Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজনীতি

জুলাইয়ের পর উপেক্ষিত ইসলামী ছাত্র আন্দোলন

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩:৫০
জুলাইয়ের পর উপেক্ষিত ইসলামী ছাত্র আন্দোলন

সংগৃহীত ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক দল বেশি গুরুত্ব পেলেও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ উপেক্ষার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ সংগঠনের সভাপতি মুনতাছির আহমাদের। ছাত্র-জনতার ওই কর্মসূচিতে ভূমিকা, আন্দোলনের কৌশল, সমন্বয়, ৫ আগস্টের প্রস্তুতি এবং আন্দোলন-পরবর্তী বাস্তবতা নিয়ে আগামীর সময়ের সঙ্গে কথা বলার সময় এ আক্ষেপ জানালেন তিনি।  সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রিপোর্টার আমজাদ হোসেন হৃদয়।

জুলাই আন্দোলনের শুরু থেকেই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে মুনতাছিরের জবাব, হাইকোর্ট ৬ জুন ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের রায় দেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যানারে যে প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়, সেখান থেকেই আমাদের সম্পৃক্ততা। আন্দোলনের সূচনা থেকে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন পর্যন্ত রাজপথের সক্রিয় ছিল ইসলামী ছাত্র আন্দোলন। সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিল সারা দেশের কর্মসূচিতে।

কোটার বাতিলের দাবিতে থেকে আন্দোলনের গতি পরিবর্তনের বিষয়ে তার মত, ১৪ থেকে ১৬ জুলাইয়ের ঘটনাগুলোই ঘুরিয়ে দেয় আন্দোলনের মোড়। ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’ মন্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে। পরদিন ছাত্রলীগের হামলা এবং ১৬ জুলাই আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের পর আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়, এটি আর শুধু কোটা আন্দোলন নয়; রূপ নিয়েছে সরকারবিরোধী গণআন্দোলনে।

‘আমরা এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছিলাম। যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, শাহবাগ ও শহীদ মিনার— প্রতিটি এলাকায় ছিল আলাদা টিম’— মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক কৌশল উল্লেখ করলেন তিনি।

গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের হতাহতের তথ্য দিতে গিয়ে বললেন, আমাদের সংগঠনের ১৫ সদস্য শহীদ। আর ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর পরিবারের শহীদের সংখ্যা ২২ জন। এ ছাড়া প্রায় ২০০ নেতাকর্মী গুরুতর আহত। অনেকেই এখনো গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আছেন, কেউ হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি। আবার কেউ স্থায়ী শারীরিক জটিলতা নিয়ে করছেন জীবনযাপন।

গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামী ছাত্র আন্দোলন যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নে উগড়ে দিলেন ক্ষোভ। তার অভিযোগ, ‘আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় রাষ্ট্রীয় কোনো পদ বা বিশেষ সুবিধা পাওয়ার চিন্তা ছিল না আমাদের। লক্ষ্য ছিল, দেশের সংকট থেকে উত্তরণ এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা। তবে এটিও সত্য, আন্দোলনে সম্পৃক্ত সব ছাত্র সংগঠনকে সমানভাবে মূল্যায়নের যে সুযোগ ছিল, তা বাস্তবায়ন হয়নি। কিছু সংগঠন বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, আবার কিছু সংগঠনকে উপেক্ষা করা হয়েছে। ইসলামী ছাত্র আন্দোলনও সেই উপেক্ষার শিকার। বলা যায় সবচেয়ে ‘আন্ডাররেটেড’ ছাত্র সংগঠন।’

 

জুলাই আন্দোলনইসলামী ছাত্র আন্দোলন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’