ছাদে সৌরবিদ্যুৎ: ভর্তুকির বোঝা কমাতে ডেসকোর নতুন উদ্যোগ

সংগৃহীত ছবি
বছরে জ্বালানি খাতে ৪০ থেকে ৪৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির চাপ কমাতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ডেসকো চেয়ারম্যান ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, সরকার, প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির মালিকেরা নিজ নিজ জায়গা থেকে উদ্যোগী হলেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব।
আজ শনিবার সকাল ১১টায় নিকুঞ্জের হোটেল গ্রেস ২১-এর ব্যাঙ্কোয়েট হলে ডেসকোর বিতরণ এলাকায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ দ্রুত সম্প্রসারণ ও সার্ভিস প্রোভাইডার তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক অবহিতকরণ ও অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের নির্দেশনায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সানোয়ার জাহান বলেন, এনার্জি খাতে প্রতিবছর সরকারকে বিপুল অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হয়, যা বড় বোঝা। সবাই নিজের জায়গা থেকে একটু একটু করে কাজ করলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম আহমেদ জানান, বিডা ভবনের ছাদে নির্মিত সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনা ‘ডেসকো-বিডা মডেল’ হিসেবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এ মডেলকে সামনে রেখে সারা দেশে কাজ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ডেসকো এলাকার বিদ্যমান সোলার স্থাপনাগুলো থেকে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। তাই সেগুলো থেকে শতভাগ উৎপাদন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সভার শুরুতে বক্তব্য দেন ডেসকোর নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল, অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া। ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল মান্নাফ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদও বক্তব্য দেন।
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আশফাক আহমেদের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পূর্ণতা রায়।
অংশীজনদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ডেসকোর কর্মকর্তারা।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠনের প্রতিনিধি, ইপিসি ঠিকাদার, ভবন ও ফ্ল্যাট মালিক সমিতির নেতারা এবং ডেসকোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।



