হঠাৎ বাড়ল পুশইন, এক দিনে ২২ জনকে ঠেকাল বিজিবি

ফাইল ছবি
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন করার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ সীমান্তে। ঢল নেমেছিল অনুপ্রবেশ চেষ্টার। মাঝে কিছুদিন সেই চেষ্টায় গতি না থাকলেও আবার বেড়েছে তৎপরতা। গতকাল শনিবার এক দিনেই দেশের তিন জেলার শূন্যরেখা পার করে ২২ জনকে ঠেলে পাঠাচ্ছিল ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কড়া নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপে ব্যর্থ হয়েছে এই অপচেষ্টা।
দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে ৯ নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছিল বিএসএফ। উপজেলার খিয়ারমামুদপুর সীমান্তে ৯ জনকে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ২৯১/২০ এস সীমান্ত পিলারের কাছে নিয়ে এসেছিল তারা। সকাল থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছিল বিজিবি, বিএসএফ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। একপর্যায়ে তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ভারত। সকাল ৭টার দিকে আবার ওই নারীদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফের প্রায় ৩০ সদস্যের একটি দল। এতে ফের ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা, বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান দুই দেশের সীমান্তরক্ষীরা। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে লাঠি হাতে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেন স্থানীয়রা। এতে আবার ব্যর্থ হয় বিএসএফ।
মহেশপুরে ছয়জনকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা: ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ছয়জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তবে বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) সদস্যদের তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয়েছে। গতকাল সকালে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
বিজিবি জানায়, গতকাল ভোরে উপজেলার সামন্তা এলাকায় চার পুরুষ ও দুই নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছিল বিএসএফ। তারা বাংলাদেশে ঢোকার আগমুহূর্তেই থামিয়ে দেয় বিজিবি। সন্ধ্যা পর্যন্ত সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৩০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল ওই ব্যক্তিরা।
পরশুরাম সীমান্তে সাত ভারতীয়কে ঠেকাল বিজিবি: ফেনীর পরশুরামে সাত ভারতীয় নাগরিকের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করেছেন বিজিবি সদস্যরা। গতকাল সকালে উপজেলার পশ্চিম সাহেবনগর ও ত্রিপুরার রাজনগর সীমান্তে ঘটে এ ঘটনা। তাদের মধ্যে পাঁচজন নারী ও দুটি শিশু।




