জুলকারনাইন সায়ের
নূরজাহান বেগমকে ঠিক কোন যোগ্যতায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা করা হয়েছিল?

জুলকারনাইন সায়ের
গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরজাহান বেগমকে কোন বিবেচনায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছিল, এই প্রশ্ন এখন সামনে আসা জরুরি বলে মনে করেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। একই সঙ্গে তিনি বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়টিও ভাবতে বলেছেন।
আজ সোমবার (৩০ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেছেন জুলকারনাইন সায়ের।
তিনি বলেছেন, যারা ইউনূস সাহেবকে রাত-দিন পূজা করেন, তাদের প্রতি পরামর্শ রইল—পূজা-অর্চনার পাশাপাশি তাকে জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়টিও ভাবতে শুরু করুন। রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যক্তি নয়, সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাবই হওয়া উচিত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
জুলকারনাইন সায়ের জানিয়েছেন, দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে হামের প্রকোপে ৪১ শিশুর মৃত্যুর মতো ঘটনা নজিরবিহীন। অভিযোগ রয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পূর্ণ প্রস্তুতি ছাড়াই এইচপিএনএসপি তথা ওপি–ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়। এর ফলেই আজ দেশে হামসহ আরও বেশ কয়েকটি রোগের টিকার সংকট তৈরি হয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে নূরজাহান বেগম কী কী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন? তার সিদ্ধান্তগুলোর প্রভাব কী ছিল?
‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উচিত তার (নূরজাহান বেগম) দায়িত্বকালীন কাজের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ জনগণের সামনে তুলে ধরা। কারণ জনস্বাস্থ্যের মতো সংবেদনশীল খাতে নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহিতা থাকা অত্যন্ত জরুরি।’ - বলে মনে করেন জুলকারনাইন সায়ের।

