Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মোবাইল আসক্তি ঠেকাতে খোকনের ‘পথ পাঠাগার’
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

দেশে সড়ক-মহাসড়কে ২৭৩৮০ কিমি ক্ষত

সজিব ঘোষ
সজিব ঘোষ
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৫
দেশে সড়ক-মহাসড়কে ২৭৩৮০ কিমি ক্ষত

সংগৃহীত ছবি

উঠে গেছে সড়কের আস্তর। ভেতরের ইট ভেঙে পরিণত হয়েছে খোয়ায়। কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে ছোট-বড় হাজারো গর্ত লুকিয়ে রয়েছে বৃষ্টির জলে। কাদামাটির সঙ্গে গড়াগড়ি করেই চলছে গাড়ি। এ ছবি কোনো গ্রামীণ সড়কের নয়। এ বর্ণনা শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের। পদ্মা সেতু পেরিয়ে শোঁ শোঁ করে ছুটে আসা গাড়িগুলো এখানে এসে শুরু করে ঝিমুতে।

একই দশা বাগেরহাটের শরণখোলায়। সেখানকার গর্তে যেন ঠাঁই নেবে ‘হাঁটু’। বৃষ্টির পানিতে সদরের পাঁচরাস্তা মোড় থেকে বাংলাবাজার চৌকিদার বাড়ি পর্যন্ত তিন কিলোমিটারের সড়কটি পরিণত হয় ঝুঁকিপূর্ণ ‘ডোবায়’। তবু ঝুঁকি নিয়েই এ সড়ক ব্যবহার করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সড়ক হোক বা মহাসড়ক, দেশ জুড়ে এখন একই চিত্র। সবখানেই আছে এই খানাখন্দ আর ভাঙাচোরার ছবি।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) তথ্য বলছে, মোট ২২ হাজার ৭৩৭ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে সওজের আওতায়। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক ৪ হাজার ৪০৯ কিলোমিটার আর আঞ্চলিক মহাসড়ক ৫ হাজার ১০৭ কিলোমিটার। এর বাইরে জেলা পর্যায়ে রয়েছে আরও ১৩ হাজার ২২০ কিলোমিটার। সারা দেশে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক মিলিয়ে বর্তমানে মেরামত করতে হবে— এমন সড়ক অন্তত ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার।
যদিও এই হিসাবগুলো বন্যার আগের করা। বন্যার পরে সড়কের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পূর্ণাঙ্গ বের করা হয়নি এখনো। বন্যার ক্ষতি যুক্ত করলে স্বাভাবিকভাবেই ভাঙাচোরা সড়কের পরিমাণ আরও বাড়বে।

সওজের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘ভারী বৃষ্টি ও বন্যার পর এখনো সব জায়গার পানি শুকায়নি। তাই ক্ষয়ক্ষতি কেমন হয়েছে, তা পুরোপুরি জানা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের কাজ চলমান। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে এখনো যাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকায় রোদ দেখা যাচ্ছে ধীরে ধীরে, অন্য জায়গাগুলো শুকিয়ে গেলে কাজে গতি ফিরবে।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) হিসাব, দেশ জুড়ে পাকা সড়ক রয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২০৯ কিলোমিটার। এর মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে ৩৪ হাজার ৫৬৬ কিলোমিটার। ইউনিয়নে রয়েছে ৩৪ হাজার ৩৮৪ কিলোমিটার। বাকিটা গ্রামীণ পাকা সড়ক। এসবের মধ্যে মেরামতযোগ্য ২৪ হাজার কিলোমিটার। এ ছাড়া বন্যায় ক্ষতি হয়েছে আরও ১ হাজার ৬৮০ কিলোমিটার সড়কের। বন্যার পরের ক্ষয়ক্ষতি চিহ্নিতের কাজ এখনো চলছে।

এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) ইফতেখার আলী বললেন, ‘এটি নিয়মিত (প্রতি বছর) মেরামতের অংশ। সাধারণত মোট সড়কের ২০-২৫ শতাংশ প্রতি বছর মেরামত করতে হয়। এবার বন্যার কারণে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা বাড়বে। বন্যা-পরবর্তী ক্ষতির পরিমাণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মাঠপর্যায়ে এস্টিমেটের কাজ (আনুমানিক ব্যয়) চলমান রয়েছে।’

মেরামতের জন্য কত টাকা প্রয়োজন, তা এখনো নির্ধারণ করতে পারেনি সওজ। কারণ, কোন জায়গায় কতটুকু মেরামত করতে হবে, সেটিই তাদের জানা নেই। তবে এলজিইডির জন্য এবার রক্ষণাবেক্ষণ খাতে বরাদ্দ রয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা। এই টাকার মধ্যেই তাদের সারা বছরের কাজ শেষ করতে হবে।

এলজিইডির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য বলছে, বরাদ্দ পাওয়া টাকা দিয়ে ৮ থেকে ৯ হাজার কিলোমিটার সড়ক মেরামত সম্ভব হবে। এর বাইরে ৩ থেকে ৪ হাজার কিলোমিটার সড়ক বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় মেরামত করা হবে। বাকি অংশগুলো চলতি অর্থবছরে মেরামতের আওতায় আসবে না। সেক্ষেত্রে বর্তমানে যেসব সড়ক ভাঙাচোরা রয়েছে, এগুলোর অর্ধেকের বেশি ভাঙাচোরাই থেকে যাবে। আর যদি এখন মেরামত করতে হয়, তাহলে আলাদা প্রকল্প নিয়ে নতুন করে অর্থ বরাদ্দ আনতে হবে।

যদিও বিষয়টিকে সওজ ও এলজিইডির গাফিলতি হিসেবেই দেখছেন অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক শামছুল হক। তার মতে, ‘পুরনো এ প্রতিষ্ঠানেরগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা উচিত। তবে এ প্রতিষ্ঠানগুলো যা করে তাকে রক্ষণাবেক্ষণ নয়, পুনর্বাসন বলা যায়। আমাদের এখানে কোনো মেরামত হয় না। নতুন করেই করতে হয়। তাই এত খরচ লাগে। সারা বছর সড়কগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এই পরিমাণ ক্ষতি হতো না, এত বেশি খরচও প্রয়োজন হতো না।’

সড়কমহাসড়কক্ষয়ক্ষতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    মেয়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা!

    মেয়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা!