Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকাদানে ঘাটতি থাকবে না

আগামীর সময় রিপোর্টার
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১৪:৩৯
টিকাদানে ঘাটতি থাকবে না

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

দেশে চলমান টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করতে নতুন করে বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, আগামী কয়েক মাসে দেশে কোনো ধরনের ভ্যাকসিন সংকট থাকবে না। শিশুদের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার।

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ইউনিসেফের পক্ষ থেকে আসা হাম-রুবেলা টিকার চালান গ্রহণ শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ১৯৭৯ সাল থেকে ইপিআই কর্মসূচির আওতায় দেশে শিশু ও নারীদের জন্য ১২টি প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ শিশুর মৃত্যু প্রতিরোধ এবং প্রায় ৫০ লাখ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেছেন, পূর্ববর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে ইপিআই কার্যক্রম ব্যাহত হলেও দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বর্তমান সরকার। ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে ইউনিসেফের মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এ জন্য এরই মধ্যে ৮৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড় করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ১০ ধরনের প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, গত ৩ মে প্রথম চালানে ১৫ লাখের বেশি আইপিভি ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। এ ছাড়া বুধবার আরও ১৫ লাখ ডোজ এমআর এবং টিডি ভ্যাকসিন (৯০ হাজার ভায়াল) পৌঁছেছে। আগামী ১০ মের মধ্যে আরও প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন, আমরা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১৫ মাসের ভ্যাকসিন সংগ্রহ পরিকল্পনা নিয়েছি। যার মধ্যে তিন মাসের বাফার স্টক থাকবে। পাশাপাশি টিসিভি ও এইচপিভি ভ্যাকসিনের দুই বছরের মজুদ এরই মধ্যে নিশ্চিত রয়েছে বলেও জানান স্বাস্থমন্ত্রী।

চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ৫ মে পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৩ শতাংশ। খুব দ্রুত ১০০ শতাংশ কভারেজ অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি অভিভাবক, শিক্ষক, কমিউনিটি লিডার এবং ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘প্রত্যেক শিশুকে অন্তত এক ডোজ এমআর টিকা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হামসহ মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করা যায়।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্যাভি, ইউনিসেফ ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের টিকাদান কর্মসূচি আরও শক্তিশালী হবে।

টিকাদান কর্মসূচিস্বাস্থ্যমন্ত্রীসরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise