আগামীর সময়

পর্তুগালে জাল নথিতে শিশু পাচার, সন্দেহের তালিকায় বাংলাদেশিরা

পর্তুগালে জাল নথিতে শিশু পাচার, সন্দেহের তালিকায় বাংলাদেশিরা

সংগৃহীত ছবি

পর্তুগালে জাল নথিপত্র ব্যবহার করে শিশু পাচারকারীর একটি সুসংগঠিত চক্রের সন্ধান পেয়েছে দেশটির তদন্তকারী সংস্থাগুলো। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে কিছু বাংলাদেশির সম্পৃক্ততার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে অ্যাঙ্গোলা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধভাবে পর্তুগালে প্রবেশ করানোর অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি অন্যের সন্তানকে নিজের সন্তান পরিচয়ে জাল নথিপত্র ব্যবহার করে ইউরোপে প্রবেশ করাতেন। একইসঙ্গে জাল কাগজপত্রে ভ্রমণের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির তথ্য নিয়েও কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্ত ওই নারীকে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বর্তমানে তিনি প্রাক-বিচার আটক অবস্থায় রয়েছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস তার বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তার ১৬টি, নথি জালিয়াতির ১৩টি এবং অন্যের পরিচয় বা ভ্রমণ নথি ব্যবহার করে জালিয়াতির ৪টি অভিযোগ দায়ের করেছে।

তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মে থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত এই চক্রটি সক্রিয় ছিল। একটি সংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত নারী মূলত অ্যাঙ্গোলা থেকে নাগরিকদের পর্তুগালের মাধ্যমে ইউরোপের শেঞ্জেন অঞ্চলে প্রবেশের সুযোগ করে দিতেন।

এই প্রক্রিয়ায় চক্রটি পর্তুগিজ-অ্যাঙ্গোলান নাগরিকদের পরিচয় ব্যবহার করত এবং লুয়ান্ডায় অবস্থিত পর্তুগিজ কনস্যুলার সার্ভিস থেকে ইস্যুকৃত অস্থায়ী ভ্রমণ নথিও অপব্যবহার করত। প্রতিটি অনুপ্রবেশের জন্য তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা) পর্যন্ত আদায় করত।

তবে এই অর্থের মধ্যে বিমান ভাড়া অন্তর্ভুক্ত ছিল না, তা আলাদাভাবে বহন করতে হতো গ্রাহকদের।

    শেয়ার করুন: