কালোনি সব বিভাগে তার মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। জয়ের মানসিকতা তৈরি করেছেন, দলের একতা বাড়িয়েছেন; সবচেয়ে বড় বিষয়— মেসির ছায়া থেকে বের করে নিয়ে এসেছেন আর্জেন্টিনাকে।

স্কালোনির আর্জেন্টিনা আর একক কোনো তারকার ওপর নির্ভরশীল নয়। খেলোয়াড়রা জানেন তার নিজের ভূমিকা কী। রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণ— সব বিভাগে এনেছেন ভারসাম্য। আধুনিক ফুটবলে এই ধারাবাহিকতা বড় টুর্নামেন্ট জয়ের অন্যতম শর্ত।

প্রেরণার নাম মেসি

ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন মেসি। সব জেতা এই সুপারস্টারের হাতে বিশ্বকাপ দেখার আকুলতা থেকে কাতারে নিজেদের সেরাটা নিংড়ে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। এবারও তাড়না থাকবে ট্রফি উপহার দিয়ে মেসিকে বিদায় বলার। এই স্বপ্ন পুরো দলকে বাড়তি অনুপ্রেরণা দিতে পারে।

তা ছাড়া মেসির উপস্থিতি দলকে অন্যরকম অনুপ্রেরণা জোগায়। ড্রেসিংরুম কিংবা মাঠ— সব জায়গায়ই তৈরি করে বাড়তি আত্মবিশ্বাস। বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশনে মেসি-ম্যানিয়া রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

তরুণদের উত্থান

কাতারে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন হুলিয়ান আলভারেস, এনসো ফের্নান্দেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার ও ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। অভিজ্ঞতার বিচারে তারা এখন অনেক পরিণত। দায়িত্বভার বেড়েছে। ২০২২-এর উদীয়মান তারকারা এবার দিতে যাচ্ছেন দলের নেতৃত্ব। বড় টুর্নামেন্টে এ পরিণতিই গড়ে দিতে পারে পার্থক্য।

একতা

একক কোনো তারকা নয়, বরং গোটা দলের ওপর নির্ভরশীল এই আর্জেন্টিনা। তারা একসঙ্গে আক্রমণে ওঠে, আবার রক্ষণ সামলায় একসঙ্গে। লড়াই করে একে অন্যের জন্য। ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপজয়ী দলের ঐক্যবদ্ধ মানসিকতা সবচেয়ে জরুরি। আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট।

শেষ কথা

অভিজ্ঞতা, তারকাসমৃদ্ধ স্কোয়াড, জয়ের মানসিকতা ও স্থিতিশীল কোচিং— সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার আশাবাদী হওয়ার কারণ আছে যথেষ্ট।

 

আনচেলত্তি ‘ইফেক্ট’

বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল। পাঁচবার উঁচিয়ে ধরেছে সোনালি ট্রফি। টানা দুবার বিশ্বকাপ জেতার সর্বশেষ কীর্তিও তাদের। সময়ের পালাবদলে সেই ব্রাজিলই এখন হাতড়ে বেড়াচ্ছে সাফল্য। ২০০২ সালে শেষবার বিশ্বজয়ের পর একবারও উঠতে পারেনি ফাইনালে। আরেকটি বিশ্বকাপ শুরুর আগে তাই প্রশ্ন উঠেছে— ২৪ কি ২৮ হচ্ছে?

ব্রাজিলের সর্বশেষ বিশ্বকাপ জেতার বছরের হিসাব এটি। অপেক্ষার দীর্ঘ সময়ের হতাশা। সেই হতাশা কি এবার কাটবে? অনেক ফুটবল বিশ্লেষকের মতে, জেতার সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। কারণ এই ব্রাজিলে আছে অভিজ্ঞতা, তারুণ্যের গতি, গভীর স্কোয়াড এবং সর্বোপরি এক কিংবদন্তি কোচ।

তারকা কোচ

বিশ্বকাপ এলে সবচেয়ে আলোচনায় থাকেন তারকা খেলোয়াড়রা। এবারের ব্রাজিলের আলোচনায় এক কোচ— কার্লো আনচেলত্তি। সেলেসাওদের বড় শক্তির জায়গাও তিনি।

ফুটবলে তারকা খেলোয়াড়ের প্রভাব অবশ্যই আছে। তবে কোচের ভূমিকা এখানে সবচেয়ে বেশি। ব্রাজিলে পড়েছে আনচেলত্তি-ইফেক্ট। লাতিন দেশটির ফুটবলপ্রেমীরাও বিশ্বাস করছেন, অপেক্ষার প্রহর শেষে সাম্বার দেশে ফিরবে বিশ্বকাপ আনন্দ। কারণ, তাদের আছেন একজন আনচেলত্তি; যিনি জানেন কীভাবে ট্রফি জিততে হন, জানেন কীভাবে তারকা খেলোয়াড়দের একসুতায় গাঁথতে হয়।

ব্রাজিলের প্রতিভার কখনো কমতি ছিল না। এরপরও ২০০২ সালের পর ট্রফি জিততে না পারার বড় কারণ তারা কখনোই জাতীয় দলে এসে এক হতে পারেননি। দলের ভেতর ছিল ভারসাম্যের অভাব। আনচেলত্তি পূরণ করেছেন এই ফাঁকা জায়গাগুলো। আক্রমণ, মাঝমাঠ ও রক্ষণ— তিন বিভাগকেই গড়ে তুলেছেন সুসংগঠিতভাবে। খেলোয়াড়রা পেয়েছেন প্রেরণা আর সমর্থকরা বিশ্বাস।

তারুণ্যের সোনালি প্রজন্ম

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের দিকে নজর দিন। দেখবেন প্রায় সব বড় দলের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কোনো ব্রাজিলিয়ান। ভিনিসিয়ুস, রাফিনিয়া, এনদ্রিক— এ নামগুলো প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্ক। তাদের গতি, ড্রিবলিং, ওয়ান ‍টু ওয়ানে দক্ষতা ও গোল করার ক্ষমতা ব্রাজিলকে দিচ্ছে শিরোপা ফেরানোর সুবাস।

আবার এটিও মনে রাখতে হবে, বিশ্বকাপ জিততে গেলে শুধু প্রতিভা থাকলে হয় না, গতিপথ বদলে দেওয়ার মতো খেলোয়াড়ও দরকার। ব্রাজিলের এই প্রজন্মের হাতে আছে সেই অস্ত্র।

এক্স-ফ্যাক্টর নেইমার

২০২৬ দিয়ে খুব সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন নেইমার। ক্যারিয়ারের অস্তলগ্নে দাঁড়িয়ে নিশ্চিতভাবেই অধরা বিশ্বকাপ জিততে চাইবেন এ তারকা। ইনজুরি তার সবচেয়ে বড় শত্রু। বিশ্বকাপে ফিটনেস বাধা পেরিয়ে যদি মাঠে নামতে পারেন, তাহলে তিনিই হবেন ব্রাজিলের সৃজনশীল ফুটবলের মস্তিষ্ক।

বিশ্বকাপ জিততে গেলে এক্স-ফ্যাক্টর লাগে। ব্রাজিল দলে সেটি নেইমার। ফুটবল মহাযজ্ঞে তার উপস্থিতি ব্রাজিলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ, দলের সিনিয়র খেলোয়াড়ের বেশিরভাগই বিশ্বকাপ দলে চেয়েছেন এই ফরোয়ার্ডকে। তার অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের উদ্দীপনার মিশেল ব্রাজিলকে নিয়ে যেতে পারে অন্য উচ্চতায়।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ডিএনএ

বিশ্বকাপ এলেই ব্রাজিল যেন অন্য এক দলে পরিণত হয়। পাঁচটি শিরোপা, অসংখ্য স্মরণীয় ম্যাচ ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তৈরি হওয়া জয়ের সংস্কৃতি বাড়ায় আত্মবিশ্বাস। চাপ তৈরি হলে কখনো কখনো ইতিহাস বড় শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। ব্রাজিল জানে বিশ্বকাপ জিততে হয় কীভাবে। সেই ঐতিহ্য এখনো তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

শেষ কথা

আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা, ভিনিসিয়ুস-এনদ্রিকের তারুণ্য, নেইমারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপের আবেগ— এসবের মিশেলে সোনালি ট্রফি হয়তো ফিরতে যাচ্ছে সাম্বার দেশে!

 

তারুণ্যের সৃজনশীল শক্তি

প্রথম বিশ্বকাপ জেতার পর পেরিয়ে গেছে ১৬ বছর। আর উৎসব হয়নি স্পেনে। ব্যর্থতা পেছনে ফেলে ২০২৬ সালে হতে পারে লাল-বিপ্লব। ৪৮ দলের ফুটবল মহাযুদ্ধে অন্যতম ফেভারিট ধরা হচ্ছে স্পেনকে। কারণ, এবারের দলে আছে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, অভিজ্ঞতার ভারসাম্য ও আধুনিক ফুটবলের গতি।

আশার বাতি ইয়ামাল

কৈশোর পেরোনোর আগেই ইউরোপিয়ান ফুটবল তছনছ করে দিয়েছেন লামিন ইয়ামাল। তার প্রতিভা ও সৃজনশীল ফুটবল আশা জাগাচ্ছে স্পেনকে। ১৮ বছর বয়সেই স্পেনের বিশ্বকাপ স্বপ্নের ভার তার কাঁধে। প্রত্যাশার পারদ চড়িয়েছেন তিনিই। বার্সেলোনার জার্সিতে প্রতিনিয়ত কাঁপন ধরিয়েছেন প্রতিপক্ষের মনে। জাতীয় দলের জার্সিতেও কি কম দাপট!

মাঝমাঠে ফিরেছে রাজত্ব

স্পেনের মাঝমাঠে জাভি-ইনিয়েস্তা-বুশকেতসের রসায়ন ছিল চোখধাঁধানো। সেই ঐতিহ্য এখন নতুন প্রজন্মের হাতে। পেদ্রি, গাবি, মার্তিন জুবিমেন্দি ও ফাবিয়ান রুইসের বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং ও ‍সুযোগ তৈরি স্পেনের বিশ্বকাপ স্বপ্নে লাগিয়েছে বড় হাওয়া।

তারুণ্যের শক্তি

স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের গড় বয়স ২৫। দলে তারুণ্যের জয়গান। ইয়ামাল, পেদ্রি, গাবি, পাউ কুবারসি, নিকো উইলিয়ামস ইউরোপিয়ান ফুটবলের বড় নাম। বয়সের হিসাবে তাদের ভবিষ্যতের তারকা বলা হলেও তারা আসলে এখনই দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তাদের বয়স কম, কিন্তু বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা অনেক। ফলে চাপের মুহূর্তেও ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম।

দে লা ফুয়েন্তের ছোঁয়া

ফুটবলে ভেঙে পড়া স্প্যানিশ সাম্রাজ্য নতুন করে গড়ে তুলেছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। টেকো মাথার এই ভদ্রলোক শুধু স্পেনকে জেতার পথই দেখাননি, দলটির মধ্যে ফিরিয়ে এনেছেন হারানো আত্মবিশ্বাস। স্প্যানিশ ফুটবলের অবস্থান কোথায়, শিষ্যদের বোঝাতে পেরেছেন তিনি। তাও তারুণ্যের ওপর ভরসা করে।

২০২৪ সালের ইউরো জেতার দলটিকেই পরিচর্যা করেছেন দে লা ফুয়েন্তে।

শেষ কথা

বিশ্বকাপ জিততে দরকার প্রতিভা, ভারসাম্য, আত্মবিশ্বাস ও সঠিক সময়ে সেরা ফুটবল খেলার সামর্থ্য— সব উপাদানই আছে এই স্পেনে।

 

‘ফুটবল কামিং হোম’

ফুটবলের জন্ম যে দেশে, তাদের বৈশ্বিক শিরোপা মাত্র একটি। ১৯৬৬ সালের সোনালি ওই গ্রীষ্মের পর কেটে গেছে ছয় দশক। অনেক প্রতিভাবান প্রজন্ম এসেছে; তারা স্বপ্ন দেখিয়েছে, আবার হতাশও করেছে। ২০২৬ সালে এসে কি হাহাকারের গল্প শেষ হবে ইংলিশদের?

টুখেলের ছোঁয়া

ইংল্যান্ডে তারকা খেলোয়াড়ের অভাব নেই। এরপরও বৈশ্বিক ফুটবলে ইংলিশদের হাহাকারের আর্তনাদ যুগের পর যুগ। কারণ হিসেবে সঠিক দিকনির্দেশনার অভাব ও সমন্বয়ের দুর্বলতার কথা বলা হয়। তার ছোঁয়ায় এসব দুর্বলতা কাটিয়ে উঠেছে থ্রি লায়ন্স।

কেইনের ফর্ম

ইংল্যান্ডের ‘দুঃখী রাজপুত্র’ হ্যারি কেইন। শিরোপার কাছে গিয়ে বারবার খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাকে। ২০২৬ বিশ্বকাপ তার আক্ষেপ দূর করার মিশন। সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে ৬১ গোল করে নামছেন ফুটবল মহাযজ্ঞে।

শেষ কথা

টুখেলের কৌশল, দুর্দান্ত সব পারফরমার, শক্তিশালী স্কোয়াড ও কেইনের ফর্ম— সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের সমর্থকরা আবার গাওয়ার অপেক্ষায়— ‘ফুটবল কামিং হোম’।

 

অপ্রতিরোধ্য ফ্রান্স

২০২৬ বিশ্বকাপেও ‘হট’ ফেভারিট লে ব্লুজ। গত দুই আসরে একবার চ্যাম্পিয়ন, আরেকবার রানার্সআপ। এবার কতদূর যাবে? ফুটবল বিশ্লেষকরা বলছেন, ৪৮ দলের মহাযজ্ঞেও শিরোপা জেতার জোর দাবিদার দিদিয়ের দেশমের দল।

এমবাপ্পে-ম্যাজিক

২০১৮ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় শিরোপা জেতে ফ্রান্স। ওটা ছিল এমবাপ্পের প্রথম বিশ্বকাপ। ঘাটতি ছিল অভিজ্ঞতার, কমতি ছিল পরিপক্বতায়। অথচ ওই বয়সেই রাশিয়া কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। চার বছর পর কাতারে পরিণত এমবাপ্পের ম্যাজিক আপনি দেখেছেন। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আলো ছড়িয়েও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি ট্রফি। সেই আক্ষেপ ঘোচানোর পণ নিয়ে নামতে যাচ্ছেন এবারের বিশ্বকাপে।

ভয়ংকর আক্রমণভাগ

শুধু কি এমবাপ্পে! ফ্রান্সের আক্রমণভাগ যেকোনো প্রতিপক্ষের মনে ভয় ছড়াবে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণভাগ সম্ভবত ফরাসিদের। তাদের আক্রমণভাগের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বৈচিত্র্য। কেউ গতির জন্য বিখ্যাত, কেউ ড্রিবলিংয়ে, কেউ সৃষ্টিশীলতায়, কেউ আবার গোল করার দক্ষতায়।

বেঞ্চের শক্তি

বলা হয়, ফ্রান্সের বেঞ্চের একাদশও অনেক দলের সেরা একাদশের চেয়ে শক্তিশালী। কথাটা ভুল নয়। ফ্রান্সে এত তারকা খেলোয়াড় যে, অনেকে ২৬ জনের স্কোয়াডে জায়গা পাননি। প্রত্যেক কোচেরই প্রতিপক্ষ ভেদে আলাদা পরিকল্পনা থাকে। বেঞ্চে অনেক বিকল্প থাকায় দেশম সাজাতে পারেন আলাদা পরিকল্পনা। তাদের এই বেঞ্চের শক্তি গড়ে দিতে পারে ব্যবধান।

দেশমের শেষ মিশন

ফ্রান্সে শেষ হচ্ছে দেশমের ১২ বছরের অধ্যায়। বিদায়টা নিশ্চয়ই ট্রফি জিতে করতে চাইবেন খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জেতা দেশম। তার অধীনে ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে ফরাসিরা, চার বছর পর নিয়ে গিয়েছিলেন আরেকটি ফাইনালে। ফুটবল মহাযজ্ঞে সাফল্যের পথ এই শতাব্দীতে তার চেয়ে ভালো আর কে জানেন!

শেষ কথা

বড় মঞ্চের সব পারফরমার এক ছাতার নিচে, যারা অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ; এদিকে আছে সাফল্যের ক্ষুধা— বিশ্বকাপ জেতার সব উপকরণই আছে ফ্রান্সে।     

ক্রীড়াঙ্গনবিশ্বকাপসেমিফাইনালিস্টমেসিআনচেলত্তি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে ১৫৯তম দেশ ভ্রমণের গল্প

    সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে ১৫৯তম দেশ ভ্রমণের গল্প

    ১১ জুন ২০২৬, ০০:৩১

    শূন্যরেখাতেই অনাহারে পড়ে আছেন বৃদ্ধ

    শূন্যরেখাতেই অনাহারে পড়ে আছেন বৃদ্ধ

    ১১ জুন ২০২৬, ০০:২৫

    নগর ডোবে, হিসাব ভাসে

    নগর ডোবে, হিসাব ভাসে

    ১১ জুন ২০২৬, ০২:০৮

    মৌচাকের আলোচিত হত্যাকাণ্ডে ধরা পড়ল সিরাজ-রাকিব

    মৌচাকের আলোচিত হত্যাকাণ্ডে ধরা পড়ল সিরাজ-রাকিব

    ১১ জুন ২০২৬, ০০:৫০

    শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ২০ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের অবস্থানের হুঁশিয়ারি

    শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ২০ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের অবস্থানের হুঁশিয়ারি

    ১১ জুন ২০২৬, ০২:৩৭

    বন্দর আব্বাস, কেশম ও হেঙ্গাম শহরে শোনা গেছে বিস্ফোরণের আওয়াজ

    বন্দর আব্বাস, কেশম ও হেঙ্গাম শহরে শোনা গেছে বিস্ফোরণের আওয়াজ

    ১১ জুন ২০২৬, ০৪:০৫

    চকরিয়ায় বন্যপ্রাণী রক্ষায় অভিযান, পাচারকারীকে কারাদণ্ড

    চকরিয়ায় বন্যপ্রাণী রক্ষায় অভিযান, পাচারকারীকে কারাদণ্ড

    ১১ জুন ২০২৬, ০৪:২৭

    হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নৌ ইউনিট

    হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নৌ ইউনিট

    ১১ জুন ২০২৬, ০৬:০৭

    ফেনীতে চুরির অভিযোগ বনাম যৌতুক মামলা, কারাগারে উভয় পক্ষ

    ফেনীতে চুরির অভিযোগ বনাম যৌতুক মামলা, কারাগারে উভয় পক্ষ

    ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫

    কুমিল্লার মেঘনায় ভারী বৃষ্টিতে সড়ক-ঘরবাড়ি প্লাবিত

    কুমিল্লার মেঘনায় ভারী বৃষ্টিতে সড়ক-ঘরবাড়ি প্লাবিত

    ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩

    মসজিদ সংস্কারের টাকা আত্মসাৎ করলেন প্রকৌশলী

    মসজিদ সংস্কারের টাকা আত্মসাৎ করলেন প্রকৌশলী

    ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৩১

    চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে ছুরি মেরে যুবক নিহত

    চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে ছুরি মেরে যুবক নিহত

    ১১ জুন ২০২৬, ০৪:১৫

    হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, প্রতিবাদে বন্ধ আলু বেচাকেনা

    হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, প্রতিবাদে বন্ধ আলু বেচাকেনা

    ১১ জুন ২০২৬, ০৫:২৩

    বাড়ির বিদ্যুৎ খাচ্ছে সড়কের ইজিবাইক

    বাড়ির বিদ্যুৎ খাচ্ছে সড়কের ইজিবাইক

    ১১ জুন ২০২৬, ০৫:১০

    রেলওয়ের জিএমের পরিদর্শনে জরিমানা গুনলেন স্টল মালিক

    রেলওয়ের জিএমের পরিদর্শনে জরিমানা গুনলেন স্টল মালিক

    ১১ জুন ২০২৬, ০২:৫০

    advertiseadvertise