Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

নিরাপদ শৈশবের জন্য নর্ডিক দেশগুলো যা করে

অঞ্জন আচার্য
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮
নিরাপদ শৈশবের জন্য নর্ডিক দেশগুলো যা করে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সত্তরের দশকের শুরুতে সুইডেনে ঘটে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সৎবাবার শারীরিক নির্যাতনে মারা যায় এক শিশু। ঘটনাটি নাড়া দেয় পুরো দেশের বিবেককে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৯ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ঘরে ও বাইরে শিশুদের সব ধরনের শারীরিক শাস্তি আইন করে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে সুইডেন। শুধু আইন করেই ক্ষান্ত হয়নি দেশটির সরকার। তারা প্রতিটি দুধের প্যাকেটে, পোস্টারে ও প্রচার মাধ্যমে একটি স্লোগান লিখে দেয়: ‘আপনি কি জানেন শিশুদের মারধর করা এখন বেআইনি?’ এর মাধ্যমে শুরু হয় ইতিবাচক প্যারেন্টিং বা সন্তান লালন-পালনের প্রশিক্ষণ। এ ঘটনার পর থেকে সুইডেনে নাটকীয়ভাবে কমে যায় শিশুদের প্রতি সহিংসতার হার। বর্তমানে সুইডেনের এই মডেলটি অনুসরণ করে শিশুদের শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করেছে বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশ।

একটি শিশুর নিরাপদ শৈশব শুধু পরিবারের দায়িত্ব নয়, রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব। খাবার, শিক্ষা ও চিকিৎসার পাশাপাশি একটি শিশুর প্রয়োজন সহিংসতামুক্ত পরিবার, নিরাপদ বিদ্যালয়, খেলাধুলার সুযোগ, মানসিক বিকাশের পরিবেশ এবং নিজের কথা বলার অধিকার। বিশ্বের কয়েকটি দেশ এই অধিকারকে শুধু নীতির কাগজে রাখেনি, নিয়ে এসেছে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার কেন্দ্রে। নর্ডিক দেশগুলো তার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

শুরুতেই আসে নরওয়ের কথা। দেশটিতে শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থকে রেখেছে রাষ্ট্রীয় নীতির কেন্দ্রে। সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে শিশুর ব্যক্তিগত অখণ্ডতা, সুরক্ষা ও মতামতের অধিকার স্বীকৃত। দেশটির শিশুকল্যাণ ব্যবস্থা আগেই সহায়তা দেওয়ার ওপর জোর দেয় পরিবারকে। নির্যাতন বা চরম অবহেলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র নিজে হস্তক্ষেপ করে। ডিজিটাল জগতেও শিশু সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে নরওয়ে। ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমা আরোপের জন্য চলতি বছর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এরপর আসে সুইডেনের কথা। ১৯৭৯ সালে শিশুদের শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেশটি। সেখানে শিশুকে ‘শাসন’ করার নামে মারধরেরও আইনি সুযোগ নেই। শিশু অধিকার রক্ষায় রয়েছে স্বাধীন চাইল্ড ওমবুডসম্যান। পাশাপাশি ৪৮০ দিনের parental leave-এর মাধ্যমে নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে শিশুর প্রথম জীবনে বাবা-মায়ের অংশগ্রহণ।

এদিকে ফিনল্যান্ড গুরুত্ব দিয়েছে শিশুর মানসিক বিকাশ ও আনন্দময় শিক্ষাকে। সেখানে বাধ্যতামূলক শিক্ষা শুরু হয় সাত বছর বয়সে; ছয় বছর বয়সে রয়েছে pre-primary education। বিনামূল্যে শিক্ষা। সেই সঙ্গে শিশুর শেখার পরিবেশকে গুরুত্ব দেওয়া হয় পরীক্ষার চাপের চেয়ে বেশি। KiVa-র মতো anti-bullying কর্মসূচিও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।

‘KiVa’ নামটি ফিনীয় শব্দ ‘Kiusaamista Vastaan’ (যার অর্থ ‘বুলিংয়ের বিরুদ্ধে’)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ফিনল্যান্ড ছাড়িয়ে বর্তমানে এই প্রোগ্রামটি সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার স্কুলে। এটি স্কুলগুলোতে বুলিং বা সহপাঠীদের দ্বারা নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ফিনল্যান্ডের University of Turku-এর গবেষকদের তৈরি এই প্রোগ্রামটি দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২০০৭ সাল থেকে দেশব্যাপী চালু করা হয়। বর্তমানে এটি সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ইউরোপ ও বিশ্বের ২০টির বেশি দেশে।

বুলিংয়ের সময় আশপাশে থাকা দর্শক বা সহপাঠীদের আচরণই বুলিং বজায় রাখতে বা বন্ধ করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দর্শকদের সচেতন করা যাতে উৎপীড়ককে তারা সমর্থন না করে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ায়

KiVa কীভাবে সফল হলো, সেটি নিয়ে অল্প কথায় বলা যাক। বেশিরভাগ অ্যান্টি-বুলিং প্রোগ্রামে শুধু ভুক্তভোগী (Victim) এবং উৎপীড়ককে (Bully) কেন্দ্র করে পদক্ষেপ নেওয়া হতো। কিন্তু KiVa সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি বিশ্বাস করে, বুলিংয়ের সময় আশপাশে থাকা দর্শক বা সহপাঠীদের (Bystanders) আচরণই বুলিং বজায় রাখতে বা বন্ধ করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দর্শকদের সচেতন করা, যাতে উৎপীড়ককে তারা সমর্থন না করে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ায়, সেই সঙ্গে বুলিং প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা নেয়।

এবার আসা যাক আইসল্যান্ড প্রসঙ্গে। শিশু-কিশোরদের অপরাধ ও মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়িয়েছে দেশটি। শিশুদের বাইরে থাকার সময় নিয়েও রয়েছে বিধিনিষেধ। অর্থাৎ শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, শিশুর অবসর সময়কে ইতিবাচক কাজে যুক্ত করাকেও সুরক্ষার অংশ করা হয়েছে।

অন্যদিকে শিশুকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বদলে নিরাপদ স্বাধীনতার সুযোগ দেওয়ার ওপর জোর দেয় ডেনমার্ক। শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয় প্রকৃতি ও খেলাধুলাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে।

এই দেশগুলোর মডেলের সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতার ব্যবধানটি তাই বেশ স্পষ্ট। বাংলাদেশের আইন ও নীতিমালায় শিশু অধিকার সুরক্ষার নানা বি ধান রয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সংকট বাস্তবায়নে। ২০২৫ সালের বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভের (MICS) চূড়ান্ত তথ্য বলছে, এক মাসে কোনো না কোনো ধরনের সহিংস শাসনের শিকার হয়েছে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৮৫ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৯ দশমিক ২ শতাংশ শিশু শ্রমে যুক্ত। আর ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের ৪৭ দশমিক ২ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর হওয়ার আগেই। অর্থাৎ আইনের কাগজে শিশুর অধিকার যতটা সুরক্ষিত, বাস্তবে শৈশব ততটা নিরাপদ নয়।

কোনো শিশুকে মারধর করার পর মামলা করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এমন একটি পরিবার ও সমাজ তৈরি করা–যেখানে শিশুকে মারধর করার প্রয়োজন বা সামাজিক অনুমোদন কোনোটিই থাকবে না। একটি শিশু শ্রমিক হওয়ার পর তাকে উদ্ধার করা জরুরি। কিন্তু তার আগে দরকার এমন সামাজিক নিরাপত্তা, যাতে পরিবার তাকে কাজে পাঠাতে বাধ্য না হয়। বাল্যবিয়ের পর আইন প্রয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু তার আগেই দরকার শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সচেতনতার ব্যবস্থা। নর্ডিক দেশগুলোর সবচেয়ে বড় শিক্ষা এখানেই। তারা শিশু সুরক্ষাকে শুধু ‘অপরাধের পর বিচার’ হিসেবে দেখেনি। বরং পরিবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য, খেলাধুলা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তাকে একই কাঠামোর অংশ করেছে। বাংলাদেশেরও প্রয়োজন সেই প্রতিরোধমূলক দৃষ্টিভঙ্গি। বিদ্যালয়ে শারীরিক শাস্তি কার্যকরভাবে বন্ধ করা, পরিবারকে কাউন্সেলিং ও সামাজিক সহায়তা দেওয়া, শিশুশ্রম ও বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে থাকা পরিবার চিহ্নিত করা, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সেবা বাড়ানো এবং অনলাইন জগতে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, শিশুর শৈশব কোনো দয়া বা রাষ্ট্রীয় অনুগ্রহ নয়; এটি তার অধিকার। একটি শিশুর হারানো শৈশব কোনো আদালতের রায়ে ফেরানো যায় না। তাই শিশুকে রক্ষা করার সবচেয়ে কার্যকর সময় হলো নির্যাতনের পর নয়, নির্যাতনের আগেই।

 

লেখক: সহকারী বার্তা সম্পাদক, আগামীর সময়

 

নিরাপদ শৈশবনর্ডিক দেশচাঞ্চল্যকরনির্যাতননিষিদ্ধকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’,  ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’, ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী