চতুর্থ জয়ের আশায় নামছে রিয়াল-লিভারপুল

দুই দলই আছে দারুণ ফর্মে। তিন ম্যাচের তিনটিতেই জয়। রিয়াল মাদ্রিদ ও লিভারপুল নামছে তাদের চতুর্থ ম্যাচে। ইউরোপের দুই জায়ান্ট খেলবে প্রতিপক্ষের মাঠে। ফেনেরবাচে আতিথেয়তা দেবে লিভারপুলকে, এইকে এথেন্সের মাঠে খেলবে রিয়াল। জয়রথ বজায় রেখে শীর্ষ ৮-এর পথটা আরও সুগম করতে পারবে মরিনহো ও ইরাওলার দল?
এথেন্সের বিপক্ষে দুই যুগেরও বেশি সময় পর দেখা হচ্ছে রিয়ালের। সেই ২০০২-০৩ মৌসুমে গ্রুপ পর্বে দুবার মাঠে নেমেছিল দুই দল। দুবারই রিয়ালকে রুখে দিয়েছিল গ্রিসের ক্লাবটি। ৩-৩ ও ২-২, এই ছিল দুই ম্যাচের ফলাফল।
এবার লিগ পর্বে দেখা হচ্ছে দুই দলের। লাস্ককে ১-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টের শুরুটা দারুণভাবেই করেছিল এথেন্স। তবে পরের দুই ম্যাচে শাখতার ও ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হেরে যায় তারা।
রিয়াল অবশ্য তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতেছে। ইন্টার মিলান ও লাইপজিগের দুই জয়ের সঙ্গে আছে রোমার বিপক্ষে সেই অবিশ্বাস্য কামব্যাকের ম্যাচটাও। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, বেলিংহাম, দিওমান্দে, এমবাপ্পে; সবাই আছে দারুণ ফর্মে। জোসে মরিনহোর দলই তাই আজকের ম্যাচের ফেভারিট। এথেন্সের ভরসা রিয়ালের বিপক্ষে তাদের রেকর্ডটাই। ঘরের মাঠে টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সফলতম দলকে আটকে দিতে সবটা দিয়েই চেষ্টা করবে গ্রিসের ক্লাবটি।
দুই দলেই নেই কোনো বড় ইনজুরি শঙ্কা। সেরা একাদশ নিয়েই তাই মাঠে নামবে রিয়াল ও এথেন্স।
চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের মতো এখন পর্যন্ত অপরাজিত আছে লিভারপুলও। তবে সবশেষ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আর্সেনালের কাছে হেরে কিছুটা ব্যাকফুটে আছে অল রেডরা। তুর্কি ক্লাব ফেনেরবাচের মাঠে জয় দিয়ে সেই হতাশা পেছনে ফেলতে চায় ইরাওলার দল।
আতলেতিকো, লাস্ক ও ভিয়ারিয়াল; তিন প্রতিপক্ষকে বড় ব্যবধানেই হারিয়েছে লিভারপুল। অন্যদিকে তিন ম্যাচে ফেনেরবাচে জয় পায়নি একটিতেও। দুই ম্যাচে ড্র করে পয়েন্ট তালিকার একেবারেই তলানির দিকে আছে তুরস্কের ক্লাবটি।
ইউরোপে এখন পর্যন্ত কখনোই মুখোমুখি হয়নি দুই ক্লাব। এই প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগে লড়বে লিভারপুল ও ফেনেরবাচে।



