অস্ট্রেলিয়া দলে রদবদল
কঠিন ফিটনেস পরীক্ষার মুখে স্টিভেন স্মিথ

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্টিভেন স্মিথের ঘাড়ের চোট। কেপ টাউন টেস্টের আগে সোমবারের পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন সেশনে তাকে দিতে হবে কঠিন ফিটনেস পরীক্ষা। অন্যদিকে ওপেনার নিক ম্যাডিনসন এবং ব্যাকআপ উইকেটকিপার স্যাম হার্পারকে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে শেফিল্ড শিল্ডের ম্যাচ খেলতে দেশে ফিরছেন দুই টেস্টের চার ইনিংসে ০, ৪৮, ০ ও ৮ রান করা ম্যাডিনসন। অন্যদিকে আঙুলের চোটে পড়া জশ ইংলিসের ব্যাকআপ হিসেবে দলে আসা স্যাম হার্পারও আগামী শনিবার থেকে ভিক্টোরিয়ার শিল্ডের ম্যাচ খেলার জন্য দল ছাড়ছেন। ইংলিস নিজেও ফিট হয়ে উঠেছেন। তাই নিয়মিত কিপার অ্যালেক্স ক্যারির বিকল্প তিনিই হতে পারবেন। ম্যাডিনসন বাদ পড়ায় কেপ টাউন ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে ম্যাট রেনশকে। তবে অজি একাদশে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা স্মিথকে ঘিরে। গেবেখায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট চলাকালেই ঘাড়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি। গতকাল রবিবার হেলমেট ছাড়াই সহকারী কোচ মাইকেল ডি ভেনুতোর থ্রো-ডাউনে মাত্র ১৫ মিনিট ব্যাট করেছেন। নিউল্যান্ডসের মূল অনুশীলনে এই অস্বস্তি থেকে গেলে তার ম্যাচ খেলা কঠিন হয়ে পড়বে।
আগামীকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হবে কেপ টাউন টেস্ট। ্তার স্মিথের শারীরিক অবস্থা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘দলে তার ফেরার প্রক্রিয়াটি ইতিবাচকভাবেই দেখা হচ্ছে। তবে আজকের দিনে যদি বড় কোনো চমক দেখতে পান, তবে বুঝতে হবে তা ম্যাচের দিন মাঠেও প্রভাব ফেলবে।’ স্মিথ যদি শেষ পর্যন্ত নিউল্যান্ডসে খেলতে না পারেন, তবে ৩ নম্বর পজিশনে খেলতে পারবেন অফ-ফর্মে থাকা মার্নাস লাবুশেন। সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মহীনতার কারণে যার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে তীব্র সমালোচনা চলছে।
লাবুশেনকে নিয়ে প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি বলেন, ‘সবাই যা বলছে, নতুন করে তার বাইরে কিছু বলার নেই। তবে আমরা তার ব্যাটিংয়ে কিছু ইতিবাচক দিকও দেখেছি। সে কি ৩০ রানের ঘরে এসে আটকে যাচ্ছে? হ্যাঁ। কিন্তু অনেকগুলো বল সামলে সে দলে কিছু অবদান তো রাখছেই। আমাদের এখন দেখতে হবে সে যদি আবারও ৩০ রানের ঘরে পৌঁছে আউট হয়, তবে তা দলের ফলাফল এবং অন্য ব্যাটারদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলছে।’ সিরিজে খারাপ পারফর্ম করা সত্ত্বেও ম্যাডিনসনকে আচমকা ডেকে আনার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল না উল্লেখ করে বেইলি যোগ করেন, ‘পারফরম্যান্সের কথা বললে—আমরা কি আরও রান আশা করেছিলাম? অবশ্যই। তবে এই সফরের অভিজ্ঞতা দিয়ে তার টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেল—এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। সে বাদ পড়ার পর আমি স্পষ্ট করে বলেছিলাম যে- তাকে ছুড়ে ফেলা হয়নি। ভারতের বিপক্ষে আমাদের আসন্ন হোম সামারের দল নির্বাচনের সময়ও একই হিসাব-নিকাশ কাজ করবে।’






