Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
‘গরিবের ডাক্তার’ এবাদুল্লাহ
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

শিক্ষার ‘স্পিডব্রেকার’ ১৩ হাজার মামলা

নূর মোহাম্মদ
নূর মোহাম্মদ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৩
শিক্ষার ‘স্পিডব্রেকার’ ১৩ হাজার মামলা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আলী আহমেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। আড়াই হাজার শিক্ষার্থীর এ প্রতিষ্ঠানে এখন সুনসান নীরবতা। অধ্যক্ষের চেয়ার ‘দখল’ নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলায় ছয় মাস ধরে বেতন বন্ধ শিক্ষক-কর্মচারীদের। বেতন না পেয়ে স্কুলে আসেন না শিক্ষকরা। স্কুলবিমুখ হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরাও।

শুধু এ প্রতিষ্ঠানই নয়, শিক্ষা এবং গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিন বিভাগ ও ১৬টি দপ্তর, ১১টি শিক্ষা বোর্ড এবং সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঝুলে আছে ১৩ হাজার ৭৮টি মামলা। এতে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, তদারকি, এমপিও, কমিটি গঠনসহ সার্বিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে চরমভাবে। এসব মামলা শিক্ষা খাতের ‘স্পিডব্রেকার (গতিরোধক)’— এমন মন্তব্য খাত-সংশ্লিষ্টদের।

মন্ত্রণালয়গুলোর আইন শাখার তথ্য বলছে, চলমান মোট মামলার প্রায় ৩০ শতাংশই হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর। যার অধিকাংশই স্কুল-কলেজের কমিটি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান ঘিরে। ফলে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক সংকট তৈরি হয়েছে। কোথাও শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানে না গিয়েও বেতন তুলছেন, কোথাও বেতন বন্ধ, কোথাও আবার আদালতের নির্দেশের অপেক্ষায় আটকে আছে নিয়োগ ও পদোন্নতি। সবচেয়ে বেহাল প্রাথমিক স্কুলগুলো।

মামলা নিয়ে নিজের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন আগামীর সময়কে বলেছেন, যেখানেই হাত দিই, সেখানেই মামলার ঝামেলা। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। আমি মামলা মামলার মোকাবিলা করব, নাকি শিক্ষার পলিসি (নীতিনির্ধারণ) নিয়ে কাজ করব। পরিস্থিতি এমন হয়েছে, মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা আদালত বা বিশেষ বেঞ্চ গঠন প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, মামলার অধিকাংশই মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরগুলোর বিরুদ্ধে হওয়ায় স্বাভাবিক কার্যক্রম ও পলিসি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত আটকে যাচ্ছে। মামলার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষকের পদোন্নতি দিতে পারছি না। পদোন্নতি দিতে না পারায় নতুন করে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগও সম্ভব হচ্ছে না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মামলার জালে আটকা পড়েছেন মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার প্রসারে নেওয়া ‘সেসিপ’ প্রকল্পের কয়েকশ শিক্ষক। ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গণিত ও বিজ্ঞানের বিষয়ে ভালো ফলাফলের কারিগর এ শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ী ও নিয়োগ নিয়ে মামলা চলছে। মন্ত্রণালয় চাইলেও তাদের স্কুলে পাঠাতে পারছে না। শিক্ষক না থাকায় দেশের শত শত স্কুলের কোটি কোটি টাকার ল্যাবরেটরি সরঞ্জাম তালাবদ্ধ হয়ে নষ্ট হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার নথি বলছে, শিক্ষার দুটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি বিভাগ, ১৬টি দপ্তর, ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে। এর বাইরে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ১৭০টি। এসব দপ্তরে মামলা রয়েছে ১৩ হাজার ৭৮টি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট মামলা ৯ হাজার ৬৫২টি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ৮ হাজার ৪৯৩টি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ১ হাজার ১৫৯টি। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট মামলা ৩ হাজার ৪২৬টি। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) কাঁধেই ৩ হাজার ২৮২টি, যা মোট মামলার প্রায় ৯৬ শতাংশ। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোতে ৫৪টি, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ইউনিটে ৫৪টি ও শিশুকল্যাণ ট্রাস্টে ১১টি।

মাউশিতে ৫৮৩১ মামলা: শিক্ষায় বেশি মামলা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ৮ হাজার ৪৯৩টি। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের একার কাঁধেই রয়েছে ৫ হাজার ৮৩১টি, যা মোট মামলার ৬৮ শতাংশ। মামলার কারণে স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগ, বেতন-ভাতা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে আছে। মাউশির বেশিরভাগ মামলা নিয়োগ-পদোন্নতি, স্কুল-কলেজ কমিটি গঠনকে চ্যালেঞ্জ, এমপিও, ইনসিটু এবং ওএসডি সংযুক্ত সংক্রান্ত। বেতন বিল, জাল কাগজে এমপিও, স্কুলে ভর্তির মামলা রয়েছে তালিকায়।

শিক্ষা বোর্ডের মামলা ১৬৬৩: ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মামলার সংখ্যা ১ হাজার ৬৬৩টি। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৫৫২টি, কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডে ১১১টি মামলা। ২৭৩ মামলা নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এরপর কুমিল্লা বোর্ডে ২৬৩, রাজশাহীতে ২০৯, দিনাজপুরে ১৮৩ এবং ময়মনসিংহে ১৬৩ মামলা রয়েছে। সবচেয়ে কম মামলা সিলেট বোর্ডে ৬৯টি। কারিগরি বোর্ডে ৫৪, মাদ্রাসা বোর্ডে ৫৭ মামলা রয়েছে। সব বোর্ডের ৭১ শতাংশ মামলাই স্কুল-কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ, গভর্নিং বডি সংক্রান্ত বিরোধ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে। শিক্ষা বোর্ডের আইন কর্মকর্তারা বলছেন, কমিটি দখল ও আধিপত্যের লড়াইয়ে আদালতকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে বাজেট পাস, বেতন-ভাতা অনুমোদন ও উন্নয়নকাজ দীর্ঘদিন আটকে আছে স্কুল-কলেজগুলোয়। এ ছাড়া এনটিআরসিএতে ৫৮৫টি, ইউজিসিতে ২৭৩টি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬৩টি, এনসিটিবিতে ৮৮টি এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ৭৮টি মামলা রয়েছে।

৫ আগস্টের পর ৩০ শতাংশ: মোট মামলার প্রায় ৩০ শতাংশই হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর। এর বড় অংশই স্কুল-কলেজের অ্যাডহক কমিটি ভেঙে দেওয়া বা নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে। সাবেক কমিটির সদস্যরা পদ ফিরে পেতে কিংবা নতুন কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গেছেন— এমন মামলার সংখ্যা ১ হাজার ৭০০-এর বেশি। মামলার কারণে অন্তত ৫৭৭টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এখানে নিয়মিত প্রতিষ্ঠান প্রধান নেই, আছে একাধিক কমিটিও। এতে মন্ত্রণালয়, বোর্ড বা অধিদপ্তর কাউকেই চিঠি দিতে পারছে না।

১০৮ খাতে মামলা, নিয়োগেই ১২ ধরনের জট: শিক্ষা প্রশাসন ও আইন শাখা মামলার ১০৮টি খাত চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ ধরনের বিষয়ে নিয়মিত মামলা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি মামলা হচ্ছে নিয়োগ ও পদোন্নতি জটিলতা, গ্রেডেশন ও জ্যেষ্ঠতা বিরোধ, এমপিও ও বেতন-ভাতা সমস্যার কারণে। তারপর রয়েছে বিভাগীয় শাস্তি ও চাকরিচ্যুতি, কোটা ও জাতীয়করণ, সহোদয় কোটায় ভর্তি, স্কুলে ফি ও অতিরিক্ত ফি আদায়, জাল সনদ ও ভুয়া নিয়োগ, পেনশন, অডিট আপত্তি ও আর্থিক অনিয়ম এবং শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে। রয়েছে পাবলিক পরীক্ষা ও দুর্নীতি (দুদক) সংশ্লিষ্ট বিষয়েও। মামলার নথি বলছে, শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়ায়ই ১২ ধরনের ত্রুটির কারণে মামলা হয়। স্কুল-কলেজের কমিটি চ্যালেঞ্জ করে ১৮ ধরনের মামলা রয়েছে। এ ছাড়া পদোন্নতি, আত্তীকরণ, কোটা ও ভর্তিসংক্রান্ত আরও অন্তত ৩২ ধরনের মামলা নিয়মিত আদালতে যাচ্ছে।

সংকটে প্যানেল আইনজীবী, অপর্যাপ্ত ফি: মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর মামলাগুলো তদারকির জন্য আলাদা প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দেয়। এখানেও রয়েছে তীব্র সংকট। পর্যাপ্ত আইন বিশেষজ্ঞ না থাকা এবং নথিপত্র উপস্থাপনে দুর্বলতার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ হারছে।

অর্থ বিভাগে মামলা পরিচালনা করতে প্যানেল আইনজীবীদের জন্য ফি কাঠামো রয়েছে। আরজি ও জবাব প্রস্তুত করতে ২০ হাজার, চূড়ান্ত শুনানিতে ২০ হাজার এবং আইনগত মতামতের জন্য ৩ হাজার টাকা পাবেন। আপিল বিভাগে এই ফি সামান্য বেশি। এ কাঠামোর ফলে অভিজ্ঞ আইনজীবীরা সরকারি মামলা পরিচালনা করতে আগ্রহী হন না। ফলে বাদীপক্ষ মামলা লড়তে লাখ টাকার আইনজীবী আনছে, সরকার নিচ্ছে ২০ হাজার টাকার আইনজীবী। এ প্রসঙ্গে প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ নাফিউল ইসলাম বলেছেন, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর মামলা লড়তে যে ফি দেয়, তা খুবই নগণ্য। আমি শুধু দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের কারণে এসব মামলা পরিচালনা করি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খানের অভিমত, শিক্ষায় যেসব মামলা হয়, তার অধিকাংশ ব্যক্তিস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট। এসব মামলার আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার আগেই বিভাগীয় পর্যায়ে সমস্যা সমাধানের জন্য শক্তিশালী প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যেতে পারে। শুধু প্যানেল আইনজীবীর ওপর ভরসা না করে যেমন প্রতিটি অধিদপ্তরে স্থায়ী আইনি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া জরুরি, তেমনি নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

তদারকিতে ঘাটতি-সমন্বয়হীনতা: সরকারি দপ্তরগুলোর মামলা নিয়মিত তদারকির জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং কমিটি রয়েছে। প্রতি তিন মাসে একবার কমিটির বৈঠক হয়। কমিটিতে আইন, লেজিসলেটিভ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবরা থাকলেও বাস্তবে মামলা নিষ্পত্তির হার অত্যন্ত ধীরগতি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ প্রতি মাসে সভা করার কথা থাকলে সেটিও নিয়মিত হয় না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি কৌঁসুলিদের (জিপি/এজিপি) সঙ্গে অধিদপ্তরে সমন্বয়ের অভাবে মামলার ধীরগতির প্রধান কারণ। নথিপত্র সময়মতো আদালতে উপস্থাপন না করায় সরকার মামলাগুলোয় হারে।

শিক্ষাশিক্ষকজাতীয়গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
    শেয়ার করুন:
    ‘গরিবের ডাক্তার’ এবাদুল্লাহ

    ‘গরিবের ডাক্তার’ এবাদুল্লাহ

    ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯

    মবের মুখে বিজিবির জব্দ করা গাড়ি ছিনিয়ে নিল চোরাকারবারিরা

    মবের মুখে বিজিবির জব্দ করা গাড়ি ছিনিয়ে নিল চোরাকারবারিরা

    ০৪ জুন ২০২৬, ০০:১২

    চার্টার্ড ফ্লাইটে চুরি ৪৬৮ কোটি

    চার্টার্ড ফ্লাইটে চুরি ৪৬৮ কোটি

    ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:১২

    ইসলামী ব্যাংক যেখান থেকে এখানে

    ইসলামী ব্যাংক যেখান থেকে এখানে

    ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫৪

    চরের মতো দখল হচ্ছে দক্ষিণ চীন সাগর

    চরের মতো দখল হচ্ছে দক্ষিণ চীন সাগর

    ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৬

    সাইবার-সিকিউরিটি জোরদারে ৫ দিনব্যাপী ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’

    সাইবার-সিকিউরিটি জোরদারে ৫ দিনব্যাপী ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’

    ০৪ জুন ২০২৬, ০০:০৫

    শিশুর উপর যৌন নির্যাতন : ১৩ দিনেই অভিযোগপত্র যাচ্ছে আদালতে

    শিশুর উপর যৌন নির্যাতন : ১৩ দিনেই অভিযোগপত্র যাচ্ছে আদালতে

    ০৪ জুন ২০২৬, ০০:৫৬

    বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে ৬০ শতাংশ

    বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে ৬০ শতাংশ

    ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৪৭

    ৩৮ বছর পর ফিরে এলেন স্বামী, ঘরে তুললেন না স্ত্রী

    ৩৮ বছর পর ফিরে এলেন স্বামী, ঘরে তুললেন না স্ত্রী

    ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭

    বোমা বৃষ্টির মাঝেই বেড়ে উঠছে শিশুরা

    বোমা বৃষ্টির মাঝেই বেড়ে উঠছে শিশুরা

    ০৪ জুন ২০২৬, ০১:১৪

    রপ্তানি আয়ে ভাটা

    রপ্তানি আয়ে ভাটা

    ০৪ জুন ২০২৬, ০১:১৬

    শ্রম ইস্যুতে বাড়ছে  মার্কিন শুল্ককোপ

    শ্রম ইস্যুতে বাড়ছে মার্কিন শুল্ককোপ

    ০৪ জুন ২০২৬, ০১:২৫

    ইরানে বসবাস করলে সবসময়ই আশঙ্কা কাজ করে

    ইরানে বসবাস করলে সবসময়ই আশঙ্কা কাজ করে

    ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৪৬

    বাড়তি শুল্কে ডিসিসিআইয়ের উদ্বেগ

    বাড়তি শুল্কে ডিসিসিআইয়ের উদ্বেগ

    ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৩০

    হোয়াইট হাউস পর্যন্ত যেন পৌঁছাতে পারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

    হোয়াইট হাউস পর্যন্ত যেন পৌঁছাতে পারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

    ০৪ জুন ২০২৬, ০২:৫১

    advertiseadvertise