‘অভিবাসন নীতিতে ব্যর্থ পর্তুগাল সরকার’

সংগৃহীত ছবি
অভিবাসন নীতিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পর্তুগালের বৃহত্তম অভিবাসী সংগঠন সলিদারিয়েদাদ ইমিগ্রান্তের সভাপতি তিমোতেও মাসেদো। তিনি বলছেন, বর্তমান সরকার বাস্তবতা ও দেশের প্রকৃত চাহিদা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং নিয়ন্ত্রিত অভিবাসন প্রোটোকলের মতো ‘অকার্যকর পথ’ বেছে নিচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, অর্থনীতিতে সরবরাহ ও চাহিদাই অভিবাসন প্রবাহ নির্ধারণ করে, তাই এ প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম লুসাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিমোতেও মাসেদো এসব কথা বলেন।
তিমোতেওর অভিযোগ, অনিয়মিত অভিবাসন মোকাবিলা এবং অভিবাসনের পথ খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে চালু হওয়া নিয়ন্ত্রিত শ্রম অভিবাসন সহযোগিতা প্রোটোকল বাস্তবে কার্যকর হয়নি। তিনি বলছেন, সরকারি অভিবাসন নীতিগুলো ‘কার্যত ব্যর্থ’ হয়েছে। তাঁর দাবি, ‘মানুষ সেখানে পৌঁছাতে পারছে না’ এ কারণেই নিয়ন্ত্রিত অভিবাসন মডেলটি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে।
পর্তুগাল সরকার বুধবার জানায়, এই প্রোটোকলের আওতায় ব্যবসায়িক সমিতিগুলোর পক্ষ থেকে জমা পড়া ৫ হাজার ১৮৩টি আবেদনের মধ্যে ৩ হাজার ৩২৮টি ভিসা ইতিমধ্যে অনুমোদন করা হয়েছে। তবে মাসেদোর দাবি, এই সংখ্যা দেশের প্রকৃত শ্রম-চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
তিনি বলছেন, অনেকেই সন্দেহজনক সেবার জন্য ২২ হাজার ইউরো পর্যন্ত ব্যয় করছেন। তাঁর অভিযোগ, নানা কারণে মানুষ আটকে যাচ্ছে, অন্যদিকে কোম্পানিগুলোতে কর্মী সংকট তৈরি হচ্ছে। তাঁর মতে, সরকার কার্যকর নীতি না নেওয়ায় কিছু প্রতিষ্ঠান টিকে থাকতে অবৈধ বা গোপন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।
এদিকে প্রেসিডেন্সি ও অভিবাসনবিষয়ক রাষ্ট্রীয় সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা পত্রিকাটিকে জানান, এই প্রোটোকল সম্পর্কে সরকারের মূল্যায়ন ‘ইতিবাচক’। তাঁর মতে, সাফল্য ভিসার সংখ্যা দিয়ে নয়, বরং প্রায় ২১ দিনের মধ্যে কোম্পানির চাহিদা পূরণে রাষ্ট্রের সক্ষমতা এবং ব্যবস্থাটির ক্রমবর্ধমান চাহিদা দিয়ে মাপা উচিত।

