Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ফুটবল

বিশ্বকাপের পেনাল্টি মিসের কষ্ট এখনো ভুলতে পারেননি গিমারেস

ক্রীড়া ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৩২
বিশ্বকাপের পেনাল্টি মিসের কষ্ট এখনো ভুলতে পারেননি গিমারেস

সংগৃহীত ছবি

একটি পেনাল্টি মিস এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রুনো গিমারেস সেই পেনাল্টি মিস না করলে ব্রাজিলের ভাগ্য হয়তো অন্যরকম হতে পারত। সেই দুঃস্বপ্নের মতো ম্যাচের দুই মাসের বেশি কেটে গেলেও পেনাল্টি মিসের মানসিক চাপ এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি গিমারেস।

বিশ্বকাপের ব্যর্থতার সেই স্মৃতি এখনো গিমারেসের মনে তাজা। শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের ২-১ গোলে হারের ম্যাচে তার পেনাল্টি মিস দলটির বিদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এরপর সেই ঘটনার প্রভাব নিয়ে অনেকটা সময় কষ্ট পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘এটা ছিল ভয়াবহ অনুভূতি। এমন কিছু ঘটলে তার জন্য কেউই পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে না। এটা একটি ক্ষত যা এখনো খুব তাজা। তবে সময়ের সঙ্গে এটি সেরে ওঠে। এটি খেলারই অংশ।’

তবে সেই ব্যর্থতাকে নিজের উন্নতির পথে বাধা হিসেবে দেখতে চান না গিমারেস। বরং ওই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও ভালো খেলতে চান তিনি,‘আমি আমার ভুল থেকে শিখতে চাই। আমরা সব সময় জয়ের দিকেই মনোযোগ দিই। কিন্তু সাধারণত হার এবং যেসব বিষয় ঠিকভাবে হয়নি সেগুলো থেকেই আমরা সবচেয়ে বেশি শিখি। সেখান থেকেই আমি উন্নতি করতে পারি। আগামীকাল যদি আবার পেনাল্টি আসে আমি একটুও দ্বিধা করব না। প্রয়োজন হলে হাজারবার পেনাল্টি নিতে এগিয়ে যাব।’

নতুন ব্রাজিল দলে সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে নেতৃত্বের দায়িত্বও নিয়েছেন গিমারেস। এস্তেভাও ও গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পোর মতো তরুণদের দলে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করাতে চান তিনি,‘তরুণ খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি ২০২০ সালে প্রথম জাতীয় দলে ডাক পাই। তখন দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রা আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছিলেন যাতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি এবং নিজের সেরা ফুটবল খেলতে পারি। এখন মনে হচ্ছে আমারও সেই দায়িত্ব পালনের সময় এসেছে।’

দলের সিনিয়রদের দায়িত্ব বেড়েছে বলেও মন্তব্য করেন গিমারেস, ‘শেষ বিশ্বকাপের দল থেকে যারা এখনো আছে—আমি, গ্যাব্রিয়েল, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, দগলাস, মারকিনিওস—আমাদের ভূমিকা এখন আলাদা। আমাদের নেতৃত্ব দিতে হবে। নতুনদের মধ্যে অনেকের বয়স ১৮, ১৯ কিংবা ২০ বছর। আর আমার বয়স ২৮। এই ছেলেদের পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকেই এখন বয়স্ক মনে হচ্ছে।’

ব্রুনো গিমারেসপেনাল্টি মিসব্রাজিল-নরওয়ে
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: