Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
পাখির জন্য আহম্মদ উল্ল্যাহ
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সাক্ষাৎকার

একান্ত সাক্ষাৎকারে সারজিস আলম

১০ আগস্টের মধ্যে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিল

আমজাদ হোসেন হৃদয়
আমজাদ হোসেন হৃদয়
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০১:৫৬
১০ আগস্টের মধ্যে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাজনীতিতে এনসিপির অবস্থান ও অন্তর্বর্তী সরকারের সুবিধা ভোগ, বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব, জামায়াতের সঙ্গে জোট, নির্বাচনের অভিজ্ঞতা, অভ্যুত্থান-উত্তর রাজনীতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এনসিপি নেতা সারজিস আলম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক আমজাদ হোসেন হৃদয়।

আগামীর সময় : ৫ আগস্টের যে স্বপ্ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা— সেটি কি পূরণ হয়েছে বলে মনে করেন?

সারজিস আলম: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল সম্পূর্ণ সৎ ও বিশুদ্ধ একটি আকাঙ্ক্ষা। এটি ছিল মানুষের ব্যক্তিগত স্বপ্ন ও ক্ষোভের সামষ্টিক বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আমরা যে বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলাম, বাস্তবে তার অনেক কিছুই পূরণ হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেকেই অভিজ্ঞতার অভাবে প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের অনুগত মানুষদের বিভিন্ন জায়গায় বসানোর চেষ্টা করেছে। সেখানে যোগ্যতার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির প্রভাবও তুলনামূলক বেশি ছিল। সামগ্রিকভাবে সবাই কোনো না কোনোভাবে এ ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারেন না।

আগামীর সময়: তাহলে কি আপনি আশাহত?

সারজিস আলম: দীর্ঘদিনের ক্ষমতাকেন্দ্রিক সংস্কৃতি এখনো রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরে রয়ে গেছে। এ কারণে কিছুটা আশাহত। কারণ, আমরা দ্রুত পরিবর্তন চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন মনে হয়, এ পরিবর্তন এক-দুই বছরে হবে না। হয়তো আট-দশ বছর সময় লাগবে। তবে একটা বড় পরিবর্তন হয়েছে মানুষের মনস্তত্ত্বে। তরুণ প্রজন্ম এখন রাজনৈতিকভাবে অনেক বেশি সচেতন। আগে বাংলাদেশের রাজনীতি দুই দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন অন্তত তিনটি বড় রাজনৈতিক শক্তি তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো দলই সহজে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারবে না।

আগামীর সময়: ৯০ ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরও দেশ গঠনের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু আপনার কি মনে হয় সেই সুযোগে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের চেয়ে ক্ষমতা ও সুবিধা ভোগের প্রবণতাই বেশি দেখা গেছে?

সারজিস আলম: ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, এর ৩৪ বছর পর ২০২৪ সালে আবারও বড় একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। আমি মনে করি, স্বাধীনতার পর ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ঘটনা। মানুষ যখন দীর্ঘদিন অন্যায়-অবিচারের মধ্যে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরিস্থিতিতে পড়ে, তখন তারা ঘুরে দাঁড়ায়— এটাই ইতিহাসের বাস্তবতা। তবে আমি মনে করি না ২০২৪-এর আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে। এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পড়বে।

২৪-এর পর যে পরিবর্তনের সুযোগ এসেছিল, সেখানে আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। অনেকেই পরিবর্তনের শিক্ষা নেওয়ার চেয়ে ক্ষমতার বাস্তবতা ও সুবিধার জায়গায় বেশি জড়িয়ে পড়েছে। তবে একই সঙ্গে এটাও সত্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এখন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে বড় পরিবর্তন হয়তো আর রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হবে না, বরং গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই হবে। কিন্তু যদি আবারও পুরনো কর্তৃত্ববাদী বা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির পুনরাবৃত্তি হয়, তাহলে মানুষ অবশ্যই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। সেটাকে তখন গণঅভ্যুত্থান বলা হবে নাকি অন্য কিছু, সেটা সময়ই নির্ধারণ করবে।

জুলাই আন্দোলনে সার্জিস। ছবি: সংগৃহীত

আগামীর সময়: সে সময় ‘বিপ্লবী সরকার’ গঠনের দাবি উঠেছিল। এখন কি আপনার মনে হয় সেটা না করাটা ভুল ছিল?

সারজিস আলম: আমি ‘বিপ্লবী সরকার’ শব্দটা ব্যবহার করব না। কারণ, বিপ্লবী সরকার গঠনের জন্য একটি সুসংগঠিত বিপ্লবী শক্তি লাগে, যেটা আমাদের ছিল না। সেটা করতে গেলে বরং বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো। কেননা পুরো রাষ্ট্র পরিচালনার মতো জনবল বা দক্ষতা তখন আমাদের ছিল না। শুধু ক্ষমতায় বসার জন্য রাষ্ট্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া যেত না। তবে আমি মনে করি, উপদেষ্টা পরিষদে আরও যোগ্য ও আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ধারণকারী মানুষ থাকা দরকার ছিল। অনেক উপদেষ্টা নিজেদের মন্ত্রণালয়ে দক্ষ ছিলেন, আবার অনেকে শুরু থেকেই ছিলেন ব্যর্থ। তাদের জন্য মূল্যায়ন প্রক্রিয়া থাকা দরকার ছিল।

আগামীর সময়: ৫ আগস্টের পর যদি আবার সেই পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকত, তাহলে কি ভিন্নভাবে করতেন?

সারজিস আলম: ৫ থেকে ১০ আগস্টের মধ্যকার সময়টাতেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া উচিত ছিল, যা আমরা পারিনি। আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতিকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল। সংবিধান পুনর্লিখনের উদ্যোগ নেওয়া দরকার ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদও ঘোষণা করা প্রয়োজন ছিল। সংস্কারের প্রশ্নেও আমরা ভুল করেছি। গণঅভ্যুত্থানের পর সরকারের কাছেই সংস্কারের পূর্ণ ম্যান্ডেট ছিল। কিন্তু পরে আবার গণভোট, রাজনৈতিক ঐকমত্য— এসবের মধ্যে পড়ে সময় নষ্ট হয়েছে। আরেকটি বড় বিষয় ছিল— স্বৈরাচারী সরকার তৈরিতে যারা ভূমিকা রেখেছে, আমলাতন্ত্র থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যন্ত, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা। বাংলাদেশে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় বিচারহীনতার কারণে। যদি বিচার দ্রুত নিশ্চিত করা যেত, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করার সাহস অনেক কমে যেত।

আগামীর সময়: অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে এনসিপির সম্পর্কটা আসলে কেমন ছিল? অনেকেই তো এনসিপিকে ‘কিংস পার্টি’ বলত।

সারজিস আলম: বাস্তবতা হলো— সরকারের কাছ থেকে সবচেয়ে কম সুবিধা পাওয়া রাজনৈতিক দল সম্ভবত এনসিপি। যদি আমরা সত্যিই ‘কিংস পার্টি’ হতাম, তাহলে নাহিদ ইসলামকে পাঁচ মাস পর উপদেষ্টা পদ ছেড়ে এসে দলের দায়িত্ব নিতে হতো না। মানুষ ভেবেছিল আমরা হয়তো সরকার চালাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবে আমরা বরং বাইরে থেকে ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট’ করেছি। সরকারকে আন্দোলন, রাস্তা অবরোধ, অস্থিরতা— এসব সামলাতে সহায়তা করেছি।

আগামীর সময়: অন্তর্বর্তী সরকারে আপনাদের প্রতিনিধি থাকা কি যথার্থ ছিল?

সারজিস আলম: আমাদের সহযোদ্ধাদের সরকারে থাকার কারণেই অন্তত কিছু সংস্কার ও রাজনৈতিক আলোচনা টিকে ছিল। যদিও বাস্তবে এনসিপির দুজন উপদেষ্টা ছিলেন। ২৫ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদে একজন বা দুজনের মাধ্যমে পুরো সরকারের দায় এনসিপির ওপর চাপানো বাস্তবসম্মত নয়।

আগামীর সময়: অনেকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিশেষ করে মাহফুজ আলমকে নিয়ে ড. ইউনূসের বক্তব্য নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখেন?

সারজিস আলম: প্রথমত, ড. ইউনূস নিজেও পরে ব্যাখ্যা করেছেন যে, ‘মাস্টারমাইন্ড’ বিষয়টি আমরা যেভাবে গ্রহণ করেছি, তিনি সেভাবে উপস্থাপন করেননি। মাহফুজ আলমও একাধিকবার বলেছেন যে, তাকে যেভাবে ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলা হয়েছে, ব্যাপারটি সেরকম নয়। আমরাও মনে করি না যে একজন ব্যক্তি পুরো আন্দোলনের একক মাস্টারমাইন্ড ছিলেন। মাহফুজ আলম একজন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শক ছিলেন, তবে তার মতো আরও অনেকে ছিলেন। তিনি নিজেও কখনো নিজেকে একক মাস্টারমাইন্ড দাবি করেননি।

আগামীর সময়: মাহফুজ আলম শেষ পর্যন্ত কেন এনসিপিতে যোগ দেননি বলে মনে করেন?

সারজিস আলম: এনসিপি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থান থেকে রাজনীতি করছে। হয়তো সেই জায়গার সঙ্গে মাহফুজ আলম শতভাগ একাত্ম হতে পারেননি বলেই তিনি আলাদা প্ল্যাটফর্মে গেছেন। আমার মনে হয়, যদি আমাদের জোট জামায়াতের সঙ্গে না হয়ে বিএনপির সঙ্গে হতো, তাহলে মাহফুজ আলম এনসিপিতেও আসতেন।

আগামীর সময়: অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন আন্দোলন ও ‘মব’ রাজনীতি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

সারজিস আলম: অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রায় ৪০০ আন্দোলন হয়েছে। প্রত্যেকে মনে করেছে তাদের প্রাপ্য তারা পায়নি, তাই রাস্তায় নেমেছে। কিছু ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা হয়েছে, এটা সত্য। তবে এটাও ঠিক, এ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও সংঘাত আরও বাড়তে পারত। তুলনামূলকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত ছিল। তাই সব আন্দোলনকে এককভাবে ‘মব’ বলে দায়ী করাকে আমি সঠিক মনে করি না।

আগামীর সময়: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, আবার অনেককে হত্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ— এসব নিয়ে এনসিপির অবস্থান কী?

সারজিস আলম: আমি বহুবার বলেছি, শুধু সাংবাদিক নয়— সারা দেশে যেসব হত্যা মামলা হয়েছে, তার মধ্যে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে এমন মানুষের নাম এসেছে যাদের সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। অনেক ক্ষেত্রে মামলাবাণিজ্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল বা প্রভাব তৈরির উদ্দেশ্যে এসব করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও আছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলছি— যাদের বিরুদ্ধে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তাদের নাম মামলা থেকে বাদ দিতে হবে। আবার যাদের সম্পৃক্ততা আছে, তারা যেন টাকা বা ক্ষমতার প্রভাবে ছাড় না পায়, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।

আগামীর সময়: আওয়ামী লীগের ফেরা নিয়ে আলোচনা চলছে। দলটির ভবিষ্যৎ আপনি কী দেখছেন?

সারজিস আলম: এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বর্তমান সরকারকে। তারা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছে, এটা শক্ত অবস্থান। কিন্তু একই সঙ্গে যদি আওয়ামী লীগের অপরাধী নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন, জামিন বা মুক্তির ক্ষেত্র তৈরি করা হয়, তাহলে দলটি আবার ফিরে আসার সুযোগ পাবে। যদি বিচার নিশ্চিত হয় এবং নিরপরাধ সমর্থকরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে যায়, তাহলে আওয়ামী লীগ আর আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে না। শেখ হাসিনা বা শেখ পরিবারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার সুযোগ নেই। তারা গণহত্যার নির্দেশদাতা ও খুনি হিসেবে চিহ্নিত। অন্য কারও নেতৃত্বে দলটি হয়তো আরেকটি জাতীয় পার্টিতে পরিণত হতে পারে। তবে বিএনপি যদি ক্ষমতা পেয়ে একই ভুলগুলো করে, যেগুলোর কারণে আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে, তাহলে মানুষের হতাশা থেকে আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আগামীর সময়: অনেকে বলেন, যদি অভ্যুত্থানের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন হতো, তাহলে আপনাদের জনপ্রিয়তা আরও বেশি থাকত। আসনও বেশি পেতেন। আপনিও কি তাই মনে করেন?

সারজিস আলম: ৫ আগস্টের সময় মানুষের আবেগ ও প্রত্যাশা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে। কিন্তু তখন তো আমাদের রাজনৈতিক দলই ছিল না। বাংলাদেশে শুধু ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দিয়ে নির্বাচন জেতা সম্ভব নয়। মানুষ এখনো দল ও প্রতীক দেখে ভোট দেয়। তখন আমাদের দল গঠনেরও পরিকল্পনা ছিল না। বরং আমরা ভেবেছিলাম অন্তর্বর্তী সরকার যদি দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারে, তাহলে হয়তো আলাদা রাজনৈতিক দল গঠনই করব না। কিন্তু যখন দেখলাম বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর কারও আদর্শিক অবস্থান বা রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে আমরা একমত হতে পারছি না, তখন নতুন দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন সার্জিস। ছবি: সংগৃহীত

আগামীর সময়: তাহলে কি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গণজোয়ার বা জনসমর্থন কমে গেছে?

সারজিস আলম: ৫ আগস্টের সময় সমর্থন ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে। পরে সেটি একটি স্থিতিশীল অবস্থায় আসবে— এটাই স্বাভাবিক। গুরুত্বপূর্ণ হলো, সেটা যেন একটি নির্দিষ্ট মানের নিচে না নামে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে পারেনি। মানুষ যেহেতু আমাদেরও সেই সরকারের সঙ্গে যুক্ত করে দেখে, তাই কিছু হতাশা আমাদের প্রতিও এসেছে।

আগামীর সময়: এনসিপিকে এখনো ‘তরুণদের দল’ হিসেবেই দেখা হয়। প্রবীণ বা জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকদের যুক্ত করার বিষয়টি তেমন দেখা যাচ্ছে না। এটাকে কি ঘাটতি মনে করেন?

সারজিস আলম: আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অধিকাংশই তরুণ। বয়সের দিক থেকে সবচেয়ে বড় অংশ ৩০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। আমরা মনে করি, রাষ্ট্র পরিবর্তনের জন্য এ বয়সী নেতৃত্ব সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের আমরা একেবারে বাইরে রাখিনি। স্থানীয় পর্যায়ে আমরা এরই মধ্যে তাদের সম্পৃক্ত করেছি। জেলা বা উপজেলা সভাপতির জন্য বয়সসীমা ৪০-এর ওপর এবং সাধারণ সম্পাদকের জন্য ৩৫-এর ওপর রাখা হয়েছে। বর্তমানে আমাদের অনেক জেলা সভাপতির গড় বয়সই ৫০-এর কাছাকাছি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়বে। আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণ নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক কাঠামো দাঁড়াবে বলে আশা করছি।

আগামীর সময়: অনেকে ভেবেছিলেন নানা দ্বন্দ্বে এনসিপি ভেঙে যাবে। কিন্তু এখনো দলটি টিকে আছে। এটাকে সফলতা হিসেবে দেখেন?

সারজিস আলম: এনসিপির নেতৃত্ব যতদিন ঐক্যবদ্ধ থাকবে, দল ভাঙার সুযোগ নেই। আমাদের শক্তির জায়গা হলো— আমরা একটি অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাজপথে একসঙ্গে লড়াই করে এসেছি। এই বন্ধন শ্রম, ঘাম, রক্ত ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এনসিপি বাংলাদেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে।

আগামীর সময়: মানুষ আপনাদের কেন ভোট দেবে? এনসিপির ভোটব্যাংক কোন জায়গা থেকে তৈরি হবে?

সারজিস আলম: আমরা ভারতবিরোধী রাজনীতি করি না, আমরা আধিপত্যবাদবিরোধী রাজনীতি করি। ভারত যদি সম্মানজনক সম্পর্ক রাখতে চায়, সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক রাখতে চায়, তাহলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমরা বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করি। অনেকে মুখে বলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ কিন্তু বাস্তবে সবার আগে থাকে নিজের দল। আমরা সেই জায়গা থেকে বের হতে চাই। আমরা সব ধর্মের সহাবস্থানে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশকে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের রাষ্ট্র বানাতে চাই না। নাগরিকদের ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মনে করি, বর্তমান বাস্তবতায় অন্য যেকোনো রাজনৈতিক দলের চেয়ে এ জায়গাগুলোয় আমরা ভালো কাজ করতে পারব। এ কারণেই জনগণের আমাদের ভোট দেওয়া উচিত।

আগামীর সময়: আপনারা বলছেন এনসিপি মধ্যপন্থী দল হবে। কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে জোট করলে কি মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হবে?

সারজিস আলম: নির্বাচনী জোট যেকোনো আদর্শিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই হতে পারে। জামায়াতের সঙ্গে জোট করলেই যদি আমরা ডানপন্থী হয়ে যাই, তাহলে বিএনপির তো আমাদের চেয়ে ৩০ গুণ বেশি ডানপন্থী হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তো সেটা হয়নি। আমাদের রাজনীতি হচ্ছে গণতান্ত্রিক, মধ্যপন্থী, আধিপত্যবাদবিরোধী ও বাংলাদেশপন্থী। ভবিষ্যতে কার সঙ্গে জোট হবে, সেটা নির্ভর করবে জনগণের অধিকার ও প্রত্যাশার প্রশ্নে কারা একসঙ্গে কাজ করছে তার ওপর। এতে এনসিপির আদর্শিক অবস্থানের পরিবর্তন হবে না।

আগামীর সময়: আপনাদের বিরুদ্ধে ‘জামায়াতের বি-টিম’ বা ‘সি-টিম’ হওয়ার অভিযোগও আছে।

সারজিস আলম: এই ন্যারেটিভ প্রথমে ছড়িয়েছে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের একটি অংশ। পরে টকশো ও রাজনৈতিক আলোচনায় অন্য দলগুলোও এটা বলতে শুরু করেছে। যখন তারা যুক্তি দিয়ে আমাদের মোকাবিলা করতে পারে না, তখন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব বলে। আমাদের আদর্শিক অবস্থান, রাজনৈতিক ধরন ও কর্মপদ্ধতি জামায়াত থেকে আলাদা। পার্থক্যগুলো খুবই স্পষ্ট।

আগামীর সময়: জামায়াতের সঙ্গে ভবিষ্যতের সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে?

সারজিস আলম: বর্তমানে আমরা বিরোধী দল হিসেবে কিছু ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করছি। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য সবাই আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভবিষ্যতে জোটও হতে পারে, আবার এককভাবেও নির্বাচন হতে পারে। জামায়াতের সঙ্গে আমাদের আলাদা কোনো স্থায়ী কমিটমেন্ট নেই। রাজনৈতিক দাবিদাওয়া ও কর্মসূচির মিল থাকলে পথচলা এক হবে, না থাকলে ভিন্ন হবে।

আগামীর সময়: ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিবিরের ভালো ফলাফল কি পরবর্তীকালে জামায়াতের সঙ্গে জোটের একটি কারণ ছিল?

সারজিস আলম: এটা অবশ্যই একটা প্রভাবক ছিল। তবে আরও বড় কারণ ছিল— আমরা নির্বাচনের আগেই বুঝতে পারছিলাম বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে না। তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও কাঠামো পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে মাঠপর্যায়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক দায় থাকলেও চাঁদাবাজি, জমি দখল বা সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলনামূলক কম ছিল। সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নেও তারা একমত ছিল। সেই জায়গা থেকেই জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত আসে।

আগামীর সময়: বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল, পরে জামায়াতের সঙ্গে জোট হলো। এখন কি মনে হয় জোট গঠনের সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল?

সারজিস আলম: এখন পর্যন্ত আমরা মনে করি সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। কারণ, আমাদের এখন সংসদে প্রতিনিধিত্ব আছে। হয়তো ছয়জন এমপি, কিন্তু এর রাজনৈতিক প্রভাব অনেক বড়। যদি জোট না হতো, তাহলে হয়তো আমরা এক-দুটি আসন পেতাম, অথবা কোনো আসনই পেতাম না। একটি নতুন রাজনৈতিক দলের জন্য সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে নেতাকর্মীরা আস্থা পায়, স্বপ্ন দেখতে পারে, সাহস পায়। আমরা বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা করেছি। কিন্তু সংস্কার, সম্মানজনক আসন ভাগাভাগি— এসব বিষয়ে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাইনি। ফলে সেখানে জোটের প্রশ্ন আসেনি।

সার্জিস আলম। ছবি: সংগৃহীত

আগামীর সময় : এবার প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, সার্বিকভাবে আপনার মূল্যায়ন কী?

সারজিস আলম: নির্বাচনের দুদিন আগপর্যন্ত মাঠের পরিস্থিতি অনুযায়ী আমি অন্তত ২০ হাজার ভোটে জিততাম বলে মনে করি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের ভোট একদিকে গেছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোটও বড় অংশে প্রতিপক্ষ পেয়েছে। শেষ দুদিনে ভয়ভীতি ও টাকার খেলাও হয়েছে। তারপরও আমি প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ভোট পেয়েছি। আমি মনে করি বিএনপিরও ৩০-৪০ শতাংশ ভোট আমি পেয়েছি। মানুষ এখনো পঞ্চগড়ে গিয়ে বলে— ‘আমাদের আসল এমপি তুই।’

আগামীর সময়: আপনার হারের পেছনে প্রতিপক্ষের পারিবারিক ঐতিহ্য কাজ করেছে কি না? নির্বাচন নিয়ে আগামীতে কী পরিকল্পনা?

সারজিস আলম: না, আমি সেটা পুরোপুরি মনে করি না। পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারে। সেটা বড় প্রভাবক বলে আমি মনে করি না। আগামী পাঁচ বছর আমি মানুষের আরও কাছে যেতে চাই। ঘরে ঘরে যেতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, তখন মানুষ দল বা প্রতীকের বাইরে গিয়ে যোগ্য মানুষকে মূল্যায়ন করবে।

আগামীর সময়: ব্যক্তিগতভাবে রাজনীতির এ কঠিন পথচলায় আপনার শক্তির জায়গা কী?

সারজিস আলম: আমি বিশ্বাস করি, যদি আমি ন্যায়ের পক্ষে থেকে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করি, তাহলে সৃষ্টিকর্তাও সহায় হবেন, মানুষও পাশে থাকবে। অপপ্রচার হবে, বাধা আসবে কিন্তু আমরা সেটা মোকাবিলা করেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।

আগামীর সময়: বিবাহিত জীবনের আগে ও পরের জীবনে কী পরিবর্তন এসেছে?

সারজিস আলম: আগে পরিবারকেন্দ্রিক চিন্তা কম ছিল। এখন দায়িত্ব বেড়েছে, পরিবারের প্রতি টানও বেড়েছে। তবে এখনো রাজনীতিই প্রাধান্যে থাকে। দিনশেষে ঘরের প্রতি একটা আলাদা টান অনুভব করি।

আগামীর সময়: অভ্যুত্থানের নেতাদের অনেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এসেছে। আপনার বিরুদ্ধে এখনো দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। নিজেকে কীভাবে সামলে রাখছেন?

সারজিস আলম: বাংলাদেশের ক্ষমতার কাঠামো এমন যে, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির সুযোগ অনেক। কিন্তু আমি মনে করি, সৃষ্টিকর্তা খুব অল্প কিছু মানুষকে এমন সুযোগ দেন— একটি অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়ে দেশ গঠনের সুযোগ। আমি সেই সুযোগের সঙ্গে ইনসাফ করতে চাই। আমি সৎভাবে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু আয় করে জীবন চালাতে চাই। মানুষের ভালোবাসা ও সম্মানের মূল্য আমার কাছে অনেক বেশি। সেই জায়গাটাকেই আমি প্রাধান্য দিই।

আগামীর সময় : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

সারজিস আলম: আপনাকেও ধন্যবাদ। আগামীর সময়ের জন্য শুভকামনা।

    শেয়ার করুন:
    দুই ঘণ্টায় ওসিরে সরাইছি, সেনাবাহিনীর মেজরকে বদলাইছি

    দুই ঘণ্টায় ওসিরে সরাইছি, সেনাবাহিনীর মেজরকে বদলাইছি

    ০১ জুন ২০২৬, ২০:৩০

    উচ্ছেদের আড়াই মাস পর ফের বালিয়াড়ি সৈকতে ৪ শতাধিক দোকান

    উচ্ছেদের আড়াই মাস পর ফের বালিয়াড়ি সৈকতে ৪ শতাধিক দোকান

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:২৭

    বংশালে দোকানে আগুন, ৩ কর্মচারী দগ্ধ

    বংশালে দোকানে আগুন, ৩ কর্মচারী দগ্ধ

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:২৬

    ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের ছয় ব্যর্থতা

    ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের ছয় ব্যর্থতা

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:২২

    ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরে ছিনতাইকারীর কবলে যুবক, মোবাইল-টাকা লুট

    ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরে ছিনতাইকারীর কবলে যুবক, মোবাইল-টাকা লুট

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:১৭

    দীপেন দেওয়ানের মন্ত্রী পদে থাকা দরকার, মনে করেন সর্বমিত্র

    দীপেন দেওয়ানের মন্ত্রী পদে থাকা দরকার, মনে করেন সর্বমিত্র

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:০৯

    ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমাদের হারানো কঠিন হবে

    ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমাদের হারানো কঠিন হবে

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:০৭

    রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নজর কাড়ছে বিরল ফলসাগাছ

    রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নজর কাড়ছে বিরল ফলসাগাছ

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:০৪

    চারটি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছে ড. ইউনূসের সরকার

    চারটি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছে ড. ইউনূসের সরকার

    ০১ জুন ২০২৬, ১৫:০৩

    ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে অভিনেত্রী!

    ঘুমের ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে অভিনেত্রী!

    ০১ জুন ২০২৬, ১৪:৫৪

    পাখির জন্য আহম্মদ উল্ল্যাহ

    পাখির জন্য আহম্মদ উল্ল্যাহ

    ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৩

    ১০ আগস্টের মধ্যে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিল

    ১০ আগস্টের মধ্যে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিল

    ০৩ জুন ২০২৬, ০১:৫৬

    ঢাকার আলোচিত খুনের রহস্য জানেন মমতা!

    ঢাকার আলোচিত খুনের রহস্য জানেন মমতা!

    ০২ জুন ২০২৬, ২১:৪৮

    মাজারের কুমির যাচ্ছে সুন্দরবনে, সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের

    মাজারের কুমির যাচ্ছে সুন্দরবনে, সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের

    ০৩ জুন ২০২৬, ০০:৪৯

    বর্ষার শুরুতেই ২ থেকে ৩টি তাপপ্রবাহের শঙ্কা, তাপমাত্রা থাকবে বেশি

    বর্ষার শুরুতেই ২ থেকে ৩টি তাপপ্রবাহের শঙ্কা, তাপমাত্রা থাকবে বেশি

    ০২ জুন ২০২৬, ১৯:৪৯

    advertiseadvertise