মহানবী (সা.) যাকে উত্তম মানুষ বলেছেন
- ইসলামের দৃষ্টিতে শ্রেষ্ঠ মানুষ কে?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
মানুষ পৃথিবীতে আসে অল্প সময়ের জন্য। এই স্বল্প জীবনে কেউ সম্পদ রেখে যায়, কেউ খ্যাতি; আবার কেউ রেখে যায় মানুষের হৃদয়ে অমলিন ভালোবাসা। ইসলামের শিক্ষা হলো, একজন মানুষের প্রকৃত মর্যাদা তার ধন-সম্পদ বা সামাজিক অবস্থানে নয়; বরং সে মানুষের কতটা উপকার করেছে, তার ওপর নির্ভর করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি হাদিসে বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে সেই-ই উত্তম, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।’ (সহিহুল জামে, হাদিস : ৩২৮৯)
এই হাদিস আমাদের জানিয়ে দেয়, ইসলামে শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড কেবল বেশি ইবাদত করা নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করাও অন্যতম বড় ইবাদত। যে ব্যক্তি নিজের জ্ঞান, সম্পদ, সময়, শ্রম কিংবা সুন্দর আচরণের মাধ্যমে মানুষের উপকার করে, সে-ই মহানবী (সা.)-এর ভাষায় উত্তম মানুষ।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহতাআলা বলেছেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো।’ (সুরা আল-মায়িদা, আয়াত : ২)। অন্য আয়াতে তিনি বলেছেন, ‘যে কেউ একটি প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।’ (সুরা আল-মায়িদা, আয়াত : ৩২)। এসব আয়াত থেকে বোঝা যায়, মানুষের কল্যাণে কাজ করা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা।
মানুষের উপকার করার ক্ষেত্রও অনেক বিস্তৃত। ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া, অসুস্থের সেবা করা, বিপদগ্রস্তকে সহযোগিতা করা, শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া, ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানো, পথের কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা একটি আন্তরিক পরামর্শ দেওয়া



