বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক

ছবি: আগামীর সময়
বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেলেও বিনিয়োগের সম্ভাবনা এখনো অপূর্ণ। এই সুযোগ কাজে লাগাতে তৈরি পোশাক, ওষুধ ও ইলেকট্রনিকস খাতে তুরস্কের উদ্যোক্তাদের বড় ধরনের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।
আজ বুধবার রাজধানীর ডিসিসিআই গুলশান সেন্টারে সফররত তুর্কিশ ইলেক্ট্রো টেকনোলজি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (টিইটি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সভায় এই আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১.০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যেখানে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৬৩৪.৫৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।
তিনি বলেছেন, ‘তুরস্ক ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ৭৪.০৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। তবে চামড়া, পাদুকা, পাটজাত পণ্য এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আরও বিশাল সুযোগ রয়েছে।’
টিইটির সহ-সভাপতি বুরাক বাসেগমেজলার বাংলাদেশের বাজার নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেন তাসকীন আহমেদ। বলেছেন, ‘ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স খাতে তুরস্কের বিনিয়োগকারীরা যৌথভাবে কাজ করতে চায়।’
তিনি ঘোষণা দেন, আগামী নভেম্বরে তুরস্কের ইলেকট্রনিক খাতের একটি বিশেষ শক্তিশালী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিটুবি ম্যাচমেকিং সেশনে অংশ নেবে।
তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও নিবিড় করার ওপর জোর দেন। তিনি মনে করেন, দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে ঢাকা চেম্বার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।
সভায় ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী ও সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মানসহ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নভেম্বরের এই সফর বাংলাদেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের বৈদেশিক বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করতে পারে।




