Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের সেবায় মহেববুলের ৫৪ বছর
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিশ্লেষণ

এপস্টেইন অধ্যায় ভুলে যেতে চান  ট্রাম্প, আদৌ সম্ভব?

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৯
এপস্টেইন অধ্যায় ভুলে যেতে চান  ট্রাম্প, আদৌ সম্ভব?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প


যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত দুই মাসে জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে যৌন পাচার–সংক্রান্ত তদন্তের লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন চাইছেন দেশটি যেন এই বিষয় ছেড়ে সামনে এগিয়ে যায়—কিন্তু আদৌ কি তা সম্ভব?

যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানিয়েছেন, কংগ্রেসে গত নভেম্বরে পাস হওয়া একটি আইনের আওতায় বাধ্যতামূলকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা শেষ হয়েছে। এতে নতুন করে মামলা করার মতো কোনো কারণ পাওয়া যায়নি।

রোববার ব্ল্যাঞ্চ বলেন, এখানে বিপুল পরিমাণ চিঠিপত্র আছে। অসংখ্য ইমেইল আছে। অনেক ছবি আছে। কিন্তু সেগুলো কাউকে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করার সুযোগ দেয় না।

বিচার বিভাগের পর্যালোচনা শেষ হলেও, ক্যাপিটল হিলে প্রতিনিধি পরিষদ এপস্টেইন–সংক্রান্ত তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সাক্ষ্য দিতে ডাকা হয়েছে। রিপাবলিকানরা কংগ্রেস অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর তারা সাক্ষ্য দিতে রাজি হন।

এদিকে আরও কিছু নথি আছে যেগুলো প্রকাশ করা হয়নি বলে সেগুলো সামনে আনার দাবি জানাচ্ছেন কংগ্রেসের সদস্য ও এপস্টেইনের ভুক্তভোগীরা।

এ সবই আবারও দেখিয়ে দিচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো যারা স্পষ্টতই এই অধ্যায় থেকে সরে যেতে চান, তাদের জন্য এই গল্প ঝেড়ে ফেলা কতটা কঠিন হয়ে উঠেছে।

আপাতত, এই ঝড় থেকে দৃশ্যত কোনো স্থায়ী ক্ষতি ছাড়াই বেরিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

কিন্তু নথিতে এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের বিস্তারিত তথ্য যাদের ক্ষেত্রে বেশি উঠে এসেছে, আর যারা ২০০৮ সালে এপস্টেইন দণ্ডিত যৌন অপরাধী হওয়ার পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন, সেসব ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিষয়টি মোটেও একই রকম নয়।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সাবেক যুবরাজ অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন–উইন্ডসর, যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন এবং সাবেক মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি ল্যারি সামার্সের কথা। এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তাদের সবাইকে পেশাগত ও ব্যক্তিগত পরিণতির মুখে পড়তে হয়েছে।

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং প্রযুক্তি খাতের ধনকুবের ইলন মাস্কসহ আরও অনেকে প্রকাশিত নথিতে থাকা ইমেইল ও নিজেদের নাম থাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য হয়েছেন।

গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, তার মতে এখন ‘অন্য কিছুর দিকে দেশের এগিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে’।



এপস্টেইন–সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসা ট্রাম্প বলেন, আমার সম্পর্কে কিছুই বের হয়নি।

তবে বিষয়টি পুরোপুরি সঠিক নয়।

প্রকাশিত নথিতে ছয় হাজারেরও বেশি বার প্রেসিডেন্টের নাম এসেছে। এপস্টেইন এবং তার সহযোগীরা ঘন ঘন তাকে উল্লেখ করেছেন।

নিউইয়র্ক সিটি ও ওয়েস্ট পাম বিচের বাসিন্দা এই দুইজনের মধ্যে নব্বইয়ের দশকের বেশিরভাগ সময় জুড়েই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই হাজার সালের শুরুর দিকে গিয়ে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

গত ডিসেম্বরে প্রকাশ করা এমন এক ইমেইল ট্রাম্পের নাম বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

২০১১ সালে এপস্টেইনের সাথেই দণ্ডিত হন তার সহকারী গিসলেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে পাঠানো এক ইমেইলে এপস্টেইন লেখেন, আমি চাই তুমি বুঝতে পারো যে নথিতে ট্রাম্পের না থাকাটাই একটা সংকেত। (ভুক্তভোগী) তার সঙ্গে আমার বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছে, তবু তার নাম একবারও আসেনি।

শেষ দফায় প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে বিচার বিভাগ এফবিআইয়ের যাচাই না করা কিছু তথ্যসূত্রের তালিকাও প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ২০১৬ সালের কিছু তথ্য রয়েছে—যে সময় ট্রাম্প তার প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারের মাঝপথে ছিলেন।

ওই তালিকায় ট্রাম্প, এপস্টেইন এবং আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের বহু অভিযোগ রয়েছে।

এই এফবিআই তথ্যসূত্রের অনেকগুলোর সঙ্গেই কোনো সহায়ক প্রমাণ ছিল না। শনিবার সেগুলোও সাময়িকভাবে বিচার বিভাগের নথি–ওয়েবসাইট থেকে উধাও হয়ে যায়, যা কিছু মহলে প্রেসিডেন্টকে রক্ষায় বিভাগটি কাজ করছে- এই ধারণাকে আরও উসকে দেয়।



ওই নথিগুলোর বিষয়ে বিচার বিভাগ জানায়, কিছু নথিতে ২০২০ সালের নির্বাচনের ঠিক আগে এফবিআইয়ের কাছে জমা দেওয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অসত্য ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। যদি এর সামান্যতম বিশ্বাসযোগ্যতাও থাকত, তবে এত দিনে অবশ্যই সেগুলোকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

নতুন করে ট্রাম্পের কয়েকটি ছবি প্রকাশ পেলেও, সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে জনসমক্ষে থাকা ছবি ও ভিডিওগুলোর চেয়ে নতুন কিছু ছিল না।

আর ইমেইল ব্যবহারে বিরত থাকার কারণে বিখ্যাত ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এপস্টেইনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের কোনো নথিভুক্ত প্রমাণও নেই। নতুন তথ্যের কোনোটিই ট্রাম্পের এই দাবিকে খণ্ডন করে না যে এপস্টেইনের সাথে তার বন্ধুত্ব ২০০৪ সালের দিকে শেষ হয়ে গিয়েছিল।

সবচেয়ে কাছাকাছি যে বিষয়টিকে রাজনৈতিক বিস্ফোরণ বলা যেতে পারে, সেটি হলো ২০০২ সালে এপস্টেইনের জন্মদিন উপলক্ষে একটি বইয়ের জন্য ট্রাম্প নাকি অশালীন ও ইঙ্গিতপূর্ণ একটি নোট লিখেছিলেন। এটি আবার সরকারের পক্ষ থেকে নয়, বরং প্রকাশ করা হয়েছে এপস্টেইন এস্টেটের মাধ্যমে।

ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শক্ত প্রমাণের অভাবের অর্থ হতে পারে—বিচার বিভাগ ইচ্ছাকৃতভাবে তার অপরাধের নথি গোপন করেছে।

সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার এক বিবৃতিতে লিখেছেন, আপনি বলছেন সব নথি প্রকাশ করা হয়েছে। তার মধ্যে কি সহযোগী ষড়যন্ত্রকারীদের সব মেমো, করপোরেট সুরক্ষা–সংক্রান্ত মেমো, পাম বিচ পুলিশ বিভাগের মূল প্রতিবেদনসহ সবকিছুই আছে?

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ট্রাম্প শব্দটির উল্লেখ থাকা সব নথি কি প্রকাশ করা হয়েছে?

এপস্টেইনের এক ভুক্তভোগী লিসা ফিলিপস বিবিসিকে বলেন, এপস্টেইন–সংক্রান্ত বিষয়ে বিচার বিভাগের পদক্ষেপে তিনি এবং অন্যান্য জীবিত ভুক্তভোগীরা সন্তুষ্ট নন। এই বিভাগ আমাদের তিনটি দাবির সবই লঙ্ঘন করেছে। প্রথমত, অনেক নথি এখনও প্রকাশ করা হয়নি। দ্বিতীয়ত, যে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা বহু আগেই পেরিয়ে গেছে। আর তৃতীয়ত, বিচার বিভাগ অনেক ভুক্তভোগীর নাম প্রকাশ করেছে—যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের মনে হচ্ছে তারা আমাদের সঙ্গে কোনো খেলা খেলছে, কিন্তু আমরা লড়াই থামাবো না।

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এপস্টেইন–সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশে অনীহার কারণে ট্রাম্প-সমর্থকদের মধ্যে জমা হওয়া যে ক্ষোভ ও হতাশা ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য সম্ভবত সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে উঠেছিল, নতুন প্রকাশিত নথিপত্রের সাথে সাথে তা কিছুটা কমে এসেছে বলে মনে হচ্ছে।

সাবেক কংগ্রেসওম্যান মার্জোরি টেলর গ্রিনের মতো কিছু সমালোচক এখনো প্রেসিডেন্টের নিন্দা করে গেলেও, 'মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' ঘরানার বড় একটি অংশ এপস্টেইন–সংক্রান্ত খবর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছে। তাদের মনোযোগ এখন বিভক্ত মিনিয়াপোলিসে চলমান অস্থিরতা এবং ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে এফবিআইয়ের তদন্তসহ অন্যান্য শিরোনামধর্মী ঘটনায়।

তবে তার মানে এই না যে গল্প এখানেই শেষ।

আইনি বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে ডেমোক্র্যাটরা প্রকাশিত বহু নথির সম্পূর্ণ, অসম্পাদিত সংস্করণ দেখার দাবি তুলেছেন। আর ক্লিনটন দম্পতির সাক্ষ্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের আলোড়ন তুলতে পারে।

বিচার বিভাগের বাইরে নতুন কোনো তথ্য প্রকাশ পেলেও জনমনে আবার আগ্রহ জন্মাতে পারে।

তবে সম্ভবত আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নভেম্বরের মধ্যবর্তী জাতীয় নির্বাচনে কংগ্রেসে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে ট্রাম্প ও অন্যান্য রিপাবলিকানদের সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার বিষয়ে একই ধরনের সমন জারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটররা।

প্রেসিডেন্ট যতই জোর দিয়ে বলুন না কেন যে জাতির এখন এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে, এপস্টেইনের মৃত্যুর বহু বছর পরও এই কাহিনি প্রমাণ করছে—এটি এখনো ফুরিয়ে যায়নি।


বিবিসি থেকে অনূদিত

ডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রজেফরি এপস্টেইনএপস্টেইন ফাইলস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র-ওয়াকিটকি ফেলে পালাল বিএসএফ

    বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্র-ওয়াকিটকি ফেলে পালাল বিএসএফ

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৭

    জামায়াত এমপি শাহজাহানের ‘পিএস’ নিয়ে অস্থির প্রশাসন

    জামায়াত এমপি শাহজাহানের ‘পিএস’ নিয়ে অস্থির প্রশাসন

    ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৮

    এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

    এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৮

    তোমরা লেখবা, আমরা তোমাদের পিটাব— সাংবাদিকদের যুবদল নেতা

    তোমরা লেখবা, আমরা তোমাদের পিটাব— সাংবাদিকদের যুবদল নেতা

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪৪

    সীতাকুণ্ডে সাঁকো পার হয়ে যেতে হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, নেই জনবল

    সীতাকুণ্ডে সাঁকো পার হয়ে যেতে হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, নেই জনবল

    ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২১

    পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন নিয়ে দুই এমপির বাগবিতণ্ডা

    পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন নিয়ে দুই এমপির বাগবিতণ্ডা

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ২২:৪৮

    নাগরিকত্ব প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি উত্তর চায় টিআইবি

    নাগরিকত্ব প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি উত্তর চায় টিআইবি

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ২০:৪৭

    শেয়ারবাজারে টানা দরপতনের ঘটনায় মানববন্ধন, বিনিয়োগকারীদের ৫ দাবি

    শেয়ারবাজারে টানা দরপতনের ঘটনায় মানববন্ধন, বিনিয়োগকারীদের ৫ দাবি

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৪

    কুয়েটের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি

    কুয়েটের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩০

    যে বিচারে অবিচার

    যে বিচারে অবিচার

    ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৯

    বালিশের পর পর্দা, এরপর কী

    বালিশের পর পর্দা, এরপর কী

    ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৯

    তাহলে সেই ফুলের অর্থ কী?

    তাহলে সেই ফুলের অর্থ কী?

    ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৯

    সেফটি বাল্বে আটকে রূপপুর

    সেফটি বাল্বে আটকে রূপপুর

    ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৬

    যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নতুন হাই কমিশনার আব্দুল মুহিত

    যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নতুন হাই কমিশনার আব্দুল মুহিত

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ২০:২২

    সব মহানগরে আসছে মেট্রোরেল

    সব মহানগরে আসছে মেট্রোরেল

    ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪

    advertiseadvertise