বিশ্বকাপের আগে রাফিনিয়া
ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমাদের হারানো কঠিন হবে

পানামার বিপক্ষে বড় জয়ের স্মৃতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হবে ব্রাজিল। মারাকানায় ৬-২ গোলের বিশাল জয়ে সমর্থকরা যেমন আশায় বুক বাঁধছে তেমনি খেলোয়াড়রাও ফিরে পেয়েছে আত্মবিশ্বাস। সাম্প্রতিক সময়ে খুঁড়িয়ে চলা ‘সেলেসাও ফুটবল গাড়ি’ এবার ছুটতে শুরু করেছে। তাই রাফিনিয়াও আছেন বেশ ফুরফুরে মেজাজে।
বড় ব্যবধানে জয়ের পর বার্সা ফরোয়ার্ড বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে বেশ প্রস্তত মনে করছেন, ‘আজ আমার যে মানসিকতা, তাতে আমি নিজেকে মানসিক ও টেকনিক্যালি – দুই দিক থেকেই অনেক বেশি প্রস্তুত মনে করছি। এই জার্সির দায়িত্ব ও চাপ নেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত।’
ম্যাচের পর 'স্পোর্ত টিভি'কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাফিনিয়া শুধু নিজের সম্পর্কে বলেননি, দলের ভেতরকার পরিস্থিতি নিয়ে তার আলাদা মূল্যায়ন আছে। পানামার বিপক্ষে ম্যাচ নিজে গোল না পেলেও দারুণ খেলেছেন সতীর্থরা। ভিনিসিয়ুসের গোলে উৎসব শুরুর পর কাসেমিরো, রায়ান, পাকেতা, থিয়াগো, দানিলো গোল করেছেন। শেষের চারজনই গোল পেয়েছেন বদলি হয়ে খেলতে নেমে। সুতরাং দলের ভেতরেও শুরু হয়েছে একাদশে জায়গা করে নেওয়ার প্রতিযোগিতা।
তাই হয়তো গোল নিয়ে খুব সমস্যা দেখছেন না রাফিনিয়া। বরং রক্ষণ নিয়েই যেন তার মধ্যে দুশ্চিন্তা কাজ করছে, ‘রক্ষণে যদি নিজেদের গুছিয়ে নিতে পারি এবং সবাই মিলে রক্ষণভাগ সামাল দিতে পারি, তাহলে যে কোনো দলের পক্ষে আমাদের হারানো কঠিন হবে। এই দলে বিশ্বের সেরা ফরোয়ার্ডরা আছে, যারা নিজেদের ক্লাবে দুর্দান্ত খেলছে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে খেললে এবং পরস্পরকে সাহায্য করলে আমাদের হারানো খুব কঠিন হবে।’
ব্রাজিলের ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের ভেতর ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা ফেরানোর কাজ করছেন। রবিবার পানামার বিপক্ষে বড় জয়টি মারাকানায় উপস্থিত ৭৩ হাজারেরও বেশি দর্শক-সমর্থকের মনে আশার সঞ্চার করেছে। হেক্সা মিশন সফল করতে রাফিনিয়ারা গ্রানজা কোমারি ছেড়েছেন, তারপর মারাকানা রাঙিয়েছেন গোলে গোলে।
রাফিনিয়া আরও বলেন, ‘প্রস্তুতির শেষ ধাপটা দেশে নিজেদের সমর্থকদের সামনে শেষ করতে পারাটা দারুন ব্যাপার। আমরা যখন গ্রানজা কোমারিতে পৌঁছালাম তখন থেকেই মনে হচ্ছিল বিশ্বকাপের মধ্যেই আছি। আমাদের চারদিকে আসলে বিশ্বকাপের আবহ।’








