হতাশা থাকলেও বাস্তবতা বোঝেন মোসাদ্দেক

৪ বছর পর জাতীয় দলে ফেরার আনন্দ উদযাপন মোসাদ্দেকের। ছবি: মোশারফ হোসেন
৪ বছরের অপেক্ষা শেষে এলো সুখবর। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে সুযোগ পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। অপেক্ষায় সময়টা দীর্ঘ, নিশ্চয়ই আক্ষেপ-আফসোস আছে এই অলরাউন্ডারের? মোসাদ্দেকের হতাশা আছে, তবে পরিস্থিতি ও বাস্তবতা ঠিক বোঝেন তিনি।
২০২২ সালে শেষবার বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন মোসাদ্দেক। ফেরার সময়টা কি লম্বা হয়ে গেল না— এমন প্রশ্নে বাস্তববাদী ডানহাতি অলরাউন্ডার, ‘এভাবে আসলে কখনো মনে করিনি। সবমিলে প্রায় ৪ বছর। অনেক দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে, ভালো খেলতে হয়েছে। এখানে অনেক ব্যাপার থাকে। টিম কম্বিনেশনের ব্যাপার আছে, প্রতিপক্ষ কারা এসব আছে। নির্বাচকদের মনে হয়েছে এটা পারফেক্ট টাইম এ কারণে আমাকে পিক করেছে।’
মোসাদ্দেক প্রসঙ্গে টিম কম্বিনেশনের কথা আলাদাভাবে সামনে আসাই স্বাভাবিক। মনে আছে নিশ্চয়ই গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর বক্তব্য। তিনি নির্বাচক থাকার সময় একবার মন্তব্য করেছিলেন, মেহেদী হাসান মিরাজ থাকলে মোসাদ্দেক হোসেনের দলে কোনো সুযোগ নেই। এরপর অবশ্য দুঃখও প্রকাশ করেছিলেন লিপু।
এতদিন ওই ব্যাপারটি নিয়ে কিছুই বলেননি মোসাদ্দেক। এবার জাতীয় দলে ফিরে জানালেন মন খারাপের কথা, ‘২-১ ম্যাচ নয়, অনেক ম্যাচেই আমরা ৩-৪ জন অলরাউন্ডার বাংলাদেশ দলে খেলেছি। আমি একটু হতাশ ছিলাম স্বাভাবিকভাবেই। যেকারো বেলায় হবে। অবশেষে সুযোগ এসেছে। চেষ্টা করব নির্বাচক থেকে শুরু করে দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে তার প্রতিদান দেওয়ার।’
সাকিব আল হাসান না থাকায় ওয়ানডে দলে স্পষ্টভাবে কিছুটা ঘাটতি চোখে পড়ছে। মোসাদ্দেক অবশ্য সাকিবের অভাব পূরণ নিয়ে ভেবে নিজের ওপর চাপ বাড়াতে নারাজ। স্বাধীনভাবে খেলতে চান তিনি।






