আইপিএলে ৮০০ বাউন্ডারি ৩০০ ছক্কার মাইলফলকে কোহলি

এক ম্যাচে কোহলির তিন কীর্তি। ছবি: সংগৃহীত
প্রথম বলেই আউট হতে পারতেন বিরাট কোহলি। গুজরাট টাইটান্সের ওয়াশিংটন সুন্দর ক্যাচ ছাড়ার পর তিন তিনটি মাইলফলকে নাম লেখালেন তিনি।
কোহলি খেলেছেন ৪৪ বলে ৮ বাউন্ডারি ৪ ছক্কায় ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তাতে ভর করে গুজরাটের ৩ উইকেটে ২০৫ রানের চ্যালেঞ্জ ৭ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়ে যায় বেঙ্গালুরু। ৫ উইকেটের জয়ে ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠে এলো কোহলির দল।
আইপিএলে ৭৯৯টি বাউন্ডারি নিয়ে শুক্রবার নেমেছিলেন কোহলি। কাগিসো রাবাদাকে চার মেরে প্রথম ব্যাটার হিসেবে আইপিএলে ৮০০ ছক্কার মাইলফলকে পা রাখেন তিনি। ৭৬৮টি বাউন্ডারি মেরে এই তালিকায় দুইয়ে আছেন শিখর ধাওয়ান।
অষ্টম ওভারে আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খানকে ওয়াইড লং-অন উড়িয়ে মেরে ৩০০ ছক্কার মাইলফলকে পা রাখেন কোহলি। আইপিএলে তার চেয়ে বেশি ছক্কার কীর্তি আছে আরও দুজনের। ক্রিস গেইলের ছক্কা ৩৫৭টি আর রোহিত শর্মার ৩১০টি।
আইপিএলে কোনো একটি দলের হয়ে তিনশ ছক্কা হাঁকানো প্রথম ব্যাটার অবশ্য কোহলিই। ৪৯ রানে পৌঁছে আরেক কীর্তি গড়েন কোহলি। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে কোনো একটি দেশে টি-টোয়েন্টিতে ১০ হাজার রান করলেন তিনি।
আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু। সেই সাফল্যে এবারও ফেভারিটের মতো খেলছে তারা। ম্যাচ শেষে সম্প্রচারকারী চ্যানেলে সঞ্চালকের প্রশ্নের উত্তরে কোহলি বলেছেন, ‘নিজের দক্ষতা বুঝতে পারলে এমন খেলাই সবার কাছ থেকে বেরিয়ে আসে। অসাধারণ ব্যাটিং আমাদের। এই দলে ভালো শট খেলতে পারা ব্যাটার অনেক। টিম ডেভিড বা রোমারিও শেফার্ডরা বড় শট খেলতে পারে। তেমনই ক্রুণাল পাণ্ডের মতো চালাক ক্রিকেটাররাও আছে। তাই চালিয়ে খেলার আত্মবিশ্বাস পাই আমরা।’

