Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় কলাম

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী

নিরাপত্তার খোঁজে অবিরাম পালানো যাদের জীবন

মো. বোরহানুল আশেকীন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৭:২৮
নিরাপত্তার খোঁজে অবিরাম পালানো যাদের জীবন

সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের পাহাড়ঘেরা ৩৩টি ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পে দিনের পর দিন কাটছে ১১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৫ রোহিঙ্গার। নোয়াখালীর ভাসানচরে আছেন আরও ৩৩ হাজার ৬৫৯ জন। ক্যাম্পের সরু গলি, বাঁশ-তাঁবুর ঘর আর অনিশ্চিত আগামী—এই নিয়েই তাদের জীবন। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে তারা ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী’; বাংলাদেশের কাছে তারা জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক। কিন্তু বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও সবচেয়ে বড় প্রশ্নটির উত্তর মেলেনি—তারা নিজ দেশে কবে ফিরবেন?
ক্যাম্পের বাইরে চলাচল সীমিত, কাজের সুযোগও অপ্রতুল। সবচেয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মের। যারা মিয়ানমার ছেড়েছে শৈশবে, তাদের অনেকেই এখন যৌবনে। আবার বাংলাদেশেই জন্ম নিয়েছে নতুন একটি প্রজন্ম। জন্ম বাংলাদেশে হলেও তাদের মনে একটাই পরিচয়—তারা রোহিঙ্গা, তাদের দেশ মিয়ানমার।
এই দেশহীনতার ইতিহাস অবশ্য নতুন নয়। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের কার্যত নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করে মিয়ানমার। আইনে বলা হয়, ১৮২৩ সালের আগে থেকে যেসব নৃগোষ্ঠী মিয়ানমারে বসবাস করছে, তারাই দেশটির নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হবে। অথচ তারও বহু আগে থেকে রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গা বা রাখাইন মুসলিমদের বসবাসের ইতিহাস থাকলেও সেটি উপেক্ষা করে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ১৩৫টি নৃগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও রোহিঙ্গারা থেকে যায় নাগরিকত্বের বাইরে।


নিরাপত্তার খোঁজে অবিরাম পালানো
নিজ দেশে নিরাপত্তাহীনতা কমেনি, বরং বহু মানুষের জন্য পালিয়ে যাওয়াই এখনও শেষ ভরসা। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিরাপত্তার খোঁজে মিয়ানমার ছেড়েছেন ৩ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে স্থলপথে পালিয়েছেন ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ জন এবং সমুদ্রপথে ২৯ হাজার ৫০০ জন।
এই পালানোর পথও নিরাপদ নয়। বেপরোয়া সমুদ্রযাত্রায় এ সময় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ১০০ মানুষ।
শুধু ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত মিয়ানমার ছেড়েছেন ১৫ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে স্থলপথে ৯ হাজার ৯০০ এবং সমুদ্রপথে ৫ হাজার ৮০০ জন। প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছাড়ার এই যাত্রায় প্রাণ গেছে আরও প্রায় ৮০০ মানুষের।
সমুদ্রপথে পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। ইউএনএইচসিআর বলছে, ২০২৬ সালে ১১৪টি নৌকায় করে ৫ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ মিয়ানমার ছাড়ার চেষ্টা করেছেন। বছরের প্রথম সাত মাসে সমুদ্রপথে পালানোর এই সংখ্যা ছিল সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশ ছাড়াদের প্রায় ৫৯ শতাংশই নারী ও শিশু। আর প্রায় ৭৮ শতাংশ মিয়ানমার ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার বিপজ্জনক সমুদ্রপথ ব্যবহার করেছেন।
স্থলপথেও পালানোর চেষ্টা থামেনি। ২০২৬ সালে আনুমানিক ৯ হাজার ৯০০ জন স্থলপথে মিয়ানমার ছেড়েছেন বা ছাড়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের প্রায় ৭৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ। ইউএনএইচসিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গারাও রয়েছেন, যারা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করেছেন কিন্তু পথে বাধাপ্রাপ্ত বা আটক হয়েছেন। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত স্থলপথে পালিয়ে আসাদেরও ৭৯ শতাংশ নারী ও শিশু।

একমাত্র সমাধান প্রত্যাবাসন, কিন্তু ফেরার পথ বন্ধ
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হিসেবে বাংলাদেশ বরাবরই প্রত্যাবাসনের কথা বলে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাও বলছে, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট নতুন করে ভয়াবহ রূপ নেওয়ার পর থেকে প্রত্যাবাসনের একাধিক উদ্যোগ হলেও একজন রোহিঙ্গাও নিজ দেশে ফেরেননি।
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ ও ১৯৯২ সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ জন রোহিঙ্গা। পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৯ জন নিজ দেশে ফিরে যান। এরপরও ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত কক্সবাজারের কুতুপালং ও নয়াপাড়া ক্যাম্পে ছিলেন ৩৩ হাজার ৫৪২ জন।
কিন্তু ২০১৭ সালের আগস্টের পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতা ও দমন-পীড়নের মুখে লাখো রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। সেই সংখ্যা এখন ১২ লাখের বেশি।
অর্থাৎ, প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বৈঠক হয়েছে, উদ্যোগ হয়েছে—কিন্তু বাস্তবে ফেরার পথ খোলেনি।

বিচার চান নির্যাতনের জীবন্ত সাক্ষীরা
কক্সবাজারের ক্যাম্পে বসবাস করা অনেক রোহিঙ্গার শরীরে এখনও নির্যাতনের চিহ্ন, মনে স্বজন হারানোর ক্ষত। কারও চোখের সামনে হত্যা করা হয়েছে পরিবারের সদস্যকে, কারও ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, কেউ হারিয়েছেন বাবা-মা, ভাইবোন বা সন্তান।
তাদের সবচেয়ে বড় দাবি—বিচার। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা বা জেনোসাইড চালানো হয়েছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অভিযোগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে, আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে গাম্বিয়া। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী পরিকল্পিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’-এর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জেনোসাইড চালিয়েছে।
শুনানি শেষে ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আইসিজে মিয়ানমারকে জেনোসাইড কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা মেনে চলা এবং রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়েছে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। কিন্তু ২৫ আগস্ট পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় বা আদেশ আসেনি।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত—আইসিসিতেও রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ নিয়ে তদন্ত চলছে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে আইসিসির প্রি-ট্রায়াল চেম্বার তদন্তের অনুমতি দিলেও সেই প্রক্রিয়া এখনও চলমান।
ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের কাছে এই দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার অর্থ একটাই—অপেক্ষা। বিচার হবে কি না, কবে হবে, অপরাধীরা শাস্তি পাবে কি না—এর কোনো নিশ্চিত উত্তর তাদের হাতে নেই।

অনুদানের ওপর টিকে থাকা জীবন
ক্যাম্পে থাকা লাখো মানুষের জীবন পুরোপুরি নির্ভরশীল আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার ওপর। খাবার, চিকিৎসা, শিক্ষা, আশ্রয়—সবকিছুর জন্য প্রয়োজন অর্থ। কিন্তু সেই সহায়তার তহবিলও দিন দিন অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।
২০২৬ সালের রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তার জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানে প্রয়োজন ধরা হয়েছে ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে পাওয়া গেছে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেক অর্থ এখনও পাওয়া যায়নি।
সবচেয়ে সংকটজনক খাদ্য নিরাপত্তার খাত। এ খাতে প্রয়োজন ২৪৭ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার, কিন্তু পাওয়া গেছে মাত্র ২১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে মোট প্রয়োজন ছিল ৯৩৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার। পাওয়া গিয়েছিল ৪৯৬ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার।
তহবিলের এই ঘাটতি শুধু সংখ্যার হিসাব নয়। এর অর্থ কমে যেতে পারে খাদ্য সহায়তা, সংকুচিত হতে পারে স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ, আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে ক্যাম্পের লাখো মানুষের প্রতিদিনের জীবন।

বিশ্ব চায় প্রত্যাবাসন, কিন্তু রাখাইনে ফেরার পরিবেশ কোথায়?
রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দাতা প্রতিষ্ঠান একটি কথাই বলছে—সমাধান মিয়ানমারেই। কিন্তু প্রত্যাবাসনের জন্য যে নিরাপত্তা, নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন দরকার, রাখাইন রাজ্যে সেই পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি।
বরং সেখানে সংঘাত আরও জটিল হয়েছে। রাখাইনের বড় অংশে মিয়ানমার সরকারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত। ফলে কবে সেখানে শান্তি ফিরবে, কবে রোহিঙ্গারা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবেন—সেই উত্তর কেউ দিতে পারছে না।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবস্থানও স্পষ্ট—প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছায়, নিরাপদভাবে এবং এমন পরিবেশে, যাতে ফিরে যাওয়ার পর আবার কাউকে প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছাড়তে না হয়।

‘বাংলাদেশ আমাদের আশ্রয় দিয়েছে, দেশ নয়’
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন বয়সী মানুষের সঙ্গে কথা বললে একটি কথা বারবার ফিরে আসে—তারা বিচার চান, নাগরিকত্ব চান, নিজেদের অধিকার নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরতে চান।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের ছিল ঘরবাড়ি, আবাদি জমি, দোকানপাট। ছিল একটি পরিচিত জীবন। কিন্তু সামরিক অভিযান, সহিংসতা ও সংঘাতের মধ্যে সেই জীবন হারিয়ে গেছে। ১৯৭৮ সালে ‘ড্রাগন কিং’ অভিযান থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালের সহিংসতা সেই দীর্ঘ ইতিহাসকে আরও ভয়াবহ এক অধ্যায়ে নিয়ে যায়।
সংবাদ সংগ্রহের কাজে কক্সবাজারের ক্যাম্পে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলার অভিজ্ঞতায় একটি বিষয় স্পষ্ট—প্রজন্ম বদলালেও তাদের প্রত্যাশা বদলায়নি। তরুণ থেকে প্রবীণ, সবার দাবি প্রায় একই: তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যায়ের বিচার হতে হবে এবং নিরাপদে ফিরতে দিতে হবে নিজেদের দেশে।
বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া অনেক তরুণও নিজেদের বাংলাদেশি মনে করেন না। তাদের বিশ্বাস, বাংলাদেশ তাদের বিপদের সময় আশ্রয় দিয়েছে, কিন্তু তাদের দেশ মিয়ানমার। এই আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতার কথাও তারা বারবার বলেন। তবু কৃতজ্ঞতার সঙ্গে মিশে থাকে দীর্ঘ অপেক্ষার কষ্ট।
রোহিঙ্গারা আজ আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে অসহায় জনগোষ্ঠীগুলোর একটি—যাদের জন্মভূমি আছে, কিন্তু নাগরিকত্ব নেই; ঘরে ফেরার স্বপ্ন আছে, কিন্তু ফেরার নিরাপদ পথ নেই; বিচার পাওয়ার দাবি আছে, কিন্তু বিচারের অপেক্ষা শেষ হয় না।
কক্সবাজারের ক্যাম্পে সন্ধ্যা নামে প্রতিদিনের মতোই। হাজার হাজার ঘরে জ্বলে আলো। সেই আলোয় পড়াশোনা করে একদল শিশু, কাজের স্বপ্ন দেখে একদল তরুণ, আর অপেক্ষায় থাকেন এমন মানুষ—যারা হয়তো জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজের বাড়িতে ফেরার আশাই ছাড়েননি।
তাদের কাছে প্রশ্নটি তাই শুধু কবে প্রত্যাবাসন হবে—এতটুকু নয়। প্রশ্নটি আরও গভীর—যে দেশে তাদের জন্ম, যে মাটিতে ছিল তাদের ঘরবাড়ি, যে রাষ্ট্র একদিন তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছে, সেই দেশ কি কোনো দিন আবার তাদের আপন করে নেবে?


লেখক: সাংবাদিক

    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    বঙ্গোপসাগরে ১৩ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫

    বঙ্গোপসাগরে ১৩ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৯

    ধর্ষণের শিকার শিশুটির সন্তানের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই

    ধর্ষণের শিকার শিশুটির সন্তানের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৪

    হাইকোর্টের রায়েও বহাল থাকবে হিটুর ফাঁসি, আশা আছিয়ার মায়ের

    হাইকোর্টের রায়েও বহাল থাকবে হিটুর ফাঁসি, আশা আছিয়ার মায়ের

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২০:১০

    ‘দুজন ইয়াবাখোর নাকি একে একে চারজনকে মারছে, এটা হয়!’

    ‘দুজন ইয়াবাখোর নাকি একে একে চারজনকে মারছে, এটা হয়!’

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫৫

    জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন

    জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৯

    জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভায় শফিকুর প্রধানমন্ত্রী, আযাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভায় শফিকুর প্রধানমন্ত্রী, আযাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪

    গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া বিরাট সতর্কবার্তা

    গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া বিরাট সতর্কবার্তা

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৩

    রিজার্ভে চাপ বাড়াচ্ছে রূপপুর, জ্বালানি খাতে ১২ ঝুঁকি

    রিজার্ভে চাপ বাড়াচ্ছে রূপপুর, জ্বালানি খাতে ১২ ঝুঁকি

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬

    আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

    আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯

    এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি অতিরিক্ত ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

    এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি অতিরিক্ত ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৩

    রোহিঙ্গা শিবিরে সাড়ে ৬ বছরে ২৪৭ হত্যাকাণ্ড

    রোহিঙ্গা শিবিরে সাড়ে ৬ বছরে ২৪৭ হত্যাকাণ্ড

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৩

    আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

    আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৯

    চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’

    চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১২

    সেই মাদ্রাসা শিক্ষককে ‘ডিএনএ পরীক্ষায়’ নির্দোষ বলেছিলেন সালমান মুক্তাদির

    সেই মাদ্রাসা শিক্ষককে ‘ডিএনএ পরীক্ষায়’ নির্দোষ বলেছিলেন সালমান মুক্তাদির

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২৫

    advertiseadvertise