আসিয়ান কাপ নিয়ে থমাস ডুলি
প্রত্যাশা কমিয়ে বাস্তবতা বুঝতে হবে
- বাংলাদেশের গ্রুপে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া
- ২৫ অক্টোবর প্রথম ম্যাচ খেলবে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে

ছবি: বাফুফে
হামজা-শমিতদের আগমনে দেশের ফুটবলে উঠেছে নতুন জোয়ার। কিছু ভালো ফলাফলের পর সমর্থকদের প্রত্যাশাও যেন বেড়েছে অনেক। আসন্ন আসিয়ান কাপেও ভালো কিছু করবে বাংলাদেশ দল, এমন স্বপ্নও দেখছেন তারা। তবে ইন্দোনেশিয়ায় উড়াল দেওয়ার আগে বাংলাদেশ কোচ থমাস ডুলি বলছেন, অতিমাত্রায় প্রত্যাশা তৈরি না করে সবার বাস্তবতা বুঝা উচিত।
আসিয়ান কাপে যাওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন ডুলি। সেখানে স্কোয়াড, ইনজুরি ও টুর্নামেন্ট নিয়ে নিজের ও দলের প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।
ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান তুলে ধরেন ডুলি। ডুলির মতে, ‘রাতারাতি দলের কোনো উন্নতি সম্ভব নয়। একটা কোচিং স্টাফ মুহূর্তের মধ্যে কোনো দলকে বদলে দিতে পারে না। আপনি যদি সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দলগুলোর দিকে তাকান, তারা র্যাংকিংয়ের অনেক উপরের দিকে আছে। অন্যদিকে আমাদের অবস্থান ১৮০ এর পরে। তাদের কাছাকাছি যেতে অন্তত দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। আমাদের কাছ থেকে এই দলগুলোকে সহজে হারিয়ে দেওয়ার আশা করাটা অবাস্তব।’
ট্রেনিংয়ে বাংলাদেশ দল ছবি : মোশাররফ হোসেন
ডুলি আরও বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার ছয় বা সাতজন ফুটবলার জার্মানি ও ইউরোপিয়ান লিগে খেলছে, যেখানে আমাদের সেই স্তরের কোনো খেলোয়াড়ই নেই। শুধু হামজাই চ্যাম্পিয়নশিপের মতো বড় পর্যায়ে খেলে। আমরা যখন মালয়েশিয়ার কাছে হারি, তখন মানুষ দলের ওপর চড়াও হয়। খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়। সমর্থকদের এবং সংবাদমাধ্যমের উচিত খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ ধ্বংস না করে তাদের পাশে দাঁড়ানো ও সমর্থন করা।’
র্যাংকিংয়ের উপরের দিকের দলগুলোর সঙ্গে লড়াই করাই মূল লক্ষ্য ডুলির, ‘আমরা সবসময় লড়াইটা করে যেতে চাই। আসিয়ান কাপেও এটাই লক্ষ্য। হেরে গেলে সমস্যা নেই। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করতে চাই। র্যাংকিংয়ে যেসব দল আমাদের চেয়ে পেছনে, তাদের সঙ্গে কোনোভাবেই হারতে চাই না। আবার যারা আমাদের চেয়ে র্যাংকিংয়ে উপরে, তারাও আমাদের সঙ্গে হারতে চায় না।‘
সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নিয়ে কোচ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু কিছু মানুষ ফুটবলের বাস্তবতা বুঝেন না।’




