নির্বাচিত সরকার থাকার পরেও আয়াশ গুণ্ডামি করে কীভাবে : ইমি

শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও মারধর করা অবস্থায় আয়াশ। ছবি: কোলাজ
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে আসা ব্যক্তিদের মারধর করে আবারও আলোচনায় রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের (এসডিএফ) সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াশ। মারধর করার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনা শুরু হয়েছে। আগেও মারধর করে সোশ্যালে ভাইরাল হয়েছেন আয়াশ। এবার তার মব সহিংসতা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি।
আজ শনিবার ফেসবুক পোস্টের শুরুতে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিও সূত্র ধরে ইমি লিখেছেন, ‘একটা ছেলের বাবাকে ১৫ জন মিলে কুপিয়েছিল। পরে ছেলেটা সেই হামলায় নেতৃত্ব যে দিয়েছিল তাকে নৃশংসভাবে খুন করে জেলে যায়। আইনের শাসন যে কি কারণে আবশ্যক তার খুবই নগ্ন একটা উদাহরণ ওই ভিডিওটা।’
পরে তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া মব সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে লিখেছেন, ‘গত দুই বছরে যতগুলো পরিবার মব সহিংসতার কারণে নিঃস্ব হয়েছে, যতগুলো পরিবারের সদস্য বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে, যতগুলো মানুষ নির্যাতিত হয়েছে- তারা সবাই একসঙ্গে রাস্তায় নেমে আসলে এই টোকাই, নারী নিপীড়ক, মুনাফেক, বাটপার উজ্জ্বলের (আয়াশ) শরীরের প্রতিটা কোষ একটা আরেকটার থেকে আলাদা হয়ে যাবে। ও সীমা অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছে। দেশে একটা নির্বাচিত সরকার থাকার পরেও ওর মতো টোকাইগুলো যে রাস্তায় নেমে গুণ্ডামি করার ধৃষ্টতা দেখাতে পারছে এইটাই মূলত বিএনপির অওকাত।’
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘটা নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে ইমি লিখেছেন, ‘নির্যাতন করতে করতে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) অনেক কর্মীকে এমন পর্যায়ে ঠেলে দেওয়া হয়েছে যে তাদের হারাবার আর কিছু নেই। তারা যদি এখন এই টোকাইয়ের ওপর ঝাপায়ে পড়ে, তাহলে কী মনে হয়? ওরে কেউ বাঁচাইতে পারবে? আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি।’







