নোয়াবের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী

সংগৃহীত ছবি
‘সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। আমাদের সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, মানুষের বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, মানুষের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।’ নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে নোয়াব (নিউজ পেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানাচ্ছিলেন, নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্পের নানা সমস্যার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য আগ্রহের সঙ্গে শুনেছেন।
‘বৈঠকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা বলেছেন স্পষ্টভাবে। মুক্ত ও স্বাধীন সংবাদপত্রকে সরকার এনকারেজ করে- প্রধানমন্ত্রী সেটা নোয়াব সদস্যদের জানিয়েছেন’, বললেন তিনি।
প্রেস সচিব যোগ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন। খবরকে গুরুত্ব দেন। প্রকাশিত খবরে কোনো সমস্যার কথা উঠলে তিনি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।’
দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হয় এই বৈঠক। বৈঠকের পর নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরে এটিই নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ। এমন বৈঠক নির্দিষ্ট সময় পরপর করা হবে বলে জানান সরকারপ্রধান।
বৈঠকের শুরুতে বক্তব্য দেন নোয়াব সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। তিনি সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা এবং বিগত সরকারগুলোর আমলে বিপুল সরকারি বিজ্ঞাপনের বিল বকেয়া থাকার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।
নোয়াব সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয় এবং প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। বিগত সরকারের আমলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের জামিনে মুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের সহ-সভাপতি এ এস এম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশক নাসিম মনজুর।
আরও অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।



