Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চিঠি

আগামীর চোখ

সিনেট কোরাম সংকটে রাকসু কোমায়

agamir somoy
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪
সিনেট কোরাম সংকটে রাকসু কোমায়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

শ্রদ্ধেয়

ভিসি স্যার, রাবি

বিনম্র সালাম গ্রহণ করবেন। আপনার প্রশাসনিক দক্ষতার গুণে দীর্ঘ ১০ মাস ধরে আমাদের নির্বাচিত ছাত্র সংসদের (রাকসু) সদস্যরা শপথের ছোঁয়া পাননি। রাকসুর মেয়াদ মাত্র এক বছর। আর তার ১০ মাসই কাটল ‘প্রশাসনের কারিগরি সমস্যা’ ও ‘সিনেটের কোরাম সংকট’ উদযাপনে! ফলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভোটে জয়ী হয়েও নীতিনির্ধারণী ফোরামে নির্বাচিত পাঁচ রাকসু সদস্য এক গ্লাস পানি পর্যন্ত খেতে পেলেন না।

স্যার, মানুষ বেকার বসে থাকলে কী করে? কাজ না থাকলে অপকর্ম তো করতেই হবে! আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ভাইয়ের অবস্থাটাও ঠিক তাই। ভোটে জিতেও সিনেটে বসার সুযোগ না পেয়ে, দাপ্তরিক কাজ না পেয়ে তিনি হয়তো প্রচণ্ড বিষণ্নতায় ভুগছেন। আর সেই বিষণ্নতা কাটাতেই তাকে এখতিয়ারবহির্ভূত রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারে নামতে হয়েছে।

সিনেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদনের সুযোগ নেই। তাই তো জিএস আম্মার বাধ্য হয়ে রাকসুর তহবিল থেকে একাই ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা তুলে নিয়েছেন! এর মধ্যে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার কোনো বিল-ভাউচারের ঝামেলায় তিনি যাননি। কাজ নেই, তাই ক্ষোভ মেটাতে আওয়ামীপন্থী ডিনদের পদত্যাগের আলটিমেটাম দিচ্ছেন, কথায় কথায় শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করছেন। আর যারে-তারে ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে মারধর ও মব সন্ত্রাস চালিয়ে নিজেকে ‘ব্যস্ত’ রাখছেন! এমনকি নিজের অফিসে হামলা আর মারধরের নাটকীয়তা তৈরি করে পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা ঠুকে দিয়েছেন।

দয়া করে সিনেটের অধিবেশন ডাকুন এই হতভাগা প্রতিনিধিদের অবিলম্বে শপথের মাধ্যমে ‘আসল কাজে’ ব্যস্ত করুন

চিন্তা করুন স্যার! আকিল বিন তালেবের মতো নির্বাচিত প্রতিনিধি তো হতাশায় হলের সিট ছেড়ে ক্যাম্পাস থেকেই পালিয়ে গেছেন! কিন্তু আম্মার ভাই পালাননি; তিনি মব সন্ত্রাস, মারধর আর লাখ লাখ টাকার ভাউচারহীন হিসাব মিলিয়ে আমাদের বিনোদন দিচ্ছেন!

স্যার, আপনার এই ‘উভয়সংকট’ আর কোরাম না হওয়ার বাহানায় সিনেট যেভাবে কোমায় তলিয়ে আছে, তাতে অচিরেই আম্মার ভাই পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের চেয়ারটাও দখল করে বসতে পারেন!

তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আকুল আবেদন— দয়া করে সিনেটের অধিবেশন ডাকুন, এই হতভাগা প্রতিনিধিদের অবিলম্বে শপথের মাধ্যমে ‘আসল কাজে’ ব্যস্ত করুন! নইলে সিনেটের কাজ না পেয়ে রাকসু জিএস যদি কাল পুরো বিশ্ববিদ্যালয়টাকেই নিজের নামে লিখে নেন, তবে সেই মব সন্ত্রাসের দায়ভার কিন্তু ইতিহাস আপনার ওপরই চাপাবে!

বিনীত

এক ভীতসন্ত্রস্ত শিক্ষার্থী

 

ভিসিরাবিরাকসুসিনেটবিশ্ববিদ্যালয়সালাউদ্দিন আম্মার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise