নির্মাণশিল্পীর নাম ‘বাবুই পাখি’

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
আকারে এতো ছোট পাখি প্রকৃতিতে খুব কমই আছে। শুধু আকার নয়, এর রূপ সৌন্দর্য মনোমুগ্ধকর। গায়ের নানান রঙ যেন শিল্পীর আঁকা ছবি। বাবুই পাখি শুধু রূপে নয়, গুণে অনন্য ও পারদর্শী।
বাংলার সবুজ শ্যামলিমায় তাল, নারিকেল ও খেজুর গাছে বাবুই পাখির বানানো বাসা আধুনিক জমানার স্থপতি কিংবা চিত্রশিল্পীর সেরা কর্মকেও হার মানায়। ছোট্ট চিকন ধারালো ঠোঁটে গাছ-গাছালির শাখা-প্রশাখা দিয়ে নির্মাণ করে পৃথিবীর সেরা শিল্পকর্ম-যার নাম ‘বাবুই পাখির বাসা’।
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চৌধুরী হাট গ্রামে রাস্তার পাশেই তাল গাছ। তাতেই মনের আনন্দে অসংখ্য পাখি যোগ দিয়েছে নিজেদের বাসা বানানোর উৎসবে। এতে রাতযাপন করে বাবুই পাখি দম্পতি। খুনসুটি করে। ঝড়-বৃষ্টি থেকে নিজেদের বাঁচায়। ডিম পাড়ে, বাচ্চা ফোটায়। এমন কঠিন সংগ্রামের জীবনযাপন যা শিল্প-স্থাপত্যের সকল দর্শনকেও হার মানায়।
তাল গাছের ঢালের পাতার সঙ্গে এমন মুন্সিয়ানায় বাসা বাঁধে যা প্রচণ্ড ঝড়েও ছিটকে পড়ে না। বৃষ্টির পানিও ঢুকে না, রোদের উত্তাপও লাগে না। বাবুই পাখির কিচির-মিচির শব্দ যেন দূর আকাশ থেকে ভেসে আসা উত্তাল সুরের ছন্দ। ভরদুপুরে এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পাখির কলতান ও সৃষ্টি সুখের উল্লাসের এসব ছবি তোলা হয়।

বাবুই পাখির বাসা শিল্প-স্থাপত্যের সকল দর্শনকে হার মানায়





