ব্যালন ডি’অর জয়ী ভদ্রলোক

ব্যালন ডি’অরের শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ। অডিটরিয়ামের চারদিকে করতালি, আলো-ঝলমলে মঞ্চ আর কোটি মানুষের অভিনন্দনের মধ্যে কৃতিত্বের গল্প শোনানোই চিরকালীন ধারা। কিন্তু ব্যালন ডি’অর জিতে হ্যারি কেইন বদলে দিলেন ধারা। তার কণ্ঠে অন্য সুর— বিনয়ের, আত্মোপলব্ধির এবং দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়ার গল্প।
কী অবলীলায় ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বলছেন, ‘অনেকেই হয়তো এটা ভাবেননি, এমনকি আমিও হয়তো ভাবিনি যে এতদূর আসতে পারব।’ কথাগুলো নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, এর আগে সেরার দৌড়ে সর্বোচ্চ দশম স্থান পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলেন তিনি। তবে এত সত্য কথন তো কেউ বলে না। এর চেয়েও কঠিন সত্য পরের কথাগুলো, ‘আমি কখনো এমন খেলোয়াড় ছিলাম না, যাকে দেখে মানুষ ভাবত, সে ভবিষ্যতের সুপারস্টার হবে।’ সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর আগে কতটা পথ হাঁটতে হয়, কতবার নিজের সঙ্গে লড়াই করে সামনে এগোতে হয়, সেটা ভালো করেই জানেন বায়ার্ন মিউনিখের এই তারকা। ক্লাব এবং জাতীয় দলের হয়ে করেছেন ৭৩ গোল।
তার কীর্তিকেও ছাপিয়ে ৩৩ বছর বয়সী ইংলিশম্যানই হয়ে উঠেছেন অনন্য। তারকার মোড়কে একজন চূড়ান্ত ভদ্রলোক কেইন।



