Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে সরোয়ার
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

পরিচয়বাদী রাজনীতিতে বিপন্ন কেরালার সামাজিক ঐক্য

শশী থারুর
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৩৪
পরিচয়বাদী রাজনীতিতে বিপন্ন কেরালার সামাজিক ঐক্য

শশী থারুর

নব্বইয়ের দশকে আমি বিশ্বাস করতাম, ভারত ধীরে ধীরে পরিচয়ের রাজনীতি থেকে কর্মদক্ষতার রাজনীতির দিকে ঝুঁকছে। আমার মনে হয়েছিল, ভোটাররা এখন যথেষ্ট পরিণত। তারা ‘আমরা কে’ তা দেখে নয়, বরং ‘সরকার কী কাজ করেছে’ তা দেখে ভোট দেবে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশ জুড়ে আবার পরিচয়ের রাজনীতির রমরমা শুরু হয়েছে। কেরালার মতো প্রগতিশীল রাজ্যেও গত নির্বাচনী প্রচারের সময় আমি এই একই প্রবণতা লক্ষ করেছি।

কেরালা বরাবরই কাজের নিরিখে রাজনীতি করার জন্য পরিচিত ছিল। উচ্চ সাক্ষরতার হার, শক্তিশালী জনকল্যাণমূলক ব্যবস্থা এবং বাম ও গণতান্ত্রিক জোটের পালাবদল- সব মিলিয়ে ছিল দেশের অন্যান্য রাজ্যের চেয়ে আলাদা। সেখানে জাতপাত বা ধর্মের চেয়ে শাসনব্যবস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন বেশি গুরুত্ব পেত। কিন্তু সেই গৌরব এখন ফিকে হয়ে আসছে। কেরালাও এখন ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা গোষ্ঠীভিত্তিক ভোটের রাজনীতির কবলে পড়ছে।

কেরালার এই বদলটি সূক্ষ্ম হলেও বেশ স্পষ্ট। প্রচারের ভাষায় এখন সরাসরি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভোট টানার চেষ্টা চলছে। উত্তর কেরালায় হিন্দু-মুসলিম মেরুকরণের খেলা চলছে। আবার মধ্য কেরালায় খ্রিস্টানদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, কংগ্রেস জিতলে মুসলিমদের আধিপত্য বাড়বে। প্রার্থীদের যোগ্যতার চেয়েও এখন বেশি দেখা হচ্ছে তারা কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা গরিব মানুষের উন্নয়নের বদলে এখন ধর্মীয় ও জাতিগত স্বার্থ বড় হয়ে উঠেছে।

কেরালার এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে বেশকিছু বড় কারণ রয়েছে। জাতীয় স্তরে বিজেপির উত্থান এবং হিন্দুত্বের রাজনীতি কেরালার চিরাচরিত সমীকরণ বদলে দিয়েছে। বিজেপিকে রুখতে বাম ও গণতান্ত্রিক জোটও এখন নিজেদের সাম্প্রদায়িক সময়ের ভোটব্যাংক পোক্ত করতে ব্যস্ত। বেকারত্ব বা মূল্যবৃদ্ধির মতো সমস্যার চেয়ে এখন ধর্মীয় পরিচয় দিয়ে ভোটারদের একজোট করা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সহজ উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ‘খ্রিস্টান-সংঘী’ বা ‘ক্রিসাংঘী’র মতো নতুন শব্দও তৈরি হয়েছে।

এর প্রভাব হবে মারাত্মক। কেরালা তার নিজস্ব সামাজিক সম্প্রীতি এবং প্রগতিশীল ঐতিহ্য হারাতে পারে। যখন রাজনীতি শুধু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর তোষণ বা প্রতীকী প্রতিনিধিত্বের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন প্রকৃত উন্নয়ন থমকে যায়। এখন যেকোনো সরকারি নীতিকেও ধর্মীয় চশমা দিয়ে বিচার করা হচ্ছে। কোন শিক্ষা নীতি ভালো কী মন্দ, তার চেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সেটি কোন বিশেষ সম্প্রদায়ের স্বার্থে লাগছে।

কেরালার এই পথ চলা আদতে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিরই প্রতিফলন। আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের ফলে যে পরিচয়বাদ মুছে যাওয়ার কথা ছিল, তা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। কেরালা কি তার জনকল্যাণমূলক রাজনীতির ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারবে, নাকি সাম্প্রদায়িক সময়ের উত্তেজনার স্রোতে গা ভাসাবে? উত্তরটা নির্ভর করছে সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর। বিভাজনের রাজনীতি ছেড়ে কেরালাকে আবার সেই পুরনো অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনের পথেই ফিরতে হবে। তবেই কেরালা তার স্বতন্ত্র পরিচয় রক্ষা করতে পারবে।

লেখক : লোকসভার এমপি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে অনূদিত

ভারতনির্বাচনকেরালাকেরালার রাজনীতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    দুই কিডনি ছিল অকেজো, মায়ের স্বপ্ন পূরণে মৃত্যুকে হারিয়ে জজ হলেন তাইজুল

    দুই কিডনি ছিল অকেজো, মায়ের স্বপ্ন পূরণে মৃত্যুকে হারিয়ে জজ হলেন তাইজুল

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্যসহ আটক অর্ধশতাধিক

    জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্যসহ আটক অর্ধশতাধিক

    তাদের জন্মই হয়নি তবু জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ

    তাদের জন্মই হয়নি তবু জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ

    বান্দরবানের ৪ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

    বান্দরবানের ৪ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

    বরিশালে নাশকতার বৈঠকের অভিযোগে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

    বরিশালে নাশকতার বৈঠকের অভিযোগে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

    মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, মামলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, মামলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    পুলিশে ‘ফ্যাসিবাদের’ চর, কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    পুলিশে ‘ফ্যাসিবাদের’ চর, কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    ঢাকার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, হাতবোমা বিস্ফোরণ

    ঢাকার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, হাতবোমা বিস্ফোরণ

    ভেরিফিকেশন নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই : মন্ত্রণালয়

    ভেরিফিকেশন নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই : মন্ত্রণালয়

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর