হোয়াইটওয়াশে নিগারদের শিক্ষা

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। তারপরও বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা চমকে দিতে চেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। সেটি হয়নি। দারুণ পেশাদার ক্রিকেটে বাংলাদেশকে নাস্তানাবুদ করে ৩-০ তে হোয়াইটওয়াশ করেছে তারা।
তিন ম্যাচের কোনোটিতেই প্রতিরোধ গড়তে পারেনি নিগারদের দল। গতকাল বুধবার শেষ ম্যাচে তো ১৬৪ বল বাকি থাকতে হেরেছে ৮ উইকেটে। আগে ব্যাট করে মাত্র ১৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ। জবাবে ২২.৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।
ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়া সফর েথকে শিক্ষা নেওয়ার কথাই বলেছেন নিগার। পাশাপাশি তিনি সিরিজের পারফরম্যান্স দেখছেন ইতিবাচক হিসেবে, ‘প্রতিটি ম্যাচেই দলের প্রয়োজনে খেলোয়াড়দের কেউ না কেউ এগিয়ে এসেছে। এই সফর থেকে আমরা অনেক ইতিবাচক দিক পেয়েছি, আর ভবিষ্যতে উন্নতির চেষ্টা করব। অনেক তরুণ খেলোয়াড়কে দেখেছি যারা অসাধারণ খেলেছে। তাদের এভাবে পারফর্ম করতে ও গড়ে উঠতে দেখাটা আনন্দের। এখান থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আমরা সামনের দিকে তাকিয়ে আছি।’
প্রতিটি ম্যাচেই দলের প্রয়োজনে কেউ না কেউ এগিয়ে এসেছে। এই সফর থেকে আমরা অনেক ইতিবাচক দিক পেয়েছি -নিগার সুলতানা
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। মেগান শাটের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৮ রানেই ৩ উইকেট হারায় সফরকারীরা। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি করেন মাত্র ৩ রান। সোবহানা মোস্তারি ফেরার পর আরও চাপে পড়ে সফরকারীরা। এরপর শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার দলের হাল ধরেন।
শারমিন ৯৩ বলে ৫০ রান করেন। অন্য প্রান্তে স্বর্ণা খেলেন ৭১ বলে ৫৪ রানের ইনিংস। তাদের দুজনের ফিফটিতে দেড়শ পেরোয় বাংলাদেশ। ২৬ বলে ১৩ রান করেন দিশা বিশ্বাস। ৪৯.৫ ওভারে ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শাট ১৬ রানে ৪ উইকেট নেন। জবাবে এলিস পেরি ও সাদারল্যান্ডের ব্যাটে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। পেরি ৬৪ বলে ৬৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।



