Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যসচিব

‘স্বাস্থ্যসেবা দয়া নয়, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১৮:৪৬
‘স্বাস্থ্যসেবা দয়া নয়, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার’

ছবি: আগামীর সময়

‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো দয়া বা দান নয়; এটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ ও মাঠ প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে’, এমনটাই জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

আজ রবিবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি নিশ্চিত করেন এমন তথ্য। বক্তব্যের শুরুতে তিনি জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্রীয় সরকারের যোগ্য ও দক্ষ প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে তাদের উত্থাপিত প্রশ্নগুলোকে অত্যন্ত যৌক্তিক বলে অভিহিত করেন।

স্বাস্থ্যসচিবের ভাষ্য, ‘গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে তৈরি হয়েছে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতা। অনেক ক্ষেত্রে ভবন নির্মাণ করা হলেও সেখানে নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। আবার কোথাও যন্ত্রপাতি কেনা হলেও ভবন না থাকায় তা ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।’

তিনি উদাহরণ দেন, ‘একটি মলিকুলার ল্যাব প্রকল্পের ৪০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি তিন বছর ধরে মহাখালীতে পড়ে আছে। কারণ সংশ্লিষ্ট ভবন এখনো নির্মিত হয়নি। একইভাবে শিশু হাসপাতালসহ আটটি হাসপাতালে ভবন ও যন্ত্রপাতি থাকলেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না জনবল সংকট ও সমন্বয়ের অভাবে।’

‘সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতের বাজেট পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে এ খাতে বরাদ্দ জিডিপির প্রায় ১ শতাংশের কাছাকাছি, যা আগে ছিল ০.৭ শতাংশ।’

তিনি বলেছেন, ‘গত বছর স্বাস্থ্য খাতে ৩২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবায়ন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে তা কমিয়ে নামিয়ে আনা হয়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকায়।’

মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়মিত হাসপাতাল পরিদর্শনের আহ্বান জানান স্বাস্থ্যসচিব। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের মূল লক্ষ্য প্রাথমিক পর্যায়ে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।

আউটসোর্সিং ব্যবস্থার প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি মাঠ প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় চিকিৎসকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। জানান, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা আসে সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায়। তাই জনগণের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব।’

এ ছাড়া মেডিসিন স্টোরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা না থাকাসহ ছোটখাটো সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি।

স্বাস্থ্য সচিব
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise