যাত্রী কল্যাণ সমিতি
জুনে সড়কে ঝরেছে ৪৬৩ প্রাণ, আহত ১৩২৩

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
৫৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় জুন মাসে ঝরল ৪৬৩ প্রাণ। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অন্তত ১ হাজার ৩২৩ জন। এই সময়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৭৩, আহত ১৩২ জন; যা মোট দুর্ঘটনার ৩২.৩৩ শতাংশ, নিহতের ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতের ৯.৯৭ শতাংশ।
আজ মঙ্গলবার এসব তথ্য জানানো হয় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সই করা এক বার্তায়।
সমিতির প্রতিবেদনে বলা হয়, জুনে সবচেয়ে বেশি ১২৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রাম বিভাগে ১২৬ জন নিহত ও ৩৭৩ জন আহত হয়েছে। সবচেয়ে কম ২৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছে।
সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ২৭.৬৩ শতাংশ গাড়ি চাপা বা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা, ৪৩.২৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২০.৬৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ঘটে।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪৪.৭৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৮.৩৮ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২০.৬৭ শতাংশ সংযোগ সড়কে হয়েছে। এ ছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.১৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৯৩ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১২ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে।
সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো— জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা অবাধে চলাচল; জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা; সড়কে রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধবাঁকের সৃষ্টি; মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ক্রটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা; অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন এবং বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো।




