ইয়ামালকে শুরু থেকে পাওয়ার আশায় স্পেন

অভিষেকের পর থেকেই তার সঙ্গে তুলনা হচ্ছে লিওনেল মেসির। স্পেন ও বার্সেলোনার হয়ে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে লামিন ইয়ামাল যেন মনে করিয়ে দিচ্ছেন মেসিকেই। এবারের বিশ্বকাপে ইয়ামালই স্পেনের তুরুপের তাস। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেছেন, মেসির মতো ইয়ামালও ঈশ্বরের বিশেষ আশীর্বাদপুস্ট।
মাত্র ১৬ বছর বয়সে বার্সার হয়ে কেড়েছেন সব আলো। ইয়ামালে ভর করেই স্পেন জিতেছে ২০২৪ ইউরো। ক্লাবের হয়ে টানা দুবার লা লিগাও জিতেছেন এ তরুণ সেনসেশন। তার খেলার ধরন মনে করিয়ে দেয় মেসিকেই।
বিশ্বকাপের আগে ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে জানিয়েছেন, বড় মঞ্চে আরও উজ্জীবিত হয়ে মাঠে নামবে ইয়ামাল, ‘ইয়ামালের জন্মই হয়েছে এটার জন্য। সে সাহসী এক চরিত্র। সম্ভবত চাপ আপনাকে বা আমাকে বিহ্বল করে ফেলতে পারে। তবে এই ছেলেরা স্পেশাল। ইউরোর সময় লামিনের বয়স কেবল ১৬ ছিল, তার বয়স এখন ১৮। তাকে গণমাধ্যমের নির্মম চাপ সইতে হয় এবং সে খুব কমই ভুল করে। এক মিনিট, একটি ভুল এবং সেটাই চলে আসে আলোচনার কেন্দ্রে, এটা ন্যায্য নয়।’ দে লা ফুয়েন্তে মনে করেন, মেসির মতো একই উপহার পেয়েছেন ইয়ামালও। স্পেন কোচের বিশ্বাস, এত অল্প বয়সে, এমন উঁচু পর্যায়ে ম্যাচের ভাগ্য পরিবর্তনের সামর্থ্য শুধু অল্প কয়েকজন প্রতিভাবান ফুটবলারের আছে, ‘ফুটবলাররা সবাই বড় কিছু করার সামর্থ্য রাখে, খুবই বুদ্ধিমান। তারা জিনিয়াস এবং এরপর আছে, যারা ঈশ্বরের আশীর্বাদ পেয়েছে, তবে এ সংখ্যাটা খুবই সীমিত। লামিন, মেসি।’
ইনজুরির কারণে গত দেড় মাস ধরেই মাঠের বাইরে আছেন ইয়ামাল। বিশ্বকাপের আগেই অবশ্য তার সেরে ওঠার আশায় আছে স্পেন। ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল কুঁচকির সমস্যার সঙ্গে লড়ছেন। উইলিয়ামস ও মুনোজও চোট কাটিয়ে আছেন ফেরার প্রক্রিয়ায়।
স্পেনের চ্যাটানুগা ট্রেনিং বেসেই আছেন তিন ফুটবলার। পেরুর বিপক্ষে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে দলের সঙ্গে যাননি তারা। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে তাদের পাওয়ার আশা নিয়ে ফুয়েন্তে বলেছেন, ‘আর কোনো ধাক্কা না এলে আশা করছি, ১৫ তারিখে তারা খেলার জন্য প্রস্তুত থাকবে। আমার মনে হয়, তিনজনই খেলার মতো অবস্থায় থাকবে।’
১৫ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ‘এইচ’ গ্রুপে তাদের অন্য প্রতিপক্ষ সৌদি আরব ও উরুগুয়ে।




