নারী ফুটবলের উন্নয়নে বাফুফেতে অ্যাশলি প্লাম্পট্রে

ছবি: আগামীর সময়
নারী ফুটবলের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ব্রিটিশ-নাইজেরিয়ান সাবেক ফুটবলার অ্যাশলি প্লাম্পট্রে। স্পাইস বাজার ফাউন্ডেশন ও প্লাম্পট্রের নিজস্ব ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বাংলাদেশের নারী ফুটবলের বর্তমান অবস্থা, খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ এবং তাদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় নারী ফুটবলারদের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি একটি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানায় বাফুফে।
পরিকল্পনার আওতায় বর্তমান ও ভবিষ্যতের একাডেমি খেলোয়াড়দের ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বিকল্প পেশার জন্যও প্রস্তুত করা হবে। কোচিং, রেফারিং ও স্পোর্টস সায়েন্সের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। চুক্তির বিস্তারিত চূড়ান্ত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানিয়েছে বাফুফে।
সৌদি উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড় এবং সাবেক লেস্টার সিটি তারকা অ্যাশলি প্লাম্পট্রে এরই মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে মাঠের কৌশল ও মাঠের বাইরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।
বাংলাদেশে নিজের প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্লাম্পট্রে বলেন, এখানকার নারী ফুটবলারদের সংস্কৃতি ও বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে চান তিনি। তার মতে, খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে এবং ফুটবলই তাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছে।
সম্প্রতি নাইজেরিয়ার লাগোসে ২৫০ মেয়েকে নিয়ে একটি ক্যাম্প করার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন প্লাম্পট্রে। পেশাদার ক্রীড়াবিদ হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থাকা খেলোয়াড়দের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশি নারী ফুটবলারদের প্রশংসা করে প্লাম্পট্রে বলেন, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এই খেলোয়াড়দেরই প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে।
স্পাইস বাজার ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল গিয়াস জানান, বাফুফের সঙ্গে তাদের আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। শিক্ষা ও খেলাধুলার সমন্বয়ের মাধ্যমে নারী ফুটবলারদের ক্ষমতায়নে কাজ করতে চান তারা। একই শহর লেস্টার থেকে উঠে আসা অ্যাশলি প্লাম্পট্রে ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার হামজা চৌধুরীর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। ভবিষ্যতে মোহাম্মদ সালাহর মতো বিশ্বতারকাদের বাংলাদেশে আনার সম্ভাবনার কথাও জানান গিয়াস।




