Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে তাসলিমা
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ফুটবল

গেরো খোলেন আলফাজ-আমিনুলরা

সুদীপ্ত আনন্দ
সুদীপ্ত আনন্দ
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫
শেয়ার করুন:
গেরো খোলেন আলফাজ-আমিনুলরা

দেশের ফুটবলে সোনালি সময়ের গল্পে শিরোপার মুকুট নেই। যখন দক্ষিণ এশীয় ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে, তখন আবার রঙ হারাতে থাকে ফুটবল। বাংলাদেশ ফুটবলের উত্থান-পতনকে সাফের আয়নায় দেখার চেষ্টা করেছেন সুদীপ্ত আনন্দ। তারই দ্বিতীয় পর্ব আজ

দেশের ফুটবলে একসময় সুদিন ছিল। কাজী সালাউদ্দিন, বাদল রায়, সাব্বির, আসলাম, মোনেম মুন্নাদের যুগের ফুটবল ছিল ভীষণ জনপ্রিয়। তবে সোনালি তারকাদের সোনালি সেই দিনগুলোতে মেলেনি দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের দেখা। ফুটবলে আগ্রহ যখন কমতে শুরু করে, সেই ২৩ বছর আগে ধরা দিয়েছিল সোনালি সাফল্য। বাংলাদেশ জেতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা, যেটাকে দেশের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য ধরা হয়।

সাফের ইতিহাস শুরু ১৯৯৫ থেকে; তবে বাংলাদেশ আয়োজক হয়েছিল ২০০৩ সালে। আগের চার আসরে শূন্য হাতে ফেরা ফুটবলের সুযোগ আসে ঘরের মাঠে রাঙানোর। ১৯৯৯ সাফ গেমস সোনা জয়ের পর ইরাকি কোচ সামির শাকির বিদায় নেন। কিছুদিন পর কোচের দায়িত্ব নেন অস্ট্রিয়ান

ফুটবলসাফসাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো দীপকে

    তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো দীপকে

    এইচএসসির খাতা দেখা হয়েছে নির্মোহভাবে, ভাষ্য সরকারের

    এইচএসসির খাতা দেখা হয়েছে নির্মোহভাবে, ভাষ্য সরকারের

    জর্জ
    কোটান।
    এই
    অভিজ্ঞ
    কোচ
    একঝাঁক
    তরুণের
    হৃদয়ে
    গেঁথে
    দেন
    শিরোপা
    জয়ের
    আত্মবিশ্বাস।

    কোটারের কোচিং দর্শনের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছিলেন ফুটবলাররা। রক্ষণভাগ সুরক্ষিত রাখতে তিনি গুরুত্ব দেন রক্ষণ ও মধ্যমাঠে। ৫-৩-২ ফরমেশনে তিনি অভ্যস্ত করান ফুটবলারদের। পোস্টের নিচে ছিলেন দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক আমিনুল হক। তিন সেন্টারব্যাক পজিশনে অভিজ্ঞ রজনীকান্ত বর্মণ ও নজরুল ইসলামের সঙ্গে মোহাম্মদ সুজন এবং উইংব্যাক হিসেবে হাসান আল-মামুন ও পারভেজ বাবু দায়িত্বে ছিলেন। মাঝমাঠে আরিফ খান জয় ও মতিউর মুন্না, প্লে-মেকার হিসেবে আরমান মিয়া এবং আক্রমণভাগে আলফাজ আহমেদের সঙ্গী ছিলেন রোকনুজ্জামান কাঞ্চন। কোটান বেঞ্চকেও শক্তিশালী করেন সে সময়ের সেরাদের বেছে নিয়ে।

    বাংলাদেশের গ্রুপ পর্ব শুরু হয় নেপালের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় দিয়ে। দ্বিতীয় ম্যাচে মালদ্বীপকে ১-০ গোলে হারায়। শেষ ম্যাচে ভুটানকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারে পা রাখে। টানা তিন ম্যাচ নিজেদের জাল সুরক্ষিত রেখে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ সেমিফাইনালে সামনে পায় দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি ভারতকে। যারা বারবার বাংলাদেশের পথে কাঁটা বিছিয়েছে, সেই ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ পৌঁছায় ফাইনালে। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে আরমান মিয়ার কর্নারে অসাধারণ হেডে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন কাঞ্চন। তবে ৮১ মিনিটে ভারতের আলভিটো ডি সুজা সমতা এনে দেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিট সমতা থাকার পর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সে সময় ছিল ‘গোল্ডেন গোলের’ নিয়ম। অর্থাৎ অতিরিক্ত সময়ে যারা প্রথমে গোল করবে তারাই জিতবে। ৯৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে মিডফিল্ডার মতিউর মুন্না নেন জোরালো শট। হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে সেই শট খুঁজে নেয় ভারতের জাল। মতিউর মুন্নার অবিশ্বাস্য গোল্ডেন গোলে বাংলাদেশ পা রাখে ফাইনালে। সেই গোলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মাঝমাঠের মধ্যমণি আরমান মিয়া বলেছেন, ‘মাঝমাঠে মুন্না আমার সঙ্গে একটা ওয়াল খেলেই বল নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। এরপর আচমকা শট নেয় ভারতের পোস্টে। যেন অলৌকিক এক গোল! ভাবিনি এভাবে বল পোস্টে পৌঁছে যাবে, এই গোলে জিতে যাব। সে ছিল অন্যরকম অনুভূতি।’

    ২০ জানুয়ারি, ২০০৩ সালের স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল গ্রুপসঙ্গী মালদ্বীপ। কার্ড সমস্যা ও ইনজুরির কারণে দল বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে দুই হলুদ কার্ডের কারণে ফাইনালে ছিলেন না নিয়মিত অধিনায়ক ও রক্ষণের অন্যতম নির্ভরতা রজনীকান্ত বর্মণ। গোলরক্ষক আমিনুলকে ব্যথানাশক ইনজেকশন নিয়ে খেলতে হয় ফাইনাল। ম্যাচের ১২ মিনিটে কাঞ্চনের গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মালদ্বীপের আলি উমার গোল শোধ করেন।

    নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ড্র ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় টাইব্রেকারে। প্রথম দুই শটে গোল করার পর মালদ্বীপের একটি শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন আমিনুল। বাকি শটগুলো সফলভাবে জালে জড়ায় বাংলাদেশ। ভাগ্যনির্ধারণী পঞ্চম শট নিতে আসেন ডিফেন্ডার সুজন। তার শট জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি। বহু প্রতীক্ষার পর দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরে বাংলাদেশ।

    সর্বোচ্চ ৩ গোল করে শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা রাখা রোকনুজ্জামান কাঞ্চন কৃতজ্ঞতা জানালেন কোচ কোটানের প্রতি, ‘কোটানের অবদান যে কত বড়, তা বলে বোঝানো যাবে না। ফাইনালের আগে রাতে ব্রিফিং করার সময় উনি কেঁদে ফেললেন। বললেন, তোমার ঘরে হানা দিয়ে যদি তোমার মা বা বোনকে কেউ তুলে নিয়ে যায়, তুমি কি ছেড়ে দেবে? কোচকে এভাবে কাঁদতে দেখে আমরাও আবেগাপ্লুত হয়ে যাই। প্রতিজ্ঞা করি সর্বস্ব উজাড় করে খেলব। আমরা মাঠে ১১ জন খেলেছি। বাইরের বেঞ্চে থাকারাও একইভাবে আমাদের সাহস জুগিয়েছে। একটা দল হয়ে খেলেছি বলেই শিরোপা জিতেছি।’

    আলফাজ-কাঞ্চনরা সাফের গেরো খুলে উড়িয়েছেন শিরোপার পতাকা। পরে সেটা উড্ডীন রাখার সোনার ফুটবলার আর পায়নি বাংলাদেশ।