সাব্বিরের ফিফটিতে শেষ ওভারে বাংলাদেশ এইচপির নাটকীয় জয়

সংগৃহীত ছবি
টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে হোবার্ট হারিকেন্স একাডেমীকে ৩ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল। শেষ ওভারের নাটকীয় এই ম্যাচে বল হাতে মোহাম্মদ রুবেল স্পিন যাদু দেখানোর পর ব্যাট হাতে সাব্বির রহমান দুর্দান্ত ফিফটি তুলে নিয়েছেন।
মারারা ওভালে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ এইচপি। শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশের বোলাররা। নিজেদের প্রথম ওভারেই একটি করে উইকেট তুলে নেন আবু হায়দার ও মোহাম্মদ রুবেল। এরপর ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন হোবার্টের ব্র্যাডলি হোপ ও টিগ ওয়াইলি। ২২ রান করে আব্দুল গাফফার সাকলায়েনের বলে আউট হন হোপ।
চতুর্থ উইকেটে টিম ওয়ার্ডকে সঙ্গে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন ওয়াইলি। ওয়ার্ড ১৫ রান করে বিদায় নিলে দলকে এগিয়ে নেন ওয়াইলি। ৫৩ বলে ৭৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। কিন্তু অপর প্রান্তে তাকে সঙ্গ দেওয়ার কেউ ছিলেন না। ওয়াইলির অসাধারণ ইনিংসের উপর ভর করে ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে হোবার্ট।
বাংলাদেশ এইচপির হয়ে আগের ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়ার পর এই ম্যাচে ৩ উইকেট তুলে নেন স্পিনার রুবেল। রিপন মণ্ডল ২টি, আব হায়দার ও সাকলায়েন ১টি করে করে উইকেট পান।
জবাবে বেশ নড়বড়ে শুরু করে বাংলাদেশ। ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ৪ রান করে প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরত যান। পরের ওভারে আরিফুল ইসলামও ৪ রানে বিদায় নেন। এরপর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন জিসান আলম ও সাব্বির রহমান। ৯ রান করে জিসান আউট হলে ইনিংস গুছানোর দায়িত্ব নেন সাব্বির।
অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ৪ রানে আউট হলে ৬০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে শামীম হোসেন পাটওয়ারীকে নিয়ে ৪৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন সাব্বির। একইসঙ্গে তুলে নেন নিজের ফিফটি। শামীম ১৬ রানে বিদায় নেওয়ার পরের ওভারে আউট হন সাব্বির। ৪৫ বলে ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি। দুই সেট ব্যাটারকে হারিয়ে আবারও বিপদে পড়ে টাইগাররা।
এস এম মেহেরব ১৩ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে বিদায় নেন। অন্যদিকে দ্রুত রান তুলতে থাকেন সাকলায়েন। শেষ ওভারে ৬ রান প্রয়োজন হলে দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করেন সাকলায়েন ও আবু হায়দার। ৩ বলে ৩ রান দরকার হলে গেব বেলের বলে বাউন্ডারি মেরে দলকে জয় এনে দেন আবু হায়দার। ২ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টাইগাররা।






