আফগানিস্তান-বাংলাদেশ সিরিজ দুবাইয়ে

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্মরণীয় সিরিজ শেষে কিছুদিনের বিশ্রাম পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। এরপর আবার ব্যস্ত সূচি। তার শুরুটা অক্টোবর মাসের গোড়ার দিকে আরব আমিরাত সফর দিয়ে। সেখানে আফগানিস্তানের সঙ্গে একটি টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের।
সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজটি একপ্রকার ঝুলেই গেছে। দুই সরকারের সম্মতি না এলে এ সিরিজ চলতি বছরে আর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিসিবির তরফ থেকে আগামী বছর জানুয়ারিতে এই সিরিজ আয়োজনের চেষ্টা চলছে। তাই সেপ্টেম্বরে বিশ্রামের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের নিয়ে স্কিল ক্যাম্প আয়োজন করবে বিসিবি, যেন অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের জন্য সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। ওই সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ তিন ফরম্যাটের সিরিজ খেলতে যাবে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে আমিরাতে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। সিরিজটির আয়োজন নিয়ে দুপক্ষের প্রস্তুতিও প্রায় শেষ। তবে এখনো ম্যাচগুলোর চূড়ান্ত সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। আগামীর সময় জানতে পেরেছে, টেস্টটি দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবং ওয়ানডে সিরিজ শারজায় হতে পারে।
এর মধ্যেই বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ওয়ানডে সিরিজকে ত্রিদেশীয় সিরিজে রূপ দেওয়ার চেষ্টাও চলছে। তৃতীয় দল হিসেবে জিম্বাবুয়েকে যুক্ত করার আলোচনা চলমান।
জিম্বাবুয়ে খেলতে সম্মতি দিলে দুই দলের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ রূপ নেবে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচের সংখ্যাও বাড়বে। অবশ্য এ সিরিজগুলো নিয়ে বিসিবির ঘোষণা দেওয়ার কিছু নেই। এটি আফগানিস্তানের হোম সিরিজ বলে তারাই এর ঘোষণা দেবে। আফগানিস্তানের সঙ্গে এই অ্যাওয়ে সিরিজটি ২০২৪ সালে ভারতের গ্রেটার নয়ডায় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ দলের ব্যস্ত সূচির কারণে তা মাঠে গড়ায়নি। এবার ম্যাচ সংখ্যা কমিয়ে স্থগিত থাকা সিরিজটি মাঠে গড়াতে যাচ্ছে।






