সিজিএসের গবেষণা
নির্বাচন ঘিরে ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ উদ্বিগ্ন

ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন হলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৫০ শতাংশের বেশি মানুষের মধ্যে উদ্বেগ কাজ করছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। আজ রবিবার সকালে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা’ শীর্ষক গবেষণা ফল প্রকাশ করা হয়।
গবেষণায় বলা হয়, দেশের ৮৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন হলেও প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ নিজেকে চরম অনিরাপদ মনে করেন।
অতীতে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। এ কারণে নির্বাচন ঘিরে তাদের মধ্যে প্রায়ই উদ্বেগ লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে সিজিএস চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান বলেন, দেশে সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনের সময় তারা গভীর নিরাপত্তাহীনতা, কাঠামোগত বর্জন এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের সংকটে ভোগেন। রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যালঘুদের ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বা মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত নগণ্য।
নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভয়ের সংস্কৃতি দূর করার দায়িত্ব সরকারের—এমন মন্তব্য করে অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের যেটুকু সক্ষমতা, যেটুকু সম্ভাবনা, তা শেষ সীমায় চলে গেছে। এখন ওনারা যেটা করতে পারেন, তা হলো একটা ভালো নির্বাচন করা। আসন্ন নির্বাচন যথেষ্ট অন্তর্ভুক্তিমূলক নয় বলে মনে করেন তিনি।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, তবে অংশগ্রহণমূলক করার সুযোগ আছে। নারী হোক, অন্যান্য জনগোষ্ঠী হোক বা ভিন্নমতের রাজনীতির মানুষ হোক- নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।



