প্রতিক্রিয়া
শেয়ারবাজার গতিশীল হবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শেয়ারবাজার আগামী দিনে গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব হয়ে উঠবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সুদৃঢ় হবে এবং বাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এমনটি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। ডিএসই থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক মনোযোগ, কার্যকর নীতিগত সহায়তা এবং সময়োপযোগী সংস্কারমূলক পদক্ষেপের ফলে দেশের শেয়ারবাজার আগামী দিনে গতিশীল, গভীর ও বিনিয়োগবান্ধব হয়ে উঠবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সুদৃঢ় হবে এবং বাজারের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসইয়ের চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বললেন, রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ এবং শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে প্রস্তাবিত বাজেটে গৃহীত উদ্যোগ দেশের শেয়ারবাজারের আধুনিকায়নে একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ। এ উদ্যোগের ফলে বাজার পরিচালনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং একটি সমন্বিত, কার্যকর ও শক্তিশালী বাজার অবকাঠামো গড়ে উঠবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে শেয়ারবাজারের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ডিএসই চেয়ারম্যান আরও বললেন, শেয়ারবাজারের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারের সক্রিয় আগ্রহ, আন্তরিকতা সাম্প্রতিক বিভিন্ন নীতিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। এ সরকার প্রথমবারের মতো শেয়ারবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ এবং অর্থমন্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্যে শেয়ারবাজারের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ বাজারসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে নতুন আশাবাদ ও ইতিবাচক প্রত্যাশার সৃষ্টি করেছে।
ডিএসই চেয়ারম্যান বিশেষভাবে নিটা (এনআইটিএ) হিসাব পরিচালনা প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বললেন, এ উদ্যোগ শেয়ারবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাজারের গভীরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ডিএসই এরই মধ্যে বিদ্যমান টি+২ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা থেকে টি+১ এবং পর্যায়ক্রমে টি+০ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে লেনদেন নিষ্পত্তি আরও দ্রুত, নিরাপদ ও দক্ষ হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্মত বাজার অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
ডিএসই কর্তৃপক্ষ মনে করে, শেয়ারবাজারের প্রতি সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সংস্কারমুখী পদক্ষেপ দেশের ক্রমবিকাশমান শেয়ারবাজারকে দীর্ঘ মেয়াদে আরও শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও টেকসই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ প্রেক্ষাপটে, উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও টেকসই শেয়ারবাজার গড়ে তুলতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।




