হারের বেদনার মধ্যেও কেইনের মেসি বন্দনা

সংগৃহীত ছবি
দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি লড়াইটা ছিল তাদের মধ্যেও। হ্যারি কেইন ও লিওনেল মেসির এই লড়াইয়ে জিতলেন মেসিই। মেসির দুই অ্যাসিস্টেই ধরাশায়ী ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ইংলিশ অধিনায়ক জানালেন, মেসিকে আটকানোর সব পরিকল্পনাই ভেস্তে গেছে।
এক গোলে পিছিয়ে থেকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিল মেসির আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্কালোনির দল। সেটাও মেসির দুই অ্যাসিস্টেই। পুরো ম্যাচেই মেসিকে সামলাতে বেগ পেতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে।
ম্যাচ শেষে ইংলিশ অধিনায়ক কেইনও করলেন মেসি বন্দনা, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এমনটাই হয়। যখন তারা প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের কাছাকাছি বল পায়, তখন যেকোনো মুহূর্তে জাদু দেখাতে পারে। মেসি আজ আবার সেটাই করেছে। নিঃসন্দেহে সে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। এর পেছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে।‘
মেসিকে আটকানোর অনেক চেস্টা করলেও সেটা সফল হয়নি, স্বীকার করলেন কেইন, ‘তাকে আমরা আটকানোর অনেক চেস্টা করেছি। কিন্তু যতবারই তার পায়ে বল গেছে, সে যেন নতুনভাবে জেগে উঠেছে।‘
৩২ বছর বয়সী কেইনের এটাই শেষ বিশ্বকাপ কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরেও ইংলিশ অধিনায়ক আনলেন মেসির প্রসঙ্গ, ‘মেসি ৩৯ বছর বয়সেও কী দারুণ খেলছে। আমি তার থেকেই অনুপ্রেরণা পাচ্ছি আরও অনেকদিন খেল চালিয়ে যাওয়ার।‘




