Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
দেশে-বিদেশে মানুষের পাশে জিয়াউল হক
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজনীতি

দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গী ২৮ দল

  • ক্ষমতাসীনদের মধ্যে তেমন কোনো উদ্যোগ না দেখে হতাশ তারা
  • জোট নেতারা বলছেন, ‘তারা আগেও পথে ছিলেন, এখনো পথে আছেন’
রাজকুমার নন্দী
রাজকুমার নন্দী
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০
দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গী ২৮ দল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির জোটসঙ্গী ২৮টি রাজনৈতিক দল এখনো ঘুরছে দ্বারে দ্বারে। সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর গত ২০ জুলাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক নৈশভোজ অনুষ্ঠানে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের যোগ্যতা অনুযায়ী ‘যথাযথ মূল্যায়নের’ আশ্বাস দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন এখনো দেখতে পাচ্ছেন না মিত্ররা। তাদের ভাষ্য, সরকার চাইলে নানাভাবে মূল্যায়ন করতে পারে; কিন্তু ক্ষমতাসীনদের মধ্যে তেমন কোনো উদ্যোগ না দেখে হতাশ তারা। জোট নেতারা বলছেন, তারা আগেও পথে ছিলেন, এখনো পথে আছেন— দ্বারে দ্বারে ঘোরাই যেন তাদের নিয়তি।

অবশ্য নির্বাচনে বিজয়ের পর তিন শরিক দল থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বানিয়েছে বিএনপি। এ অবস্থায় বাকিদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছে, তারা কি সরকারের অংশ নাকি বিরোধী দল— সেটাই বুঝতে পারছে না।

বিএনপির নেতৃত্বে আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে চারটি জোটসহ নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত মিলিয়ে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল ৪২টি রাজনৈতিক দল। এসব দলের তেমন ‘গণভিত্তি’ না থাকলেও সংখ্যা বিবেচনায় আন্দোলনে এর একটি প্রভাব ছিল। দেশ-বিদেশে তখন এমন প্রচারণা ছিল, সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে ৪২টি রাজনৈতিক দল সম্পৃক্ত রয়েছে। অবশ্য বিএনপির এসব জোট শরিকের মধ্যে কোনো কোনো দলের অবস্থান রয়েছে। এসব দলে কিছু ‘ফিগার’ আছেন, যারা রাজনীতিতে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে থাকেন। রাজনীতিতে তাদের ‘ফেসভ্যালুও’ রয়েছে। তাদের নিয়েই ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পথ পাড়ি দিয়েছে বিএনপি। আন্দোলন করতে গিয়ে এসব শরিক দলের নেতারা সরকারি রোষানলেও পড়েন। শিকার হন মামলা-হামলা, নির্যাতন-নিপীড়নের। কেউ গ্রেপ্তার হন, দু-একজন গুলিবিদ্ধও হয়েছিলেন।

রাষ্ট্র পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা’ ঘোষণা করেছিল বিএনপি। সেখানে বলা হয়েছিল, দেশের জনগণের হাতেই দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে জয়লাভের পর বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার হঠানোর আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি ‘জনকল্যাণমূলক জাতীয় ঐকমত্যের সরকার’ প্রতিষ্ঠা করা হবে— যেটাকে ‘জাতীয় সরকার’ বলা হয়েছিল।

বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে চব্বিশের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতন ঘটে। এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই শরিকদের ‘মূল্যায়নের প্রক্রিয়া’ শুরু করে বিএনপি। নির্বাচনে মিত্রদের মধ্যে ১১টি রাজনৈতিক দলকে ১৬টি আসন ছেড়েছিল বিএনপি। আর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্য থেকে প্রথমে দুজনকে প্রতিমন্ত্রী এবং পরে একজনকে মন্ত্রী বানিয়ে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করেছে দলটি। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকিকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। তবে বিএনপির মিত্রদের মধ্যে ২৮টি দল এখন পর্যন্ত পায়নি কিছুই। জেলা পরিষদের প্রশাসক কিংবা সংরক্ষিত নারী আসনেও শরিকদের কেউ মূল্যায়িত হননি। এ ছাড়া তাদের মূল্যায়নে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের তিন দিন পর গত ২৩ জুলাই সরকারি ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনের ১১টির শীর্ষপদে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। কিন্তু সেখানেও মিত্রদের কেউ মূল্যায়িত না হওয়ায় তাদের হতাশা আরও বেড়েছে।

বিএনপি তিন শরিক দলের নেতাকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বানিয়ে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করলেও অধিকাংশ এটিকে জাতীয় সরকার বলে মনে করেন না। বঞ্চিত দলগুলোর নেতারা এখন ওই তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর বাইরে অন্য শরিকদের মধ্য থেকে ‘টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী’ হিসেবে আরও দু-একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান। পাশাপাশি বাকিদের যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়নের প্রত্যাশা তাদের।

শরিকদের মধ্যে যারা ধানের শীষ কিংবা বিএনপির সমর্থনে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিলেন, তারা যেতে চান সংসদের উচ্চকক্ষে। শরিকদের ভাষ্য, বিএনপি তাদের ধানের শীষ কিংবা সমর্থন দিলেও দলটির নেতারা সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তারা নির্বাচনে জিততে পারেননি। শরিক দলগুলোর নেতারা বলছেন, সরকার বা বিএনপির সঙ্গে বর্তমানে তাদের সেভাবে কোনো যোগাযোগ নেই। তাদের ভাষ্য, আগে বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপির সাবেক মহাসচিব এবং সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হতো; কিন্তু তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সে যোগাযোগে ভাটা পড়েছে।

অবশ্য বিএনপি ও সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সরকারে কোথায়, কীভাবে মূল্যায়ন করা যায়— সে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিবেচনায় রয়েছে। গত আগস্টে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ-রদবদলে শরিক দলের এক নেতাকে মন্ত্রী করা হয়েছে। এ ছাড়া গত সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্ক সফরে শরিক দলের দুই নেতাকে সফরসঙ্গী করেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানেও তাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মানিত করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হন গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। তিনি আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২০ জুলাই শরিকদের নিয়ে নৈশভোজ করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, যোগ্যতা অনুযায়ী শরিকদের মূল্যায়ন করা হবে, তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বসা হবে; কিন্তু এর কোনো কিছুই আমরা দেখছি না।’

সরকারের বহু কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির নেত্রীদের এমপি বানাল। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা-করপোরেশনে দলীয় লোকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিচ্ছে। এটা নিয়ে শরিকদের সঙ্গে তারা ন্যূনতম আলোচনাও করে না। এখন আমরা কি সরকারের অংশ, না বিরোধী দল— সেটিই বুঝতে পারছি না। আমরা আগেও পথে ছিলাম, এখনো পথেই আছি— যোগ করলেন তিনি। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের ভাষ্য, ‘শরিকদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডিনারের পর কারও সঙ্গে সিরিয়াসলি আর কোনো আলোচনা হয়েছে, এমন কোনো তথ্য জানা নেই।  বিএনপি এখন পর্যন্ত পরিস্থিতির গ্রাভিটি পুরোপুরি উপলব্ধি করছে— এরকম লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি যদি সামনে আরও প্রতিকূল হয়, তখন হয়তো রাজনৈতিক বন্ধুদের প্রয়োজন হবে দলটির। সেটা হয়তো বিএনপির জন্য তখন অনেক দেরিও হয়ে যেতে পারে।’

বিএনপিআন্দোলনদলক্ষমতাসীনহতাশজোটরাজনৈতিক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে

    সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে

    আদর্শ আর নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে খণ্ড-বিখণ্ড বাম

    আদর্শ আর নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে খণ্ড-বিখণ্ড বাম

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেল, দূরত্ব বাঁচবে ৮১ কিলোমিটার

    ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেল, দূরত্ব বাঁচবে ৮১ কিলোমিটার

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে