Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
দুর্ঘটনা থেকে বাঁচালেন ক্যাপ্টেন আসিফ
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

৮৬ হাজার নামজারি আটকে সফটওয়্যার বিড়ম্বনায়

মেহেদী হাসান মাসুদ
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১৫:৪৯
৮৬ হাজার নামজারি আটকে সফটওয়্যার বিড়ম্বনায়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার পারুলিয়া মৌজার বাসিন্দা। এসএ খতিয়ানে ২৬ শতাংশ থাকলেও বিএস রেকর্ডে আছে ৩ শতাংশ। রেকর্ড সংশোধনে দিনেশ মাতুব্বর ঘুরেছেন তো ঘুরছেনই।

না, দিনেশকে স্থানীয় ভূমি অফিসের লোকজন ঘোরাচ্ছে না; তার সংশোধনটুকু আটকে আছে সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতায়। দিনেশ কি অত কিছু বোঝেন? আজ এ অফিস, কাল ওই অফিস, এই টেবিল থেকে ওই টেবিলে ছোটেন। এভাবে অন্তহীন ছুটে চলার নামই ভূমি অফিস। যন্ত্রের জন্য, অকেজো কাগজপত্র, উপরি টাকার লালসা আর লাল ফিতার ফাঁসে হাঁসফাঁস করে দিনেশদের জীবন।

উপজেলা ভূমি অফিস থেকে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ম্যানুয়াল আদেশ দেওয়া হলেও অনলাইনে আবেদন করতে গেলে বারবার দেখাচ্ছে, ‘খতিয়ান থেকে নামজারি করা হয়েছে বিধায় সংশোধনী আবেদন সম্ভব নয়।’ অর্থাৎ ম্যানুয়াল অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও তিনি অনলাইনে খতিয়ান সংশোধন আবেদন জমা দিতে পারছেন না। আর অনলাইনে খতিয়ান সংশোধন না হলে সেখান থেকে নামজারি করাও সম্ভব না।

একই জটিলতায় আটকে আছেন বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের মোয়াজ্জেম হোসেনও।

এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপনের দৃষ্টি কাড়া হয়। তার কণ্ঠে আরও হতাশা, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের সফটওয়্যার (ডিজিটাল ল্যান্ড রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) সিস্টেমে এর সমাধান দেওয়ার মতো অপশন তৈরি হয়নি। জেনেছি, এটি প্রক্রিয়াধীন। তবে কবে ঠিক হবে, সেটি আমরাও জানি না।’

মধুখালীর সাজ্জাদ হোসেন বকশীপুর মৌজার দুটি দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করতে চান। একটি সাফ কবলা দলিল, অন্যটি এওয়াজ বা বিনিময়। দোকান থেকে অনলাইন আবেদন করতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, একই আবেদনে দুটি ভিন্ন দলিলের ধরন নির্বাচন করার সুযোগ নেই। ফলে তাকে আলাদাভাবে দুটি আবেদন করতে হবে, অর্থাৎ একই জমির জন্য গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ ফি।

সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ওয়েবসাইটের অপশন বা সফটওয়্যার ডিজাইন বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কোনো হাত নেই।

দিনেশ মাতুব্বর বা সাজ্জাদ হোসেনেরই শুধু এই ভোগান্তি না; এই অভিজ্ঞতা এখন অন্যদেরও। ভূমি মন্ত্রণালয়ের বহুল আলোচিত অটোমেশন প্রকল্প চালুর কয়েক বছর পরও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা এমন বহু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতায় আটকে আছেন। ডেটা অসামঞ্জস্য এবং সার্ভার সমস্যা তো আছেই। এসব অনেক ক্ষেত্রে সেবাপ্রাপ্তিকে সহজ করার বদলে আরও জটিল করে তুলছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দিনেশ মাতুব্বর বা সাজ্জাদ হোসেনের মতো প্রায় ৮৬ হাজার ভুক্তভোগীর নামজারি মাসের পর মাস আটকে আছে সফটওয়্যার বিড়ম্বনায়। এই তথ্য দিচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নামজারি ওয়েবসাইট।

অথচ মাত্র ২৮ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা। সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবে সব আবেদন ওই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খতিয়ান অনলাইনে না থাকা, আবেদনপত্রে তথ্যগত ভুল, জমির সঙ্গে সরকারি জমির স্বত্ব বা মালিকানা জড়িত আছে কি— এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করতে অতিরিক্ত সময় লাগে। এ ছাড়া সার্ভারজনিত সমস্যা ও প্রযুক্তিগত জটিলতা তো আছেই।

২০২০ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয় ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প। লক্ষ্য ছিল ঘরে বসেই নামজারি, খাজনা পরিশোধ, খতিয়ান সংগ্রহসহ ভূমি-সংক্রান্ত সেবা নিশ্চিত করা। বর্তমানে দেশের ৫১৬টি উপজেলা ও সার্কেল ভূমি অফিস এবং ৩ হাজার ৪৬৭টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ই-নামজারি কার্যক্রম চালু রয়েছে। অনলাইনে রয়েছে ৬ কোটি ৫০ লাখের বেশি খতিয়ান এবং প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ হোল্ডিংয়ের তথ্য ডিজিটাল ডেটাবেজে রূপান্তর করা হয়েছে।

কাগজে-কলমে এটি দেশের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বলছে, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এখনো বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

ভূমি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভূমি সেবার জন্য বর্তমানে মূলত তিনটি আলাদা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হয়— ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর এবং ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম (ডিএলআরএমএস)। বর্তমানে এই তিনটি সিস্টেমকে সমন্বিত করা হলেও এগুলোর প্রাথমিক নকশা ও ডেটার কাঠামো ছিল ভিন্ন ভিন্ন। ফলে পরে একীভূত করার সময় দেখা দিয়েছে অসংখ্য জটিলতা।

ই-নামজারির পুরনো সংস্করণে জমির পরিমাণ শতাংশে দশমিকসহ লেখা হতো। পরে তা পরিবর্তিত হয়ে দশমিক ছাড়াই শতাংশ, অযুতাংশ হিসেবে করা হয়। বর্তমানে আবার একরে লেখা হচ্ছে। ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলায় অবশ্য শুরু থেকেই জমি শতাংশে লেখা হয়। বালিয়াকান্দি ভূমি অফিসে একজন ভুক্তভোগী এই প্রতিবেদককে প্রশ্ন করেন, কর্মকর্তারা কি ভেবেছেন, তাদের মতো আমরা সবাই একর-শতক-অযুতাংশ দেখামাত্রই রূপান্তর করে বুঝতে পারি?

এদিকে, পূর্ববর্তী সংস্করণে তৈরি বহু খতিয়ানের তথ্য নতুন সিস্টেমে সঠিকভাবে আত্তীকৃত হয়নি এখনো। বিশেষ করে দশমিকসহ তৈরি করা ই-নামজারি খতিয়ানগুলো ডিএলআরএমএস সিস্টেমে এখনো সঠিকভাবে আসে না। জমির পরিমাণ বদলে যায়। আর নামজারি প্রস্তাব দেওয়ার আগে এই ভুল সংশোধন করতেই হয়। এর জন্য ধরনা দিতে হয় ভূমি অফিসের ডেস্ক থেকে ডেস্কে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ডিএলআরএমএসে তথ্য খুঁজে পাওয়া যায় না, যদিও খতিয়ানটি অনলাইনেই সৃষ্ট।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট খতিয়ান এন্ট্রি বা সংশোধনের জন্য নতুন করে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, সার্ভেয়ার/কানুনগো এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) পর্যায়ের অনুমোদনের পর সংশোধন সম্পন্ন হয়। এতে নাগরিকের কোনো দায় না থাকলেও তাকে অতিরিক্ত সময় ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সার্ভার সমস্যার চেয়েও বড় সমস্যা হচ্ছে সিস্টেমের ভেতরের কাঠামোগত অসামঞ্জস্য। অনেক ক্ষেত্রে সফটওয়্যার পুরনো ডেটার সঙ্গে নতুন ডেটার সামঞ্জস্য করতে পারে না। ফলে আবেদন আটকে যায় কিংবা ম্যানুয়াল সংশোধনের প্রয়োজন হয়। সাপোর্ট টিমের সাড়া আশাব্যঞ্জক নয়। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বলেও সমাধান পাওয়া যায় না। বারবার একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, অথচ তার স্থায়ী কোনো সমাধান নেই। সাপোর্ট টিম প্রতিটি সমস্যার আলাদা সমাধান দেয়, কিন্তু সমস্যার উৎপত্তি বন্ধে পদক্ষেপ নেয় না। অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান দিতেও পারেন না তারা।

মোট প্রক্রিয়াধীন আবেদন

৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪১টি, সার্বিক গড় মঞ্জুরির হার প্রায় ৬৫.১। যশোর সদর উপজেলায় বর্তমানে সাড়ে ৯ হাজার নামজারি আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে। এর মধ্যে ৭৩ শতাংশ আবেদন ২৮ দিনের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে, যা দেশের মধ্যে অন্যতম বড় জট সৃষ্টি করেছে।

যশোর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম হোসাইন আগামীর সময়কে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, একটি নামজারি আবেদন অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। দীর্ঘসূত্রতার প্রধান দুটি কারণ হলো, আগে থেকে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমে থাকা এবং অনলাইন সার্ভারের ধীরগতি। অনেক সময় সার্ভারের কারণে একটি আবেদন প্রক্রিয়াকরণেই দীর্ঘ সময় লেগে যায়। তবে আমরা দ্রুত নামজারি নিষ্পত্তির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সবচেয়ে বেশি জট রয়েছে খুলনা বিভাগে। সেখানে প্রায় ৭৪ হাজার আবেদন ঝুলে আছে, বিভাগটিতে ৩৯ শতাংশ আবেদনই ২৮ দিনের ঊর্ধ্বে গিয়েছে। সাতক্ষীরায় ২৮ দিনের বেশি অনিষ্পন্ন আবেদন সর্বাধিক ৪৬ শতাংশ।

ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প, ভূমি মন্ত্রণালয় সিস্টেম অ্যানালিস্ট এস এম আশিকুল ইসলাম বলেছেন, এটি অনেক বড় পরিসরের একটি বিষয়। সার্ভার জটিলতা নিরসনে আমরা সবসময়ই কাজ করি। ভূমি করের কারণে কয়েক দিন কিছুটা ধীরগতি ছিল। ওপর থেকে যেসব নির্দেশনা আসে, সেগুলো মূলত বাস্তবায়ন করা হয়।

এ বিষয় নিয়ে এই প্রতিবেদকের চারজন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সঙ্গে কথা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, অফিস সময়ের মধ্যে প্রায়ই সার্ভার অকার্যকর হয়ে পড়ে। কখনো আবেদন খোলে না, কখনো অনুমোদনের অপশন কাজ করে না, আবার কখনো একাধিকবার একই কাজ আবার করতে হয়। ছুটির দিনেও স্বাভাবিকভাবে কাজ করা যায় না। ডিজিটাল ভূমি সেবার সাফল্য শুধু ওয়েবসাইট চালু করা বা তথ্য অনলাইনে তোলার ওপর নির্ভর করে না। ডেটার মান, সফটওয়্যার আর্কিটেকচার, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ সমান গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় শতকোটি টাকার প্রকল্পও কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে পারে না।

তাদের কথা অনুসারে, বর্তমানে একজন সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) একটি নামজারি সম্পন্ন করতে প্রায় ১৩ ক্লিক করতে হয়। কিন্তু বাস্তবে খুব কম ক্ষেত্রেই পুরো প্রক্রিয়া একটানা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
ভূমি সেবাসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা পারভেজ মিয়া জানান, অনেক সময় আবেদন ফি জমা দেওয়ার পরও সার্ভার ত্রুটির বার্তা আসে। আবার কখনো প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করার পর তা সিস্টেমে আর দেখা যায় না। এতে নতুন করে আবেদন করতে হয় অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ কোর্ট ফি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।

ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আতাউর রাব্বী বললেন, সমস্যাগুলো আপনার মাধ্যমে জানলাম। আমি সিস্টেম অ্যানালিস্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আগামীর সময়কে বলেছেন, ভূমি সেবা আরও সহজ ও দ্রুত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যেসব এলাকায় নামজারিতে দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে, সেগুলোর জট নিরসনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বললেন, অটোমেশন প্রকল্পের মাধ্যমে নাগরিকরা যাতে সহজে ও স্বল্প সময়ে ভূমি সেবা পান, সে লক্ষ্যেই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না, হবেও না। সিস্টেমে কোনো ধরনের জটিলতা বা ত্রুটি থাকলে তা দ্রুত দূর করা হবে। পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট সমস্যার তথ্য জানালে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সফটওয়্যার বিড়ম্বনানামজারিরাজবাড়ী
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    সুপার-সাব মেরিনোর গোলে সেমিফাইনালে স্পেন

    সুপার-সাব মেরিনোর গোলে সেমিফাইনালে স্পেন

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০০:১২

    স্কালোনির কি মনে আছে পোজ্জোর রেকর্ড!

    স্কালোনির কি মনে আছে পোজ্জোর রেকর্ড!

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৭

    গিট্টু, বাঘা, বাউল, পারুলদের সঙ্গে মুস্তাফা মনোয়ার স্মরণ

    গিট্টু, বাঘা, বাউল, পারুলদের সঙ্গে মুস্তাফা মনোয়ার স্মরণ

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০০:১৪

    আর কয়দিন থাকবে বৃষ্টিবলয় ‘ধারা’, জানা গেল পূর্বাভাসে

    আর কয়দিন থাকবে বৃষ্টিবলয় ‘ধারা’, জানা গেল পূর্বাভাসে

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫২

    মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা-ভাঙচুর, সেই রিয়াজ কারাগারে

    মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা-ভাঙচুর, সেই রিয়াজ কারাগারে

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২

    সস্তা গল্প বানালে দর্শক বুঝে ফেলে

    সস্তা গল্প বানালে দর্শক বুঝে ফেলে

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৪

    দুর্ঘটনা থেকে বাঁচালেন ক্যাপ্টেন আসিফ

    দুর্ঘটনা থেকে বাঁচালেন ক্যাপ্টেন আসিফ

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮

    রাশিয়াকে রুখতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ৪ সিনেটরের সমঝোতা

    রাশিয়াকে রুখতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ৪ সিনেটরের সমঝোতা

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৮

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১১ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১১ জুলাই)

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩

    সরকার মানে একটা বড় এনজিও

    সরকার মানে একটা বড় এনজিও

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১

    জন্মদিনের উপহার পেয়ে...

    জন্মদিনের উপহার পেয়ে...

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩

    আরও ভয়ংকর বর্ষার মুখোমুখি কক্সবাজার

    আরও ভয়ংকর বর্ষার মুখোমুখি কক্সবাজার

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:২০

    রাজার হালে মুম্বাইয়ে হাসানাত আব্দুল্লাহ

    রাজার হালে মুম্বাইয়ে হাসানাত আব্দুল্লাহ

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:০০

    মুন্সিগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    মুন্সিগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪

    সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কেমন হবে আর্জেন্টিনা একাদশ?

    সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কেমন হবে আর্জেন্টিনা একাদশ?

    ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬

    advertiseadvertise