আগামীর সময়ের প্রতিবেদন, নড়েচড়ে বসল ভূমি মন্ত্রণালয়

মাঠপর্যায়ে ভূমিসেবা কার্যক্রমে বিদ্যমান নানা সমস্যা, ডিজিটাল সিস্টেমের ত্রুটি এবং সেবার মান নিয়ে আগামীর সময়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং করণীয় নির্ধারণে জরুরি ভার্চুয়াল সভার আহ্বান করা হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগ থেকে জারি করা নোটিসে এ তথ্য জানা গেছে।
আগামী ১৬ জুলাই ২০২৩ রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জুম প্ল্যাটফর্মে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।
নোটিসে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ে ভূমিসেবা আরও কার্যকর, স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন অটোমেটেড সিস্টেমের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে। বিশেষ করে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সহায়তা সিস্টেম, ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর এবং অন্য ডিজিটাল ভূমিসেবা প্ল্যাটফর্মের বর্তমান অবস্থা ও কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা হবে।
এ ছাড়া ভূমি অফিসগুলোতে সেবা দিতে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেসব বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত জটিলতা ও পরিচালনাগত প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন, সেগুলোও সভায় তুলে ধরা হবে। কোন কোন সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা সম্ভব এবং কোনগুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সভায় মাঠপর্যায়ের ভূমিসেবার মানোন্নয়ন, ডিজিটাল সিস্টেম আরও ব্যবহারবান্ধব করা, সেবার গতি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হবে।
এ গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেওয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের সব অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণকেন্দ্রের পরিচালক, ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, দেশের সব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সব সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
অটোমেশন প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদেরও উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ১১ জুলাই আগামীর সময়ের অনলাইন ভার্সনে ও ১২ জুলাই প্রিন্টে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে মাঠপর্যায়ের ভূমিসেবায় বিদ্যমান নানা সীমাবদ্ধতা, ডিজিটাল সিস্টেমের ত্রুটি এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়গুলো উঠে আসার পরপরই মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।





