Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মনিরুলের ‘মানবতার দুয়ার’
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

এস আলমের হয়ে ইসলামী ব্যাংকে বসেন সাহাবুদ্দিন!

গোলাম রব্বানী
গোলাম রব্বানী
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫
শেয়ার করুন:
এস আলমের হয়ে ইসলামী ব্যাংকে বসেন সাহাবুদ্দিন!

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন । ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ঋণ কেলেঙ্কারির পুরনো বিতর্কে নতুন করে এসেছে মো. সাহাবুদ্দিনের নাম। বিতর্কিত ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলমকে সহযোগিতার অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন তিনি। হাইকোর্টে দাখিল করা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) একটি তদন্ত প্রতিবেদন ও একটি অডিট রিপোর্টে মিলেছে জেএমসি বিল্ডার্সের মাধ্যমে ব্যাংকের শেয়ার নিয়ন্ত্রণ এবং এস আলম গ্রুপের স্বার্থ রক্ষায় তার সরাসরি ভূমিকার তথ্য।

শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৫ সালে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করে ইসলামী ব্যাংক। এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি থেকে নেওয়া ঋণ বা বিনিয়োগের অর্থ ব্যবহার করে ব্যাংকটির ৮২ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা বনে যাওয়ার বিষয়ে চাওয়া হয় তদন্ত। এই রিটের প্রাথমিক শুনানি করে গত বছরের অক্টোবরে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এতে ওই ২৪ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার ওপর তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয় বিএফআইইউকে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে ৪২ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন ও একটি অডিট রিপোর্ট জমা দেয় বিএফআইইউ। তাতে উঠে এসেছে ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার নানা তথ্য।

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্যে বলা হয়, ২০১৭ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে ব্যাংক কোম্পানি আইনের একাধিক বিধান লঙ্ঘন করে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৭২ শতাংশ শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ নেয় এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। ওই সময় এস আলমের যে প্রতিষ্ঠানগুলো এই শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ নেয়, সেগুলোর অন্যতম জেএমসি বিল্ডার্স। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এস আলমের ছেলে আহসানুল আলম।

    ‘জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে সাহাবুদ্দিনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে। পরে ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে সরে দাঁড়ান ওই পদ থেকে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন ২০১৭ সালের ৮ জুন থেকে ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত’— উল্লেখ করা হয় তদন্ত প্রতিবেদনে।

    রিট আবেদনে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিনিধিত্বকারী একজন সিনিয়র আইনজীবী বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় নাম প্রকাশ না করে আগামীর সময়কে বলেছেন, সাহাবুদ্দিন যে সময় পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন, তখন এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ।

    ‘জেএমসি বিল্ডার্সের পেইডআপ ক্যাপিটাল মাত্রা ১০ কোটি টাকা হলেও ইসলামী ধারার একটি ব্যাংক থেকে শেয়ার কিনেছে ১০২ কোটি টাকার। ফার্স্ট সিকিউরিটি ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ব্রোকারেজ হাউজের ০৩৩১ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ৮১২টি শেয়ার কিনেছে প্রতিষ্ঠানটি’— তথ্য মিলল অডিট প্রতিবেদনে।

    এসব শেয়ার কেনার অর্থের উৎস অনুসন্ধান করে বিএফআইইউ দেখতে পায়, টাকাগুলো এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেটে লিমিটেডের হিসাব থেকে এসেছে। অর্থাৎ তদন্ত প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছিল জেএমসি বিল্ডার্সের শেয়ার কেনার অর্থ। রিট মামলাটি হাইকোর্টে এখনো বিচারাধীন, চলছে শুনানি। আগামী বুধবার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য আছে বলেও জানা গেছে।

    মামলাটির একটি পক্ষ ইসলামী অর্থনীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইসলামিক ইকোনমিকস রিসার্চ ব্যুরোর (আইইআরবি)’ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির আগামীর সময়কে জানালেন, বিএফআইইউর প্রতিবেদন থেকে এটি স্পষ্ট যে, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড পরিচালক হয়েছিলেন এস আলমের লোক হিসেবে এবং এস আলমের সব কেলেঙ্কারির সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতাও স্পষ্ট।

    সাবেক রাষ্ট্রপতি হলেও সাহাবুদ্দিন কোনো অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ছাড় পাবেন না বলে দাবি এই আইনজীবীর। ‘সংবিধান অনুসারে শুধু রাষ্ট্রপতি পদে থাকা অবস্থায় কিছু বিষয়ে ছাড় পেয়ে থাকেন তারা। কিন্তু পদ থেকে সরে গেলে দুর্নীতি বা অন্য যেকোনো অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এতে কোনো সমস্যা নেই’— আইন দেখালেন তিনি।