ব্যালন ডি’অর তাহলে মেসির?

সংগৃহীত ছবি
ইউরোপিয়ান ফুটবল ছেড়েছেন সেই কবে? ব্যালন ডি’অর জেতা থেকে ছিলেন আলোকবর্ষ দূরে। বিশ্বকাপে জাদু দেখিয়ে লিওনেল মেসিই এখন রেকর্ড নবম ব্যালন ডি’অরের দাবিদার। কারণ, বিশ্বকাপের বছরে এই টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্সই গুরুত্ব পায় সবচেয়ে বেশি।
প্রশ্ন উঠেছিল, ইউরোপের বাইরের লিগে খেলা কোনো খেলোয়াড় কি মর্যাদার পুরস্কারটা পেতে পারেন? সেই ধোঁয়াশা দূর করেছে খোদ ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ। ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল পেজে পোস্ট করা হয়েছে, ‘হ্যাঁ, ইউরোপীয় ক্লাবে না খেলেও এটা জেতা সম্ভব। ইতিহাসের দিকে তাকালে এটিকে কঠিন মনে হতে পারে, তবে ইউরোপের বাইরের কিছু লিগের শক্তি এখন দৃশ্যপট বদলে দিচ্ছে। ব্যালন ডি’অরের ক্ষেত্রে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। টেকনিক্যালি যে কেউ, সে যে লিগেই খেলুক না কেন, এটি জিততে পারে।’
মেসি তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে পিছিয়ে নেই কোনোভাবে। মেসি ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ভাগ থেকে শুরু করে ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনার হয়ে ৫৪ ম্যাচ খেলেছেন। এই সময়ে তার গোল ৫৩টি আর অ্যাসিস্ট ৩৫টি। অর্থাৎ সরাসরি ৮৮টি গোলে অবদান রেখেছেন। এবারের বিশ্বকাপে ৮ গোলের পাশাপাশি ৪ অ্যাসিস্টে ‘গোল্ডেন বল’ জেতাটাও সময়ের অপেক্ষা। এ ছাড়া ইন্টার মায়ামির হয়ে এমএলএস শিরোপা জিতেছেন, হয়েছেন লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। করেছেন সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টও। তাই বলাই যায় কেইন, দেম্বেলে, এমবাপ্পেদের চেয়ে ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে মেসি।




