নীতিগত অনুমোদন
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল

বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বন্দরের গতি আনতে দুটি মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে একটি কক্সবাজারের মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরের কাছে এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী এলাকায়। এ উদ্যোগ দেশে প্রথম। গতকাল অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এর নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দুটি স্থানে প্রায় ৬০০ একর জমিতে মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হবে। যেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কাস্টমস ও করসংক্রান্ত অনেক বিধিনিষেধ শিথিল থাকে। এতে বিদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা সহজে বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারবেন।
বৈঠকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন স্থাপনের জন্য বিশেষ কোম্পানি গঠন এবং সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন ও ভূমি ইজারা চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই দিন সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চুক্তির ফোর্স মেজর ধারা প্রয়োগ করছে। অর্থাৎ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ করতে পারছে না। এ অবস্থায় স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সার সরবরাহকারী দেশগুলোয় উৎপাদন, পরিবহন ও লজিস্টিক সংকট দেখা দেওয়ায় রাশিয়া থেকে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাশিয়া থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ৭০৫ কোটি টাকা।




