Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সংস্কৃতি

যাত্রাপালা ও সার্কাসের অনুমতি দেবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

  • জেলা প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানি কমাতেই এমন সিদ্ধান্ত
আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:১০
যাত্রাপালা ও সার্কাসের অনুমতি দেবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

ছবি: আগামীর সময়

যাত্রাপালা ও সার্কাস আয়োজনের প্রাথমিক অনুমতি এখন থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। জেলা প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানি কমাতেই এ উদ্যোগ বলে জানান তিনি।

বুধবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ‘যাত্রাপালা শিল্পের মানোন্নয়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘যাত্রা ও সার্কাস এ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শক্তিশালী সাংস্কৃতিক মাধ্যম। তবে এর নামে কোনো ধরনের জীবনবিমুখ, সংগ্রামবিমুখ বা অশ্লীল কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। সুস্থ ও রুচিশীল বিনোদন নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় থেকে প্রণয়ন করা হবে একটি যুগোপযোগী নীতিমালা।’

দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন যাত্রাশিল্পীরা, যাত্রাপালা মঞ্চায়নের জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, অনুমতি-সংক্রান্ত জটিলতা অনেকাংশে কমাবে সংস্কৃতিমন্ত্রীর এই ঘোষণা।

জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় বিভিন্ন সমস্যা, সংকট ও বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন যাত্রাদলের মালিক, শিল্পী ও কলাকুশলীরা। একই সঙ্গে উপস্থাপন করেন জীবনমান উন্নয়ন, সুস্থ কর্মপরিবেশ, আর্থিক নিরাপত্তা এবং ঝুঁকিভাতাসহ বিভিন্ন দাবিও।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আমরা বিশ্বদরবারে আমাদের মহান ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে চাই।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় আমরা এক সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী এই সাংস্কৃতিক মাধ্যমকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়েছি। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে বাচনভঙ্গি, দেহভাষা, প্যান্ডেল ব্যবস্থাপনা এবং বাদ্যযন্ত্র তথা অর্কেস্ট্রায় আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে হবে।’

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এম এ মজিদ। আলোচনায় অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক রেজা মো. আরিফ, অধ্যাপক আনন জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর নাহিদ খান এবং পালাকার রাখাল বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।

একসময় গ্রামবাংলার অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনের মাধ্যম ছিল যাত্রাপালা। রূপবান, সিরাজউদ্দৌলাসহ নানা ঐতিহাসিক ও রম্য যাত্রার আসর বসত গ্রামে গ্রামে। সময়ের পরিবর্তন, প্রযুক্তির বিকাশ এবং বিনোদনের নতুন মাধ্যমের বিস্তারের কারণে এ শিল্পের জনপ্রিয়তা অনেকটাই কমে গেছে। সরকারের নতুন উদ্যোগ যাত্রাশিল্পের পুনরুজ্জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

যাত্রাপালাসার্কাসসংস্কৃতিমন্ত্রী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise