এরিকসেনের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

সংগৃহীত ছবি
ইউরো ২০২০-এ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর আবারও মাঠে লুটিয়ে পড়েন ডেনমার্কের মিডফিল্ডার ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। রবিবার ইউক্রেনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ চলাকালীন ভয়াবহ এই দৃশ্যের সাক্ষী হন হাজারো দর্শক। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে বুকে অস্বস্তি অনুভব করে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য জ্ঞান হারান ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় এবং মাঠে ছুটে আসেন চিকিৎসকদের দল।
ডেনিশ ফুটবল ইউনিয়ন (ডিবিইউ) দ্রুতই একটি স্বস্তিদায়ক বিবৃতি প্রকাশ করে। সংস্থাটি নিশ্চিত করে জানায়, ‘এরিকসেন সচেতন আছেন এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি ভালো আছেন। ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’ এরপর তাকে ওডেন্স ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পাঁচ বছর আগে ইউরো ২০২০-এও এরিকসেনের পাশে ছিলেন ডেনমার্কের দলীয় চিকিৎসক মর্টেন বোয়েসেন। এবারও তিনি হাসপাতালে নেওয়ার পর জানান, এরিকসেনের শরীরে স্থাপিত ইমপ্লান্টেড কার্ডিওভার্টার-ডিফিব্রিলেটর (আইসিডি) যথাযথভাবে কাজ করেছে। তিনি বলেন, ‘এরিকসেন ভালো আছেন এবং নিজে হেঁটে মাঠ ছেড়েছেন। আমার দৃষ্টিতে পেসমেকার ঠিকঠাক সাড়া দিয়েছে।’
বোয়েসেন আরও জানান, "সে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য জ্ঞান হারিয়েছিল, তবে খুব দ্রুতই জ্ঞান ফিরে আসে এবং আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হই। ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা নির্ণয়ের জন্য তাকে হাসপাতালে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। তবে ক্রিস্টিয়ান ভালো আছেন এবং সে আমাকে সকল খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানাতে ও নিজের ভালো থাকার কথা পৌঁছে দিতে বলেছেন।’
ডেনমার্কের কোচ ব্রায়ান রিমার জানান, এরিকসেন মাঠ ছাড়ার সময় সতীর্থদের দিকে হাত নেড়ে সাড়া দেন। তবে মানসিক আঘাতের কারণে ম্যাচ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। রিমার বলেন, ‘এরিকসেন যে মুহূর্তে অসুস্থ হয়ে পড়েন, তার কিছুক্ষণ আগে রুসলান মালিনোভস্কির সঙ্গে তার একটি ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল। আমি ভেবেছিলাম সেই কারণেই সে কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। সেই মুহূর্ত
থেকে আমরা কেউই ম্যাচ
চালিয়ে যাওয়ার মানসিক অবস্থায় ছিলাম না।’




