Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
ঔষধি গাছপ্রেমী আবদুল কাদের
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় পাখি সব করে রব

একটি কিউট কুকুরছানা

দন্ত্যস রওশন
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫
শেয়ার করুন:
একটি কিউট কুকুরছানা

অলংকরণ করেছেন রজত

একের পর এক বিপদে পড়েছিল আদুরে এক কুকুরছানা। কী হলো শেষ পর্যন্ত। জানতে হলে পড়ো এই গল্প। লিখেছেন দন্ত্যস রওশন

কুকুরছানাটি দৌড়ে উপরে উঠে যায়। দশটা সিঁড়ি ভেঙে একদম উপরে, ছাদের উপর। এদিক-ওদিক তাকায়। আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘কী সুন্দর আকাশ!’

ছাদে কুকুরছানা আনন্দে লাফালাফি করছে। একটা কাক বসেছিল পানির ট্যাঙ্কের উপর। উড়ে এসে কুকুরছানার লেজে ঠোকর দেয়। এতে বেশ মজা পায় ছানাটি। তার লাফানো আরও বেড়ে যায়।

হঠাৎ একটা বাজপাখি উড়ে এলো। কুকুরছানার উপর হামলা করল। ধারালো পায়ের নখ দিয়ে খামচে ধরল তাকে। তারপর উড়িয়ে নিয়ে গেল আকাশের অনেক উপরে।

ছানাটি চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। বলে, ‘বাঁচাও বাঁচাও! আমাকে আমার মায়ের কাছে নিয়ে যাও।’ কাকটা কা কা করতে থাকে।

সেই সময় আকাশে উড়ছিল একটি ঈগল পাখি। সে বলল, ‘বাজপাখি, ছানাটিকে তাড়াতাড়ি ছেড়ে দে। তা না হলে তোর খবর আছে!’

ঈগল বাজপাখির লেজ কামড়ে ধরে। পিঠে ঠোকর দেয়। ঈগলের সঙ্গে বাজপাখি পারল না। সে কুকুরছানাকে ছেড়ে দিল।

কুকুরছানাকে ঈগল বলল, ‘এবার তুমি আমার পিঠে এসে বসো।’ ছানাটি এবার ঈগলের পিঠে গিয়ে বসে। সে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘কী সুন্দর মেঘ!’

বেশ কিছুক্ষণ ওড়ার পর ঈগল নেমে গেল একটা বনে। ঈগল আদর করেই তার পিঠ থেকে নামিয়ে দিল তাকে। বলল, ‘আমরা কাছাকাছি এসে পড়েছি।’

চারদিকে ঘন বন। কুকুরছানা কোনদিকে যাবে বুঝতে পারছে না। কাঁদতে শুরু করে সে। তার চোখে পানি চলে এলো। চিৎকার করে বলল, ‘বাঁচাও বাঁচাও! আমি আমার মায়ের কাছে যাব।’

একটি হরিণের বাচ্চা ছুটে এলো। বলল, ‘কেঁদো না। আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি। এসো আমার সঙ্গে।’

কুকুরছানা হরিণের পিছনে পিছনে ছুটল। কুকুরছানা বলল, ‘এখানে কোনো ঘরবাড়ি নেই। তোমরা থাকো কোথায়?’

এই কথা শুনে হরিণের বাচ্চা হাসে। বলে, ‘কুকুররা ঘরবাড়িতে থাকে। আমরা থাকি বনে।’

বন শেষ হয়েছে। একটা রাস্তা দেখিয়ে হরিণছানা বলে, ‘ওই দিকে যাও। তোমার মাকে পেয়ে যাবে।’

কুকুরছানার হাঁটতে হাঁটতে পা ব্যথা হয়ে যাচ্ছে। সামনে পড়ে একটা মুদি দোকান। সে মুদি দোকানিকে বলল, ‘আমাকে একটু বিস্কুট দেবেন?’

দোকানি লাঠি উঁচু করে ধরে। সেটা দেখে ভয়ে কুকুরছানা দৌড়ে পালায়।

কোথা থেকে যেন একটা লোক ছুটে আসে । রেগে গিয়ে বলে, ‘কুকুর-বিড়ালকে শেষ করে দিতে হবে। ওরা আমার অনেক ক্ষতি করেছে।’

কুকুরছানা ভয়ে দৌড় দেয়। তার পিছনে পিছনে লোকটাও ছুটে যায়। সে তার লাঠি দিয়ে মারল এক বাড়ি। অমনি কুকুরছানার একটা পা গেল ভেঙে।

ছানাটি হাঁটতে পারছে না। কিছুক্ষণ পর মা কুকুরটি ছুটে এলো সেখানে। ছানার অবস্থা দেখে তার ভীষণ মন খারাপ হয়। ছানার ঘাড়ে কামড় দিয়ে ধরে ছুটতে থাকে।

পথে একটা বাঁশের সাঁকো। এটা পার হতে হবে। সেই সাঁকো দিয়ে ওই লোক পার হচ্ছিল। যে লোক কুকুরছানাকে মেরেছে। লোকটা যেতে যেতে হঠাৎ পা পিছলে ঝপ করে নিচে পানিতে পড়ে যায়।

তখন মা কুকুরটা লাফিয়ে পড়ল পানিতে। লোকটা ডুবে যাচ্ছে। ছানাটি বলল, ‘ভালো হয়েছে। লোকটা পানিতে পড়েছে। আমাকে মেরেছে, পা ভেঙে দিয়েছে।’

মা কুকুর লোকটার শার্টের কলার কামড়ে ধরল। তারপর উপরে টেনে তুলল। ছানাটি বলল, ‘মা, একে শাস্তি দিতে হবে। লোকটা আমাকে মেরেছে।’

মা কুকুর বলল, ‘আমি তো ওকে শাস্তিই দিলাম।’ ছানাটি বলল, ‘তুমি তো ওকে বাঁচালে!’

মা তখন বলল, ‘এটাই ওর শাস্তি। ও নিজের ভুল বুঝতে পারবে।’

লোকটা এদিক ওদিক তাকায়। তারপর হঠাৎ ছানাটাকে কোলে তুলে নিয়ে দেয় দৌড়। কি হলো, মা কুকুর কিছুই বুঝতে পারছে না। ছানাটি বলল, ‘মা বাঁচাও বাঁচাও!’

লোকটা দৌড়াচ্ছে, মা কুকুরও তার পিছনে পিছনে দৌড়াচ্ছে। মা কুকুর কিছুতেই তার সঙ্গে পারছে না। কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তাকে?

লোকটা দৌড়ে একটা বাড়ির ভিতরে ঢুকে গেল। ছানাটি বলল, ‘মা, তুমি আমাকে বাঁচাতে পারলে না। আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে!’

মা কুকুরটির চোখ হঠাৎ উপরের দিকে যায়। তার চোখে পড়ল একটা সাইনবোর্ডে লেখা: ‘বকচর আনন্দ পশু হাসপাতাল’। এটা দেখে মা কুকুরটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। সে ভিতরে ঢুকে গেল। দেখল একজন তরুণী ডাক্তার তার বাচ্চাটিকে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তিনি বললেন, ‘এত কিউট বাচ্চার পা ভেঙে দিল কে? আমি ওষুধ দিচ্ছি, ঠিক হয়ে যাবে।’

ডাক্তারের কথা শুনে লোকটা অনেক লজ্জা পেল। তখন কিউট কুকুরছানাটি আদর করে তার জিভ দিয়ে লোকটার গাল চেটে দিল।

কুকুরছানাকিউটডাক্তার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    মাতিস রঙের সুন্দর

    মাতিস রঙের সুন্দর

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    আফ্রিকার শহরে শিকড়ের সুর: বন্ধুত্বের ডাকে নাইরোবি শিল্পী গোষ্ঠীর অনন্য আয়োজন

    আফ্রিকার শহরে শিকড়ের সুর: বন্ধুত্বের ডাকে নাইরোবি শিল্পী গোষ্ঠীর অনন্য আয়োজন

    পদোন্নতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

    পদোন্নতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

    শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে কাজ করার প্রত্যয়

    শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে কাজ করার প্রত্যয়

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    সবার আগে দরকার...

    সবার আগে দরকার...

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

    সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    দরপত্র ছাড়াই স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে শিক্ষকদের আনন্দ ভ্রমণের অভিযোগ

    দরপত্র ছাড়াই স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে শিক্ষকদের আনন্দ ভ্রমণের অভিযোগ