মেসিরা এনেছেন ৫০০ কেজি মাংস হলান্ডরা ৩০০ কেজি স্যামন

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছেই গরুর মাংস লোভনীয় একটি খাবার। কালাভুনা, মেজবানি কিংবা ঝোল; যে কোন উপায়ে রান্না করা মাংসের সঙ্গে পাতে গরম ভাত মানেই উৎসবের আনন্দ। তবে মাংস খাওয়ার পরিমাণে বাংলাদেশের মানুষ বৈশ্বিক সূচকে অনেক নিচে, এই দেশের মানুষ গড়ে বছরে মাত্র ৪ কেজি গরুর মাংস খায় যেখানে একজন আর্জেন্টাইন বছরে ১০০ কেজির বেশি গরুর মাংস খেয়ে থাকেন! বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার যেমন ভাত, তেমনি আর্জেন্টিনার মানুষের প্রধান খাবার হচ্ছে গরুর মাংস। স্থানীয় পদ্ধতিতে বারবিকিউ করা বা আগুনে সেঁকা ‘আসাদো’ হচ্ছে আর্জেন্টাইনদের প্রধান খাবার, সঙ্গে ভুট্টা ও অন্যান্য স্থানীয় শষ্য দিয়ে তৈরি রুটি ও নানারকম খাবার। মার্কিন মুল্লুকে বিশ্বকাপ খেলতে এসে যেন দেশের স্বাদ ফুটবলাররা ভুলে না যান, সেজন্যে নিজেদের দেশ থেকেই বিপুল পরিমাণে মাংস নিয়ে এসেছে আর্জেন্টাইনরা।
কাতার বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা আর উরুগুয়ে ফুটবল দল মিলে ৯০০ কেজি মাংস নিয়ে গিয়েছিল । এবারও সেই সাফল্যের রেসিপি ধরে রাখতে দেশ থেকে আগেই বিভিন্ন ধরণে কাটা ৫০০ কেজি গরুর মাংস যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথোরিটির নীতিমালা মেনেই এই খাবার পাঠানো হয়েছে। শুধু আর্জেন্টিনাই নয়, নরওয়ে ফুটবল দল আমেরিকায় নিয়ে এসেছে নিজের দেশের স্যামন মাছ, পনির আর কমলা। নরওয়ে ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য দেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ৬০০ কমলা আর ১১৬ কেজি স্থানীয় পনির।




